Tuesday, 10 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

মূলধারার রাজনীতিক আবু নাছের খালিকুজ্জামানের “নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট” ভিজিট, সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 126 বার

প্রকাশিত: May 1, 2012 | 9:23 PM

USA NEWS : যুক্তরাষ্ট্র’র মূলধারার রাজনীতিক   আবু নাছের খালিকুজ্জামানের নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ভিজিট উপলক্ষে সিনেট স্পীকার “স্কেইলাস”, ডেপুটি স্পীকার, মেজরিটি, মাইনরিটি লীডার সহ সকল সিনেটরস কর্তৃক বিরল অভিন্দন ও বিশাল সম্মান দেয়া হয়। স্পীকার একে একে সকল সিনেট সদস্য-সদস্যা, ডেপুটি স্পীকার, মেজরিটি ও মাইনরিটি লীডার সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অপেক্ষমান সারিতে নিয়ে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেন। এটা ছিল সিনেটের এক ব্যক্তিক্রমী অনুষ্ঠান। গত ১৯ এপ্রিল স্পীকার মিঃ স্কেইলাস এর বিশেষ আমন্ত্রণে আবু খালিকুজ্জামান নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ভিজিট করেন ।

আলবানীর স্টেট সিনেট বিল্ডিং এ পৌঁছলে স্পীকারের পক্ষ থেকে সিনেটের এরিক এডমস, যিনি নিউইয়র্ক স্টেট হোমল্যান্ড সিকিউরিটি চেয়ারম্যান ও সিনেটর ক্যাভিন পার্কার, যিনি মাইনরিটি চেয়ারম্যান তাঁকে স্পীকারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে স্বাগত জানিয়ে স্পীকারের কক্ষে নিয়ে যান।

শুরুতেই সিনেট অধিবেশনে তাঁর আগমন, জানিয়ে বিশেষ সম্মান জানান  স্পীকার স্কেইলাস এবং তাঁকে বিশেষ সংরক্ষিত আসনে নিয়ে বসানো হয়। সাথে সাথে সকল সিনেটর  দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। সিনেট নম্বর ৩৯৫৫ এ তাঁর উপর গুরুত্বপূর্ণ লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন স্টেট সিনেট সেক্রেটারী মিঃ ফ্রানসিস ডাবই পেটইনসি. এরপর স্পীকার মিঃ সেকেইলস পুনরায় স্বাগত জানিয়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে “উদার বিশাল হৃদয়ের একজন ক্ষণজন্মা প্রতিভাবান জ্ঞানী পন্ডিত ব্যক্তিত্ব” বলে উল্লেখ করেন। তিনি আবু খালিকুজ্জামানকে আদর্শ নীতিবান “রোল মডেল” হিসাবে অনুকরনীয় ও অনুপ্রেরণা যোগাবার বিশাল আধার বলে সম্বোধন করেন। পরবর্তীতে মাইনরিটি লীডার মিঃ শাম্পসন তাঁর বক্তব্যে তাঁকে গোটা নিউইয়র্ক স্টেট সিটিজেনদের আদর্শ অনুকরনীয় “রোল মডেল” হিসেবে তুলে তাঁর কিছুটা সংক্ষিপ্ত কর্মময় জীবন উল্লেখ করেন। তখন সকল সিনেটর টেবিল চাপড়াচ্ছিলেন। তিনি তাঁকে বিশ্বশান্তির দূত হিসাবেও পরিচিত করান।

স্পীকারের দীর্ঘ বক্তব্যের পর- সিনেটর এরিক এডমস, যিনি স্টেট হোমল্যান্ড সিকিউরিটি চেয়ারম্যান তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যে তাকে একজন দেশপ্রেমিক “রোল মডেল” হিসাবে সম্মান জানান। তিনি ৯/১১/২০০১ “টুইন টাওয়ার” আঘাতের পরবর্তী ঘটনাগুলোতে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানকে তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশকে মডেল অফ এ মডারেট মুসলিম কান্ট্রি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের কাছে পরিচিত করান বলে তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশে মহিলাদের সম অধিকার ও সমভোট প্রয়োগে উদ্ভুদ করতে আবু খালিকুজ্জামানের অবদানের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন।

৯/১১ এর পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মুসলিম বিশ্বের সুসম্পর্ক উন্নয়নে তাঁর অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। ৯/১১ এর পরবর্তী সকল গুরুত্বপূর্ণ ধর্মাবলম্বী পুরহিত প্রধানদের নিয়ে ঢাকায় “ইন্টার ফেইথ” সম্মেলনকে বিশেষভাবে স্মরণ করেন। ঢাকাতে ঐ সেপ্টেম্বর মাসে পরপর পাঁচ  টি ইন্টার ফেইথ মিটিং আবু খালিকুজ্জামান করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

তাঁর বক্তব্য দেওয়ার সময় সমগ্র সিনেট পিন পতন নিস্তবদ্ধতা বিরাজ করছিল। তাঁর বক্তব্য শেষ হলে সকলেই সিনেটর এরিক এডমস ও আবু খালিকুজ্জামানকে ধন্যবাদ জানান। এরপর সিনেট মাইনরিটি কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিনেটর মিঃ ক্যাভীন পার্কার তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি আবু খালিকুজ্জামান, তাঁর স্ত্রী ও পুত্রকে বিশেষ সম্মান জানিয়ে তাঁর বক্তব্য রাখেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে আবু খালিকুজ্জামানকে নিউইয়র্ক স্টেট তথা ইউএস এর “রোল মডেল” হিসাবেও আখ্যায়িত করেন।

পরবর্তীতে আরও কয়েক সিনেটরের বক্তব্যের পর স্পীকার তাঁর ভিজিটকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ স্মরণীয় করে রাখার ঘোষনা দেন। সিনেটরদের সাথে আবু খালিকুজ্জামানের সম্পর্ক চিরস্থায়ী করে রাখার লক্ষে স্পীকার বিলটি পাশ করার জন্য ফ্লোরে ভোটের জন্য দিলে নিরংকুষ “হ্যাঁ” ভোটে সমর্থন পেয়ে পাশ হয়ে সংরক্ষিত হয়। যা এযাবৎ কালীন স্টেট সিনেট একক অনন্য স্মরণীয় দৃষ্টান্ত ঘটনা ও বিল হিসাবে সংরক্ষিত হল। যা বাংলাদেশী, বাংলাদেশী-আমেরিকান সহ সকল বিশ্ব মানবতাবাদীর জন্য অনুকরণীয় ও অনুপ্রেরনীয় “রোল মডেল” হয়ে থাকবে। পরবর্তীতে সোনালী রঙের খোদিত অক্ষরে স্টেট অব নিউইয়র্ক লেজিসলেটিভ রেজ্যুলেশন কপি অনুমোদন হিসাবে স্পীকার স্কেইলাস তাঁর হাতে তুলে দেন। এবং ফটো সেশনে সিনেটরদের নিয়ে অংশ নেন।

এ যাবৎ আবু নাছের খালিকুজ্জামান “নগরীর সম্মানিত চাবিসহ “সিনেট কনেস্টিটিউশন স্পট লাইট” পরপর দু’বার পেয়েছেন।

তিনি বরো প্রেসিডেন্ট, ফেডারেল সিনেটর, স্টেট সিনেটর বিভিন্ন কংগ্রেসম্যান ও কংগ্রেস উয়েম্যান, কাউন্সীলম্যানের কাছ থেকে দশ টি প্রোক্লামেশন, ছয় টি সাইটেশন, পি.টি.এ (প্যারেন্টে টিচার্স এসোশিয়েশন) এর পরপর তিনবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়াতে নিউইয়র্ক বোর্ড অব এডুকেশনের পক্ষ থেকে “একসেলেন্স এওয়ার্ড” পেয়েছেন। তিনি স্কুল লীডার শীপ এওয়ার্ডও পেয়েছেন। তিনি কংগ্রেশনাল অর্ডার অব মেরিট ও কংগ্রেশনাল মডেল অব ডিসটিংশন পরপর পাঁচ বছর পেয়ে সম্মানিত হয়েছেন। তিনি পরপর দুবার “রোনাল্ড রিগান গোল্ড” মেডেলে সম্মানিত হয়েছেন।

তিনি প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাবলিউ বুশের বাণিজ্য উপদেষ্টা হিসাবে মনোনীত হয়েছিলেন। তিনি নিউইয়র্ক সিটি কমিউনিটি বোর্ডের অত্যন্ত প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন এবং তাঁরই একক প্রচেষ্টায় নিউইয়র্ক সিটিতে শহীদ মিনার ও বাংলা টাউন সর্বসম্মত নিরঙ্কুষ ভোটে পাশ হয়। যা বাস্তয়নের প্রক্রিয়াতে রয়েছে। তিনি ইউএসএ আর্মি মিউজিয়ামের প্রস্তাবকারী ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। যা ভার্জিনিয়াতে ২৫০ একর জায়গার উপর চারশ মিলিয়ন ডলার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। যুক্তরাষ্ট্র “নিউইয়র্কে টাইমস” সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকাতে তার উপর বহুবার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের খালিস টাইমস। চীনের বেইজিং, সাংহাই সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকাতে রিপোর্ট ও প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে।

তিনি বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ সফর করেন। যেখানে তাঁকে শান্তির দূত হিসাবে অভিহিত করে সম্মানিত করা হয়।

৯/১১ এরপরই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন প্রশাসনের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বসবাসরত মুসলিমদের নিরাপত্তার জন্য সাহয্য ও সহযোগীতা কামনা করেন। কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকেই যাতে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগে বাধ্য না করা হয় তার জন্য বিশেষ নজর দিতে অনুরোধ করেন। এ উপলক্ষে তিনি তৎকালীন স্টেট সেক্রেটারী মিস কনডালিসা রাইসের সাথে ব্যক্তিগত দেখা করেন, তাঁর অনুভূতি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরেন ।

তিনি পরবর্তীতে মুসলিম বিশ্বের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য একটি লিখিত প্রজেক্ট সরাসরি স্টেট ডিপার্টমেন্টের বুশ প্রশাসন ডিরেকটর প্ল্যানিংয়ের সাথে ওয়াশিংটনে মিটিং করে হস্তান্তর করেন। যার ফলশ্রুতিতে “অগ্রানাইজেনশ অব ইসলামিক সেক্রেটারীয়েটে” যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম নাগরিকদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূতের পদমর্যাদায় একজন “অবজারভার” নিয়োগ করা হয়। এতে তাঁর দীর্ঘ ৬ থেকে ৭ বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু তিনি আমেরিকায় অবস্থানকারী মুসলিমদের জন্য কাজ করে গেছেনে।

প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিটনের ২০ই মার্চ ২০০০ বাংলাদেশ সফরে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। যে কারনে তাঁকে একমাত্র বাংলাদেশী আমেরিকান কর্পোরেট হোস্টের মর্যাদা দেয়া হয়।

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV