যুক্তরাষ্ট্রে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে হু জিনতাও মানবাধিকারের ব্যাপারে অনেক কাজ বাকি রয়েছে
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: মানবাধিকার রক্ষায় চীনকে আরও কাজ করতে হবে। এ কথা স্বীকার করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট হু জিনতাও। যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে এক বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে চীনের মানবাধিকারের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ওবামা বলেছেন, এর মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যকার গভীর সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হলো। বুধবারের ওই বৈঠকে চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক নিয়ে হু জিনতাওয়ের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। আলোচনার প্রেক্ষিতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার প্রশ্নে এক সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট হু জিনতাওকে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে কোন জবাব দেননি। পরে অন্য এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ভাষাগত সমস্যার কারণে প্রথমে তিনি প্রশ্নটি বুঝতে পারেননি। হু জিনতাও বলেন, চীন সবসময়ই মানবাধিকার রক্ষা এবং অগ্রগতির প্রশ্নে অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে তিনি স্বীকার করেন, মানবাধিকার প্রশ্নে চীনের এখনও আরও অনেক কাজ করতে হবে। আর এ ব্যাপারে সংলাপ চালিয়ে যেতে আগ্রহী তারা। প্রেসিডেন্ট ওবামা এ প্রসঙ্গে তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাইলামার সঙ্গে সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি এবার শান্তিতে নোবেল বিজয়ী চীনের লিউ সিয়াওপোর বিষয়টিও প্রেসিডেন্ট হু জিনতাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। হু জিনতাওয়ের চারদিনের সরকারি সফরের প্রথম দিনে মানবাধিকার পরিস্থিতির বিষয়টি প্রাধান্য পেলেও বিভিন্ন খাতে দু’দেশ কাজ করার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে হু জিনতাও পৌঁছানোর পর পরই হোয়াইট হাউজের বাইরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন, তার এই আগমন-পরবর্তী ৩০ বছরের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করবে। একে অপরের উন্নতির লক্ষ্যে আমাদের এক সঙ্গে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত বর্তমান বিশ্বে আমরা এক সঙ্গে কাজ করতে পারলে আমাদের দেশসহ বিশ্ব অর্থনীতির আরও অগ্রগতি ঘটবে ও সুরক্ষিত থাকবে। এর জবাবে হু জিনতাও বলেন, প্রেসিডেন্ট ওবামা দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এবং এতে আমাদের সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তবে তিনি বলেন, দু’পক্ষেই দ্বিপক্ষীয় সুবিধার ভিত্তিতে একে অপরকে সহযোগিতা করা উচিত। দু’দেশকেই একে অপরের স্বার্থ সম্মানের সঙ্গে দেখা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি