যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেওয়ের সঙ্গে বৈঠক ১০ এপ্রিল
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ওয়াশিংটন আসছেন। আশা করা হচ্ছে, আগামী ১০ এপ্রিল মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওয়ের সঙ্গে তার বৈঠক হবে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বুধবার বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। আশা করছি, দ্বিপক্ষীয় সব বিষয় নিয়ে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হবে।’
পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক গত জানুয়ারি মাসে ওয়াশিংটন সফর করেন। এ সময় তিনি হোয়াইট হাউজ, স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এতে ভবিষ্যতে নতুন কোন খাতে কাজ করা যায় এবং চলমান খাতগুলোতে কীভাবে সহযোগিতা সংহত করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
নতুন খাতের মধ্যে এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিল্ড আইনের অধীনে সহযোগিতা, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি, মেরিটাইম ও সামরিক সহযোগিতা রয়েছে। এছাড়া চলমান খাতের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য খাতও রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আশা করছি, এবারের বৈঠকে প্রতিটি বিষয় নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা হবে।’
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া রিঅ্যাস্যুরেন্স ইনিশিয়েটিভ আইন কার্যকর হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার প্রস্তাব রয়েছে। ওই আইনে বলা হয়েছে, তারা বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার গণতান্ত্রিক অংশীদারদের সঙ্গে মেরিটাইম প্রোগ্রাম বাড়াতে চায়।
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ: দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় সাত বিলিয়ন ডলার এবং বাংলাদেশে মোট আসা ১৬ বিলিয়ন ডলারের বিদেশি বিনিয়োগের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা।
এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকতা বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে চাই এবং আরও অধিক বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে চাই। এটি আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। আমরা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাব দিয়েছি। যেখানে মার্কিন বিনিয়োগকারীরা প্রকল্প করবে।’ তারা এখানে উৎপাদিত পণ্য এদেশে বিক্রি করতে অথবা রফতানি করতে পারবে বলে তিনি জানান।
জ্বালানি: চার বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগের মধ্যে তিন বিলিয়নের বেশি বরাদ্দ জ্বালানি খাতে। এ থেকে বোঝা যায়, এ খাতে তাদের আগ্রহ রয়েছে। একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের দেশে জ্বালানি খাতে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী হচ্ছে শেভরন। তবে আরও মার্কিন কোম্পানি এখানে বিনিয়োগ করতে চায়। সিমিটার, অক্সিডেন্টাল ও কনোকোফিলিপস এর আগে বাংলাদেশে কাজ করেছে এবং আরও এ ধরনের কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুক সেটি চাই।’ তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি একটি মার্কিন জ্বালানি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করেছে। তারা জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।’
মেরিটাইম ও সামরিক সহযোগিতা:
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছর বাংলাদেশকে ৪০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন এবং এই অর্থ মেরিটাইম খাতে খরচ হবে। একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সমুদ্র সীমানাসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পরে আমরা যে বিশাল সুমদ্র-অঞ্চল পেয়েছি সেটি রক্ষা করার জন্য এবং সম্পদ আহরণের আমাদের বিদেশি সহযোগিতা প্রয়োজন। এছাড়া সামরিক ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, তথ্য আদান-প্রদান ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা বিদ্যমান আছে।’
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল