যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগ পরিবারের আয়োজনে নিউইয়র্কে জাতীয় শোক দিবস পালন
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগ পরিবারের আয়োজনে ১৫ই আগষ্ট নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. প্রদীপ রন্জন কর ও পরিচালনা করেন এ্যাড. শাহ বখতিয়ার আলী।
আলোচনা সভার শুরুতে ৭৫ এর ১৫ই আগষ্টে শাহাদাৎ বরণকারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, লেফট্ন্যান্ট শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেল, শেখ ফজলুল হক মনি, আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সহ পরিবারের অন্যান্য ১৮ জন সদস্যকে স্মরণ করে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে মাওলানা কাজী কাইয়ুম পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও মাওলানা আবু বকর তালুকদার দোয়া পরিচালনা করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে মন্চে আসন গ্রহন করেন- সর্বজনাব মুহ: ফজলুর রহমান, হাকিকুল ইসলাম খোকন, রমেশ চন্দ্র নাথ, বীর মুক্তিযোদ্ধা যথাক্রমে শওকত আকবর রিচি, কামরুল হাসান চৌধুরী, ইসমাঈল খাঁন আনসারী ও উলফাত মোল্লা, অধ্যাপক হুসনে আরা, এম এ করিম জাহাঙ্গীর, জালাল উদ্দিন জলিল, কায়কোবাদ খাঁন, সিরাজ উদ্দিন সরকার।
আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বক্তারা ১৫ই আগষ্টের বিয়োগান্তক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা সূবিধাবাদী ষড়যন্ত্রকারীদের থেকে সাবধান থাকার উপর জোর দেন। খন্দকার মুসতাক, শাহ মোয়াজ্জেম, ওবায়দুর রহমান, তাহের উদ্দিন ঠাকুর, চাষী নজরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম মন্জুর, মেজর জিয়াউর রহমান গং সরকার ও দলের অভ্যন্তরেই ছিল। বাইরের ও ভিতরের পরাজিত শক্তি সেদিন একসাথে আঘাত হেনেছিল বঙ্গবন্ধু ও তার গোটা পরিবারের উপর। দলের কোটি কোটি নেতা-কর্মীকে পাল্টা আঘাত হানতে রাজপথে ডাক দেয়ার জন্যে কোন নেতাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সমগ্র জাতি স্তম্ভিত হয়ে বসে থাকে। বঙ্গবন্ধুর কেবিনেটের ২৩ জন সদস্য খুনী মুসতাকের অবৈধ সরকারে শপথ নেয়। ৪ জাতীয় নেতা মুসতাকের ডাকে সাড়া না দেয়ায় কারা প্রোকষ্ঠে জীবন দেয়। স্বাধীন বাংলাদেশ আবার পাকিস্তানী ভাবধারায় ফিরে যায়। দীর্ঘ্য ২১ বছর পর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবার বাঙালী জাতি তার হৃত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরে আসে।
আজও বঙ্গবন্ধু কন্যার কন্ঠে ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যায়। চারিদিকে মিথ্যাচার, অপপ্রচার, হুমকি-ধামকি, সরকার উৎখাতের প্রকাশ্য ঘোষনা এবং বিএনপি ও ছাত্রদলের আরেকটি ১৫ই আগষ্ট ঘটানোর শ্লোগান ৭৫ এর পুনরাবৃত্তির লক্ষন। বিদেশে বসে কিছু সাংবাদিক, সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সূশিল নামধারী কতিপয় ব্যাক্তি অব্যাহতভাবে বাংলাদেশ ও বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী প্রচার – প্রচারনায় লিপ্ত রয়েছে। সোশাল মিডিয়া ব্যাবহার করে ডিজিটাল বাংলাদেশের ইন্টারনেট সুবিধা নিয়ে বাঙালী জনগোষ্ঠীকে বিভ্রান্ত করছে। কেউ কেউ বিদেশে এসাইলাম নেয়ার চেষ্টায় আছে। সরকারকে অবিলম্বে এইসকল দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানানো হয়।
বক্তারা ৭৫ এর ১৫ই আগস্টের নেপথ্য কূশিলবদের চিহ্নিত ও বিচারের মুখোমুখি করতে অবিলম্বে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের উপর জোর তাগিদ দেন। ষড়যন্ত্রের অন্যতম নায়ক জেনারেল জিয়ার মরনোত্তর বিচার করার দাবী জানানো হয়।
সভায় জননেত্রী শেখ হাসিনার নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও তার আশেপাশে কোন সন্দেহজনক ব্যাক্তির আনাগোনা কঠোর হস্তে বন্ধ করার দাবী জানানো হয় তার নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন সর্বজনাব প্রকৌ: মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, আসাফ মাসুক, মো: সাইদুল্লাহ, ফজলে আলী কচি, সাইফুল ইসলাম ফারুক, আখতার হোসেন, কানিজ ফাতেমা, রুমানা আক্তার, খাঁন শওকত, এ কে চৌধুরী, জামাল হোসেন, নুরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কবি সালেহা বেগম, এ্যাড. আলী আফজল, শাহ ফাতিন প্রমুখ।
পরে সকলের মাঝে তবারক বিতরন শেষে মোমবাতি জ্বালিয়ে শোক মিছিল জ্যাকসন হাইটসের রাস্তা প্রদক্ষিন শেষে ডাইভারসিটি প্লাজায় নিরবে দাড়িয়ে নিহত শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা প্রদর্শণ করা হয়।
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women