Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মজীবী মুসলমানদের প্রতি বৈষম্য বাড়ছে, নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 91 বার

প্রকাশিত: September 28, 2010 | 10:48 PM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত মুসলমানদের প্রতি বৈষম্য দিন দিন বাড়ছে। মুসলমানদের সহকর্মীরা ‘সন্ত্রাসী’, ‘ওসামা’, ‘আল কায়েদা’, ‘তালেবান’ বলে সম্বোধন করেন। এছাড়াও মাথায় স্কার্ফ পরতে না দেয়া বা নামাজের বিরতি না দেয়া ঘটনাও ঘটছে হরহামেশা। সরকারি তথ্য ঘেঁটে এ তথ্য জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।
এতে বলা হয়, গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ ধরনের ৮০৩টি ঘটনার অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিত মুসলমান কর্মীরা। অভিযোগের এই সংখ্যা ২০০৮ সালের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। কটূক্তির শিকার মুসলমানরা কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ করলে তা সংরক্ষণে রাখা হয়। এ বছরের দায়েরকৃত অভিযোগের সংখ্যা প্রকাশ করা হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। তবে ইসলামপন্থি গ্রুপগুলো বলছে, ২০১০ সালের দায়েরকৃত অভিযোগের সংখ্যা রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচ্যুনিটি কমিশন মুসলমান কর্মীদের পক্ষে কয়েকটি মামলাও করেছে আদালতে। গত মাসে একটি মাংস প্রস্তুতকারী কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করে ওই কমিশন। ১২০ জন সোমালীয় মুসলমান কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ধর্মীয় কটূক্তি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ এনেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার মাত্র ২ শতাংশ মুসলমান। কিন্তু তাদের অভিযোগ সংখ্যা মোট দায়েরকৃত অভিযোগের এক চতুর্থাংশ। ক্যাথলিক, প্রটেস্ট্যান্ট, শিখসহ বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী মিলে গত বছর অভিযোগ পড়েছে মোট ৩,৩৮৬টি। মুসলমান ছাড়া বাকিদের সবার অভিযোগের পরিমাণ কমেছে। কিছুটা বেড়েছে ইহুদিদের। মুসলমান কর্তৃক দায়েরকৃত অভিযোগের পরিমাণ ৯/১১-এর সময়ের চেয়েও বেশি। কমিশনের আঞ্চলিক এটর্নি বলেছেন, আমি ৩১ বছর ধরে কমিশনে কাজ করছি। কিন্তু মুসলমান কর্মীদের প্রতি আগে কখনওই এত ঘৃণা-বিদ্বেষ দেখিনি। কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য ও এ সংক্রান্ত আইন নিয়ে বহু গ্রন্থের প্রণেতা মাইকেল জে. জিমার বলেন, কর্মক্ষেত্রে এখন মুসলমানদের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন উত্তেজনা দেখা যেতো ওই সময়ে ধর্ম নিয়ে যখন দেশে দেশে যুদ্ধ বেঁধে যেতো।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV