যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা বাড়াতে শেষ মুহূর্তের সমঝোতা

ইউএসএ নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঋণসীমা বাড়ানোর নিয়ে শেষ মুহূর্তে সমঝোতায় পৌঁছেছেন রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দলের শীর্ষ আইনপ্রণেতারা। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা রোববার এ ঘোষণা দেয়ার পাশাপাশি আইনপ্রণেতাদের সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। হোয়াইট হাউজে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে ওবামা বলেন, কংগ্রেসের সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট নেতারা একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন। এর ফলে বাজেট ঘাটতি ধাপে ধাপে কমিয়ে আনা যাবে। ঋণ খেলাপি হওয়ার ঝুঁকিও এড়ানো যাবে। বিডিনিউজ জানায়, প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে দরকষাকষির এ সমঝোতার মধ্য দিয়ে রিপাবলিকানদের বাজেট ঘাটতি কমিয়ে আনার প্রস্তাবও মেনে নিতে হচ্ছে ওবামার দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে। এ প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি প্রায় ২ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার কমিয়ে আনা হবে। গতকাল যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে ঋণসীমা বৃদ্ধি ও বাজেট ঘাটতি কমানোর এ প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। ডেমোক্র্যাট সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনেটে প্রস্তাবটি অনুমোদন পেতে কোন সমস্যা না হলেও রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধি পরিষদকে এ বিষয়ে রাজি করাতে বেগ পেতে হতে পারে বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা। যুক্তরাষ্ট্রের সরকার বছরে যে পরিমাণ ঋণ নিতে পারে তা গত মে মাসেই শেষ করে ফেলেছে ওবামার প্রশাসন। ফলে ২রা আগস্টের মধ্যে সরকারের ঋণ গ্রহণের সীমা ১৪ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে বাড়াতে না পারলে বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন খাতে সরকারি বরাদ্দ ছাড় করানো এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে বড় ধরনের বিপাকে পড়বে বিশ্বের শীর্ষ এই অর্থনৈতিক শক্তি। আর সরকার ঋণ খেলাপি হলে বিভিন্ন এজেন্সির ক্রেডিট রেটিংয়ে ‘ট্রিপল এ’ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবনমন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, তেমন কিছু ঘটলে তা কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, বিশ্ব অর্থনীতির জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনবে। এ কারণে দেশটির প্রধান দুই রাজনৈতিক দলকে ঝামেলা মিটিয়ে ফেলতে তাগাদা দিচ্ছে আইএমএফও। যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা এর আগে বিভিন্ন সময়ে বাড়ানো হলেও এবারের মতো সমস্যা আর কখনও হয়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যমেয়াদি নির্বাচনে ওবামার দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বিপর্যয়ের কারণেই এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। কংগ্রেসে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় ওবামার কোন প্রস্তাবই সহজে ছেড়ে দিচ্ছে না কট্টর রিপাবলিকানরা। মানবজমিন
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি