Saturday, 14 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বোমা হামলা চেষ্টার দায়ে আটক বাংলাদেশী কাজী নাফিসকে নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 145 বার

প্রকাশিত: October 19, 2012 | 12:15 AM

ডেস্ক: সারা বিশ্বের মিডিয়ায় গতকাল সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল বাংলাদেশ। না, কোন ভাল কাজের জন্য নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বোমা হামলা চেষ্টার দায়ে আটক বাংলাদেশী কাজী মোহাম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিস (২১)-কে নিয়ে এই আলোচনা। বুধবার প্রায় ৪৫৪ কিলোগ্রাম ওজনের তাজা বোমার বিস্ফোরণ ঘটাতে গিয়ে সে আটক হয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই ও নিউ ইয়র্ক পুলিশের হাতে। এ বিষয়ে বিবিসি লিখেছে, সে যে বোমাটি বিস্ফোরণ ঘটাতে গিয়েছিল তা ছিল ভুয়া। তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। এফবিআই বলেছে, সে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিল সন্ত্রাসী হামলা চালানোর উদ্দেশে। তবে সে হুমকির কারণ ছিল না। কারণ, তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহার ও আল কায়েদাকে সরঞ্জাম সমর্থন দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। বুধবারই তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় সে কোন যুক্তি খণ্ডন করে নি। নাফিজ এ বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যায়। গিয়েই হামলা চালানোর জন্য তাকে সহায়তাকারী খুঁজে পেতে যোগাযোগ করতে থাকে বিভিন্ন জনের সঙ্গে। এরই এক পর্যায়ে সে যোগাযোগ করে এফবিআই-এর এক সোর্সের সঙ্গে। তারপর থেকেই তাকে কড়া নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছিল। এফবিআই-এর ওই এজেন্ট তার কাছে ২০ ব্যাগ বিস্ফোরক বিক্রি করে। এর পরিমাণ ৫০ পাউন্ড। এসব পদার্থ হাতে পেয়ে নাফিস  ডেটনেটর ও সময় নিয়ন্ত্রণ ডিভাইস খুঁজতে থাকে। এ বিষয়ে নিউ ইয়র্ক পুলিশের কমিশনার রে কেলি সাংবাদিকদের বলেছেন, নাফিস স্টুডেন্ট ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে মিসৌরিতে একটি কলেজের ছাত্র হিসেবে। আল কায়েদার ইংরেজি ভাষার ম্যাগাজিন ‘ইন্সপায়ার’-এর আদর্শে উজ্জীবিত হয় সে। নিউ ইয়র্কের পূর্বাঞ্চলীয় এটর্নি লরেটা লিঞ্চ বলেছেন, হামলাকারী মনে করেছিল সে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেবে। সে মনে করেছিল সে সংঘবদ্ধ ও তার অনেক অনুসারী আছে। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রে সে ছিল ভুল। তাই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তার উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করে দিয়েছে। ওদিকে বার্তা সংস্থা এএফপি’তে সেবাস্টিয়ান স্মিথ লিখেছেন, ১০০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক ধ্বংস করে দিতে চেষ্টা করেছিল এক বাংলাদেশী কাজী মোহাম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিস (২১)। কিন্তু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন তাকে আটক করেছে। প্রসিকিউটর অফিস থেকে বলা হয়েছে, বিদেশে আল কায়েদার সঙ্গে যোগাযোগ আছে নাফিসের। সে যুক্তরাষ্ট্রের লোকজনকে এ নেটওয়ার্কে নিয়ে একটি সন্ত্রাসী সেল গঠন করতে চেয়েছিল। হামলার দায় স্বীকার করে সে একটি বিবৃতি দিয়েছে। তাতে সে যুক্তরাষ্ট্রের ধ্বংস প্রত্যাশা করেছে। আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনকে সম্মানের পাত্র হিসেবে মনে করে সে। এ বছর সে এক নিকট-আত্মীয়ের সঙ্গে মিসৌরিতে পড়তে যায়। পরে সেখান থেকে চলে যায় নিউ ইয়র্কে। নাফিসের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে আছে- নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে হামলা পরিকল্পনা। যুক্তরাষ্ট্রের  বেসামরিক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার ওপর হামলা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, নিউ ইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করার দায়ে বাংলাদেশী কাজী মোহাম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিস (২১)-কে আটক করেছে এফবিআই। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহার ও আল কায়েদার সঙ্গে যোগসূত্র থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। তাকে আটকের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জে কারনি। যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত দ্য হাফিংটন পোস্ট লিখেছে, ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। তার খুব কাছেই লোয়ার মানহাটনে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে সন্ত্রাসী হামলা চেষ্টার দায়ে যুক্তরাষ্ট্র এক বাংলাদেশীকে আটক করেছে। সে নিরাপত্তা হেফাজতে রয়েছে। এফবিআই ও নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ঢাকা থেকে লিখেছে, নাফিসকে আটকের খবরে ঢাকায় বিস্ময়ে বিমূঢ় তার পরিবারের সদস্যরা। নিজের জমানো সমস্ত সম্পদ দিয়ে তার পিতা কাজী আহসানউল্লাহ ছেলেকে উচ্চ শিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছেন। তার দাবি, নাফিস খুব শান্ত। পড়াশোনার দিকে মনোযোগী। সে এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে পারে না। ঢাকার উত্তর যাত্রাবাড়ীতে তাদের বাসা। সেই বাসায় কান্নায় ভেঙে পড়েন নাফিসের পিতা আহসানউল্লাহ। তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানান তার ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে। নাফিস পড়াশোনা করতো ঢাকায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানকার মুখপাত্র বেলাল আহমেদ বলেছেন, নাফিস ছিল বেপরোয়া ছাত্র। তাকে বলা হয়েছিল যদি সে গ্রেড আপ করতে না পারে তাহলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দেয়া হবে। এক পর্যায়ে সে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। নাফিসের পিতা আহসানউল্লাহ বলেন, নাফিস তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর জন্য পীড়াপীড়ি করতে থাকে। সে যুক্তি দেখায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিগ্রি নিয়ে ফিরলে সে বাংলাদেশে সফলতা পাবে। তাই জীবনের সমস্ত সঞ্চয় খরচ করে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাই। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল লিখেছে, নিউ ইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে হামলা চালানোর আগে নাফিস জিহাদ চালানোর কথা বলেছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, তিন জনে মিলে ইসলামিক আইন মেনে চলার বিষয়ে কথা বলেছে। তাতে বলা হয়েছে, কোন দেশের ভিসা নিয়ে সেখানে প্রবেশ করে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা আইনসম্মত নয়। মামলায় বলা হয়েছে, নাফিস ইঙ্গিত দিয়েছে- সে যুক্তরাষ্ট্রে কোন হামলা চালানোর বিষয়ে যুক্ত। এ বিষয়ে তারা ফেসবুকে আলাপচারিতা চালিয়েছে।মানবজমিন

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV