Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
Women’s Participation Makes Peace and Security More Durable and Inclusive: Irene Khan সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় নিউইয়র্কে ২ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশীসহ ৪০০ ভয়ংকর অপরাধীকে বহিষ্কার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 133 বার

প্রকাশিত: August 5, 2017 | 11:35 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : আন্তর্জাতিক অপরাধ-পুলিশ সংস্থা তথা ইন্টারপোলের নোটিশ পাবার পর চলতি অর্থ বছরে (গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে গত জুলাই পর্যন্ত) মোট ৪০০ অপরাধীকে গ্রেফতারের পর নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন দফতর। এরমধ্যে গুরুতর অপরাধী এক বাংলাদেশীও ছিল বলে ‘ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট’ তথা আইসের পক্ষ থেকে এ সংবাদদাতাকে জানানো হয়েছে।

আইস আরো জানিয়েছে যে, ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া অর্থ বছরে আরো ১২৮ বাংলাদেশীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এরমধ্যে গুরুতর অপরাধী ছাড়াও শুধুমাত্র ইমিগ্রেশনের আইন লংঘনের অপরাধে বহিষ্কারের সংখ্যাই বেশী অর্থাৎ এরা দালালকে মোটা অংকের অর্থ দিয়ে বিভিন্ন দেশ ঘুরে মেক্সিকো সীমান্তের দুর্গম পথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় গ্রেফতার হয়েছিল।

ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ সাল অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দায়িত্ব গ্রহণের সময় থেকে এ যাবত গুরুতর অপরাধীকে বহিষ্কারের সংখ্যা হচ্ছে ১৭০০। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন এ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এবং এনফোর্সমেন্ট এ্যান্ড রিমুভাল অপারেশন্স (ইআরও) এর নির্বাহী সহযোগী পরিচালক ম্যাখিউ আলবেন্স এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আমেরিকানদের নিরাপত্তার স্বার্থে আইস সদা সজাগ রয়েছে। ভয়ংকর শ্রেণীর অপরাধীদের ধরে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়ার এ অভিযান কখনোই থামবে না। আমেরিকানদের নিরাপত্তার স্বার্থেই আমরা তা চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।’ এ বছরে গ্রেফতারকৃতদের অধিকাংশই আত্মগোপনে ছিল নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, ফ্লোরিডা, আরিজোনা এবং টেক্সাস। এদের মধ্যে ১২১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ১৮ জনের বিরুদ্ধে গুরুতরভাবে আহত, ১৩ জনের বিরুদ্ধে অপহরন এবং বড় ধরনের চুরির অভিযোগ ছিল ৩৯ জনের বিরুদ্ধে। আইস উল্লেখ করেছে, নিজ দেশে জঘন্য অপকর্মের পর পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পরও প্রায় সকলেই নানা অপরাধে লিপ্ত ছিল।

আইসের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, ২০১৬ অর্থ বছরে ২ লাখ ৪০ হাজার ২৫৫ ইমিগ্র্যান্টকে গ্রেফতারের পর বহিষ্কার করা হয়েছে। আগের অর্থ বছরের চেয়ে তা ২% বেশী হলেও ২০১৪ অর্থ বছরের তুলনায় তা ২৪% বেশী। ২০১৫ অর্থ বছরে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৪১৩, ২০১৪ অর্থ বছরে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৩, ২০১৩ অর্থ বছরে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৪, ২০১২ অর্থ বছরে ৪ লাখ ৯ হাজার ৮৪৯, ২০১১ অর্থ বছরে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৯০৬, ২০১০ অর্থ বছরে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৮৬২, ২০০৯ অর্থ বছরে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮৩৪ এবং ২০০৮ অর্থ বছরে ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২২১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ