Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women
সব ক্যাটাগরি

যদি সুযোগ থাকতো সংগীতকেই পেশা হিসেবে বেছে নিতাম-নিউ ইয়র্কের স্টার সার্চের দ্বিতীয় সেরা পলাশ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 63 বার

প্রকাশিত: February 6, 2011 | 2:11 AM

মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন: গান নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই। ভাল কিছু গান, মানসম্মত গান, যে গান দর্শকদের হৃদয়-মনে স্থান করে নেবে যুগের পর যুগ। সে রকমের কিছু গান করার স্বপ্ন লালন করে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করছি। গান নিয়ে এমনই পরিকল্পনার কথা জানালেন নিউ ইয়র্কে প্রথমবারের মতো শিল্পী অনুসন্ধানে সাড়াজাগানো প্রতিযোগিতা এনটিভি হিলসাইড হোন্ডা উৎসব ডটকম স্টার সার্চ-২০১০-এর দ্বিতীয় সেরা কণ্ঠ সুরজিত রায় পলাশ। প্রবাসের তরুণ প্রতিভাদীপ্ত এ কণ্ঠ শিল্পী ২০০৫ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ক্লোজআপ ওয়ানে টপ থার্টিতে এসএমএস পর্বে এসে বাদ পড়ে যান। সেখান থেকে বাদ পড়ায় তিনি মোটেও বিচলতি হননি। ব্যর্থতার কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছেন বারবার। শিল্পী মনকে শানিত করার চেষ্টা চালিয়ে যান নীরবে। সফল তাকে হতে হবে এ দৃঢ় প্রতিজ্ঞা আজ তাকে এ অবস্থানে এনে দাঁড় করিয়েছে পলাশের বড় বোন সুজাতা রায় বরিশাল বেতারের একজন নিয়মিত সংগীত শিল্পী। বাবা এবং বড় বোনের অনুপ্রেরণাই তিনি সংগীত জগতে আসতে অনুপ্রাণিত হন। এক সময় বড় বোনের সংগীত শিক্ষক নুরুল আমিন চৌধুরীর কাছে উচ্চাঙ্গ সংগীতের তালিম নেন তিনি। চার বছর তার কাছ থেকে হাতে কলমে শিক্ষা নেয়ার পর সংগীতে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন পলাশ। এ নেশাই তাকে নিয়ে যেতে থাকে আস্তে আস্তে ওপরের দিকে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এর মধ্যে আধুনিক গানের ওপর দীক্ষা নেন বরিশালের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী সজীব আহমদের কাছ থেকে। পাশাপাশি বরিশালের বিভিন্ন প্রোগ্রামে ডাকপড়া শুরু হয় তার। বরিশালে নিশান ব্যান্ড নামে একটি গানের দলে কী বোর্ড বাজাতেন নিয়মিত। সংগীত শিল্পী হিসেবে বরিশালে এক সময় পরিচিত হয়ে ওঠেন। ২০০৫ সাল। ক্লোজআপ ওয়ান-এর রেজিস্ট্রেশন শুরু। বরিশাল থেকেই নিজের নাম রেজিস্ট্রি করেন। ধাপে ধাপে টপ থার্টি পর্যন্ত পৌঁছে যান। এসএমএস পর্বে এসে দুর্ভাগ্যক্রমে বাদ পড়ে যান। বরিশাল শহরের কালীবাড়ি রোডের বাসিন্দা পলাশ বরিশাল থেকেই এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করেন। এরপর ভর্তি হন বরিশাল বিএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ম্যানেজমেন্ট অনার্সে। সেখান থেকে ২০০৬ সালে একই বিষয়ে ঢাকার শান্তিনগর হাবিব উল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ট্রান্সফার হন। পড়াশোনার পাশাপাশি ছায়ানটে উচ্চাঙ্গ সংগীতের ওপর কোর্স করেন। গ্রামীণ ফোনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে গান আর কিবোর্ড বাজাতেন নিয়মিত। ২০০৬ এ বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিটিভিতে গান করেন। এছাড়া তিনি বরিশাল বেতারের অনিয়মিত শিল্পী ছিলেন। তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নকালীন ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। পেয়ে যান ডিভি। পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখেই ২০০৭ সালের ৩রা অক্টোবর চলে আসেন স্বপ্নের দেশ আমেরিকায়। পলাশ জানান, প্রথমে এখানে এসে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারছিলেন না। বুঝে উঠতে পারছিলেন না কি করবেন। এখানকার কঠিন বাস্তবতা আর রক্তে মাংসের সঙ্গে মিশে থাকা সংগীত বিচ্ছিন্নতায় হাঁপিয়ে উঠছিলেন। কিছুদিনের মধ্যে কাজ পেয়ে যাওয়া এবং সংগীত প্রিয় কিছু বন্ধু-বান্ধব জুটে যাওয়ার মনে সাহস হয়। আবার কিবোর্ড হাতে নেন। আর জ্যামাইকার নীরব, কাজী জুয়েল, রাজীব, হেলাল, সোহান প্রমুখের সঙ্গে সংগীত চর্চা শুরু করেন। কাজ করছেন একটি ডেইলি গ্রোসারিতে। নিউ ইয়র্কে আসার পর থেকেই থাকছেন উডসাইডে একটি ফ্যামিলির সঙ্গে শেয়ার করে। পলাশ জানান, দেশের রিলাক্স জীবনের বিপরীতে এখানকার হার্ডলাইফে সংগীত চর্চা করা অতি সহজ ব্যাপার নয়। তারপরও নেশাগ্রস্তের মতো চালিয়ে যাচ্ছি। যদি সুযোগ থাকতো সংগীতকেই পেশা হিসেবে বেছে নিতাম। জানি না কখনও সে সুযোগ হবে কি না। পলাশ জানান, সংগীত নিয়ে অতীত স্মৃতি রোমন্থন আর কাজের ফাঁকে সংগীত আর কিবোর্ড নিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখার মধ্যেই সময় যাচ্ছিল। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করি। এরই মধ্যেই প্রবাসের শ্রেষ্ঠ সময়টি হাতের কাছে এসে ধরা দেয়। এনটিভি হিলসাইড হোন্ডা উৎসব ডটকম স্টার সার্চ-২০১০ প্রতিযোগিতার কথা জানতে পারি। কিন্তু তখন নির্ধারিত সময় শেষ। ভাগ্যক্রমে বর্ধিত সময়ে অন লাইনে রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ পাই। ধাপে ধাপে সব ক’টি পর্যায় শেষে সবার দোয়া ও ভালবাসায় দ্বিতীয় সেরা কণ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত হই। এটা হচ্ছে প্রবাস জীবনে আমার সেরা প্রাপ্তি। পলাশ ভবিষ্যতে সংগীত চর্চার পাশাপাশি এখানে উচ্চশিক্ষা নেয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে তার।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV