লিপি’র মামলা দেখার জন্য আমেরিকান দূতাবাস সহ নানা জায়গা থেকে আমার ওপর চাপ এসেছে-রামপুরার ওসি

তোহুর আহমদ: রামপুরা থানার ওসি ও সুন্দরী শামীমুন নাহার লিপি’র সম্পর্ক নিয়ে চারদিকে আলোচনা। এ সম্পর্ক নিয়ে গত সোমবার ওসি সায়েদুর রহমান বলেছেন, লিপি আমার বন্ধু। ওদিকে লিপি বলেছেন, এমন হ্যান্ডসাম ওসি জীবনে কম দেখেছি। আর লিপি’র মুখে নিজের এ মূল্যায়ন শুনে ওসি সায়েদুর রহমান খুশি। বললেন, সুন্দরী মেয়েদের প্রশংসা কার না শুনতে ভাল লাগে। গতকাল টেলিফোনে আলাপকালে রামপুরার ওসি লিপি’র মূল্যায়ন শুনে হাসলেন। বললেন, আমি এতটা হ্যান্ডসাম নই। নিজের চেহারার দিকে কখনও তেমন মনোযোগ দেইনি। লিপি হয়তো আমাকে পছন্দ করে বলে একটু বাড়িয়ে বলেছে। লিপি’র ভাষ্য, আমার মা-ভাইয়েরা বলে ওসি নাকি আমার বয়ফ্রেন্ড। কিন্তু বিশ্বাস করুন রামপুরা ওসি’র সঙ্গে আমার আইনি সম্পর্ক। তার কাছে দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াত করি। আমাদের মধ্যে অনেক বোঝাপড়া। তিনি আমাকে অনেক সাহায্য করেন। আমি জীবনে এত ভাল ওসি দেখিনি। ওসি বলছেন, আমি লিপিকে সেভাবে হেল্প করতে পারিনি। তারপরও সে যদি আমার প্রতি খুশি হয়ে থাকে তাহলে তো ভালই। লিপি’র হয়ে সালিশ-মীমাংসার ব্যবস্থা কেন করেছিলেন- জানতে চাইলে ওসি বলেন, আমি সালিশ-মীমাংসা করেছি তা কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। সব গুজব। লিপি আমার কাছে মামলা করতে এসেছে, আমি মামলা নিয়ে সেটা তদন্তের ব্যবস্থা করেছি। গভীর রাত পর্যন্ত লিপি’র ওসির কক্ষে বসে থাকা এবং গল্প-গুজব করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ওসি বলেন, এসব বিষয়ে আর কথা বলতে চাই না। এমনিতেই আমার আত্মীয়স্বজনের কাছে মুখ দেখাতে পারছি না। আমার স্ত্রী আমাকে সন্দেহ করছে। লিপি’র মামলা দেখার জন্য আমেরিকান দূতাবাস সহ নানা জায়গা থেকে আমার ওপর চাপ এসেছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও চাপ এসেছে। তাই তাকে আমি হেল্প করেছি। লিপি’র বাসার সামনে গভীর রাত পর্যন্ত ওসি’র গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব মিথ্যা কথা। আমার গাড়ি কখনও লিপি’র বাসার সামনে যায়নি। লিপি’র সঙ্গে আপনাকে জড়িয়ে এত মুখরোচক কথার পর কেন লিপিকে রাত-বিরাতে কক্ষে নিয়ে বসে থাকছেন প্রশ্নে ওসি বলেন, লিপি’র বিরুদ্ধে আমার থানায় কোন মামলা নেই যে তাকে থানায় আসতে নিষেধ করবো। সে নিজে থেকে থানায় এলে তাকে তো নিষেধ করতে পারি না। ওসি বলেন, আমি অত্যন্ত ভাল মানুষ। কেবলমাত্র লিপি’র ব্যাপারটি ছাড়া আর কোন ব্যাপারে আপনারা আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পাবেন না। লিপি’র সঙ্গে আমার সম্পর্ক নিয়ে আমার স্যারেরা তদন্ত করছে। আমাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আমি বলেছি, আমার কোন দোষ নেই। লিপি’র সঙ্গে যা কিছু হয়েছে তার সবই উপরের কর্মকর্তারা জানতেন। পত্রিকায় রিপোর্ট হওয়ার পর এখন অনেক কর্মকর্তা ভিতরে ভিতরে খবর নিচ্ছেন। এবারের মতো গ্যাঁড়াকলে আমি কোনদিন পড়িনি। লিপি’র পরিবার সম্পর্কে তিনি বলেন, লিপি যখন প্রথম মামলা করতে আসে তখন পুরো বিষয়টি বুঝতে পারিনি। এখন লিপি’র জীবনের অনেক কিছু খোঁজ নিয়ে জানতে পারছি লিপি আসলে ভাল মেয়ে নয়। আমেরিকাতেও নাকি সে অনেক কিছু করেছে। তার পরিবারও ভাল নয়। লিপি’র হয়ে মোহাম্মদপুর থানার ওসি’র কাছে ফোন করে কেন সুপারিশ করেছিলেন জানতে চাইলে ওসি বলেন, আমি ফোন করিনি। মোহাম্মদপুর ওসি মিথ্যা কথা বলেছেন। একই বিষয়ে একজন মহিলার ২২টি জিডি কেন নিলেন জানতে চাইলে ওসি বলেন, জিডি হতেই পারে। আমার থানায় মামলা- জিডি করতে কোন টাকা লাগে না। আর তখন আমি লিপি’র অতীত রেকর্ড জানতাম না।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes