মিসর সংকটে যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি উপায় খুঁজছে যাতে আদর্শ ও মিত্রতা উভয়ই অক্ষত থাকে
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: মিসর সংকটে যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি উপায় খুঁজছে যাতে তাদের আদর্শ ও মিত্রতা উভয়ই অক্ষত থাকে।মিসরে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংস ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে সাবধানে পা ফেলছে তারা। একদিকে তাদের গণতান্ত্রিক আদর্শ, অন্যদিকে ৩০ বছরের ঘনিষ্ঠ মিত্র প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক_ কোন দিকে যাবে ওয়াশিংটন? আর তাই উভয় সংকটে হাবুডুবু খাওয়া দেশটি কড়া বক্তব্যও দিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা। খবর সিএনএন অনলাইনের।কয়েকদিন আগে হাজার হাজার মানুষ মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্র এ পরিস্থিতিতে খুব সতর্কতার সঙ্গে পরামর্শ দিচ্ছে। তারা একের পর এক পরিবর্তন এবং স্থিতিশীলতায় বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছেন।মিসরের শীর্ষস্থানীয় বিরোধী নেতা শান্তিতে নোবেলবিজয়ী মোহাম্মেদ এলবারাদি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র মোবারকের পতন হতে দেওয়া।সোমবার রাতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি এজেন্সির সাবেক প্রধান এলবারাদি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের নীতি পুনর্বিবেচনা করা উচিত। আপনাদের উচিত মোবারককে বিদায় হতে দেওয়া। আপনাদের উচিত মানুষের সঙ্গে আশ্বস্ততা গড়ে তোলা শুরু করা। তবে এমন মানুষের সঙ্গে নয়, যারা মানুষ থেকে দূরে। মিসর পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এমনিতেই কিছু জটিলতার মুখে পড়েছেন। কেননা এটি মধ্যপ্রাচ্যে তার দেশের প্রধান মিত্র। তাদের অন্য মিত্র ইসরায়েলের সঙ্গেও এর ভালো সম্পর্ক। এ দেশটির সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করার পর মিসর সেনাবাহিনীকে প্রতি বছর ১০০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। মিসর কৌশল ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্রকে। কায়রোকে বারবার ওয়াশিংটন গণতন্ত্রের পথে আসার কথা বলেছে ঠিকই, কিন্তু সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছে তাদের স্বার্থ।সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী উইলিয়াম কোহেন বলেন, আমাদের আদর্শ ও স্বার্থের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয়। এর যে কোনো একটি গ্রহণ বা পরিহার করার নির্দেশনা নেই।১৯৯৭ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মিসরে কর্মরত মার্কিন দূত ড্যানিয়েল কার্টজার বলেন, প্রশাসনকে দুটি দিকই দেখতে হয়। এর একটি হলো ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যটি গণতান্ত্রিক আদর্শ। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি উপায় খুঁজছে যাতে আমাদের আদর্শ ও মিত্রতা উভয়ই অক্ষত থাকে।এলবারাদি বলেন, শুধু কথার জন্য কথা নয়, মিসরের আইন-শৃঙ্খলা, অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা দেখতে চায় মিসরীয়রা। তারা দেখতে চায় তাদের আকাঙ্ক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিচ্ছে।মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বলেন, মিসরের পরিস্থিতি জটিল, খুবই কঠিন। গণতন্ত্রের পথে সাবধানে এগোতে হবে। হঠাৎ পরিবর্তন বিক্ষোভকারীদের স্বপ্ন ভঙ্গ করতে পারে।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes