Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

শ্রদ্ধাঞ্জলি : স্মৃতির পাতায় ‘জাতির জনক’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 129 বার

প্রকাশিত: March 17, 2013 | 12:59 AM

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানতোফায়েল আহমেদ : আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন। সারা দেশে দিনটি ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে উদ্যাপিত হচ্ছে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা সাহেরা খাতুনের কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেছিলেন যে শিশুটি, তিনিই পরবর্তীকালে পাকিস্তানের দাসত্বের নিগড় থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। পৃথিবীতে অনেক নেতার জন্ম হয়েছে, তাঁদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর তুলনা তিনি নিজেই। জীবনের প্রতিটি ধাপেই তিনি বাঙালির সার্বিক মুক্তির জয়গান গেয়েছেন। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও তিনি বলেছেন, ‘ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার সময় বলব আমি বাঙালি, বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা।’ যে বাংলার স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, যে বাংলার জন্য যৌবনের অধিকাংশ সময় কারাগারে কাটিয়েছেন, ফাঁসির মঞ্চে গেয়েছেন বাঙালির জয়গান, সেই বাংলা ও বাঙালির জন্য তাঁর ভালোবাসা ছিল অপরিসীম। বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে কত স্মৃতি মনের চারপাশে ভিড় করে। একাত্তরের রক্তঝরা মার্চের ১৭ তারিখ। সেদিন ছিল বঙ্গবন্ধুর ৫২তম জন্মদিন। ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনা শেষে দুপুরে ধানমন্ডির বাসভবনে বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘরোয়া আলোচনাকালে সাংবাদিকেরা বঙ্গবন্ধুকে প্রশ্ন করেন, ‘৫২তম জন্মদিনে আপনার সবচেয়ে বড় ও পবিত্র কামনা কী?’ উত্তরে বঞ্চিত বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বলেছিলেন, ‘জনগণের সার্বিক মুক্তি।’ এরপর সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনকালে তিনি ব্যথাভারাতুর কণ্ঠে বেদনার্ত স্বরে বলেছিলেন, ‘আমি জন্মদিন পালন করি না, আমার জন্মদিনে মোমের বাতি জ্বালি না, কেকও কাটি না। এ দেশে মানুষের নিরাপত্তা নেই। আপনারা আমাদের জনগণের অবস্থা জানেন। অন্যের খেয়ালে যেকোনো মুহূর্তে তাদের মৃত্যু হতে পারে। আমি জনগণেরই একজন। আমার জন্মদিনই কি, আর মৃত্যুদিনই কি? আমার জনগণের জন্য আমার জীবন ও মৃত্যু।’ অতি সাধারণ জীবন ছিল তাঁর। রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়েও সরকারি বাসভবনে থাকতেন না। নিরাভরণ, ছিমছাম আর আটপৌরে ৩২ নম্বরের বাড়িটিতেই আমৃত্যু থেকেছেন। মনে পড়ে ’৭০-এ বরিশাল-পটুয়াখালী-ভোলা অঞ্চলে নির্বাচনী সফরের কথা। ২৪ ফেব্রুয়ারি ছিল ভোলায় নির্বাচনী জনসভা। এদিন ভোলার ইতিহাসে সর্ববৃহৎ গণসমাবেশে বঙ্গবন্ধু আমাকে অনেক বড় করে তুলে ধরে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। যে এলাকায় যেতেন, সেই এলাকার সংগঠক বা নেতা-কর্মীকে মহিমান্বিত করে বক্তব্য দিতেন। নিজে কর্মী থেকে সংগঠক হয়েছেন; সংগঠক থেকে নেতা হয়েছেন; নেতা থেকে জাতীয় নেতা, জাতীয় নেতা থেকে বাংলার মানুষের অকুণ্ঠ ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি পেয়েছেন এবং পরিশেষে সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে ‘বঙ্গবন্ধু’ থেকে হয়েছেন ‘জাতির জনক’। আর এটি সম্ভব হয়েছে অসংখ্য কর্মীকে তিনি নেতা বানিয়েছেন; অসংখ্য নেতাকে স্থানীয় পর্যায় থেকে টেনে তুলে উন্নীত করেছিলেন জাতীয় নেতায়। ফলে সারা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে বহু চড়াই-উৎড়াই পেরিয়ে আজও বঙ্গবন্ধুর চেতনা ধারণ করেই টিকে আছে। একাত্তরের ৩ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সত্তরের নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। শপথ গ্রহণ করান স্বয়ং বঙ্গবন্ধু। সেদিন বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন, ‘ছয় দফা ও ১১ দফা আজ আমার নয়, আমার দলেরও নয়; এ আজ বাংলার জনগণের সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। কেউ যদি এর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তবে বাংলার মানুষ তাকে জ্যান্ত সমাধিস্থ করবে। এমনকি আমি যদি করি, আমাকেও।’ তিনি তাঁর বক্তৃতায় সেদিন আরও বলেছিলেন, ‘আমাকে মোনেম খান কাবু করতে পারেনি, এমনকি আয়ুব খানও পারেনি। কিন্তু আমাকে দুর্বল করে দিয়েছে আপনাদের এই অকুণ্ঠ ভালোবাসা। আপনারা দোয়া করবেন, যেন আপনাদের এই ভালোবাসার মর্যাদা দিতে পারি।’ বাংলার মানুষের প্রতি ভালোবাসার মর্যাদা তিনি সপরিবারে রক্ত দিয়ে পরিশোধ করে গেছেন। ’৭৫-এর জানুয়ারির ১১ তারিখের কথা আমার স্মৃতির মণিকোঠায় এখনো জ্বলজ্বল করে। এদিন বাংলাদেশ সামরিক একাডেমিতে প্রথম শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠানে বিদায়ী ক্যাডেটদের উদ্দেশে এক মর্মস্পর্শী বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘…আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এ কথা বলছি না, তোমাদের জাতির পিতা হিসেবে আদেশ দিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী অনেক হবেন, অনেক আসবেন। প্রেসিডেন্টও অনেক হবেন, অনেক আসবেন। কিন্তু জাতির পিতা একবারই হন, দুবার হন না। জাতির পিতা হিসেবেই যে আমি তোমাদের ভালোবাসি, তা তোমরা জানো। আমি তোমাদের আবার বলছি, তোমরা সৎ পথে থাকবে, মাতৃভূমিকে ভালোবাসবে। মনে রেখো, তোমাদের মধ্যে যেন পাকিস্তানি মনোভাব না আসে। তোমরা পাকিস্তানের সৈনিক নও, বাংলাদেশের সৈনিক। তোমরা হবে আমাদের জনগণের বাহিনী।’ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর স্বৈরতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা থেকে জাতির জনক যে শিক্ষা অর্জন করেছিলেন, সেই চেতনায় স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে তিনি ‘জনগণের বাহিনী’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। অতুলনীয় সংগঠক ছিলেন বঙ্গবন্ধু। দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রত্যেককে দেখতেন নিজ পরিবারের সদস্যের মতো। ’৭২-এর ১৪ এপ্রিল, আমি তখন গ্যাস্ট্রিক-আলসারে আক্রান্ত হয়ে হলি ফ্যামিলিতে চিকিৎসাধীন। বঙ্গবন্ধু আমাকে দেখতে এসেছেন। সস্নেহে আমার হাত ধরে, পরম মমতায় কপালে হাত বুলিয়ে আদর করে আমার খোঁজখবর নিয়েছিলেন। আমার একমাত্র কন্যা মুন্নী যখন দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে, তখন টিভিতে ওর অনুষ্ঠান দেখে ওকে শুভাশীষ জানিয়েছিলেন। অপরিসীম ভালেবাসা ছিল শিশুদের প্রতি। বঙ্গবন্ধু যখন গণভবনে যেতেন, রাস্তায় ট্রাফিক সিগন্যাল পড়লে গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ত। একদিনের কথা খুব মনে পড়ে। একবার আমাদের গাড়ি সিগন্যালে দাঁড়ানো। হঠাৎ একটি শিশু, কত বয়স হবে, সাত কি আট; গাড়ির কাছে এসে বঙ্গবন্ধুকে উদ্দেশ করে বলছে, ‘আসসালামু আলাইকুম মুজিব সাহেব!’ তৎক্ষণাৎ বঙ্গবন্ধু শিশুটির হাত ধরে আদর করলেন, ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। আমি পাশে বসে দেখছি একজন রাষ্ট্রনায়কের, জাতির জনকের শিশুদের প্রতি কী অপার ভালোবাসা, কী অপূর্ব মমত্ববোধ। রাজনৈতিক সচিব হিসেবে বঙ্গবন্ধুর একটা তহবিল থাকত আমার কাছে। এই তহবিল থেকে তিনি বিভিন্নজনকে সাহায্য-সহায়তা করতেন। এর মধ্যে দলীয় নেতা-কর্মী ছাড়াও বিরোধী দলের লোকজনও ছিলেন। কিন্তু শর্ত ছিল, যাদের অর্থসাহায্য দেওয়া হচ্ছে, তাঁদের নাম-ঠিকানা গোপন রাখতে হবে, প্রকাশ করা যাবে না। বঙ্গবন্ধু কখনোই মানুষের মনে আঘাত দিয়ে কথা বলতেন না। কখনোই রাজনৈতিক বক্তব্যে ব্যক্তিগত বিষয়কে প্রাধান্য দিতেন না। আমরা বঙ্গবন্ধুর জীবন যদি বিশ্লেষণ করি, তবে দেখব যে তিনি সব সময় বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সবদিক ভেবেচিন্তে বিবেচনা করে, সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই সিদ্ধান্তে উপনীত হতেন। ১৯৭৪ সালে দলের কাউন্সিলে সভাপতির পদটি ছেড়ে দিয়েছিলেন। তদস্থলে আসীন হয়েছিলেন শ্রদ্ধাভাজন জননেতা শহীদ কামরুজ্জামান সাহেব। আর ১৯৫৭ সালে করেছিলেন বিপরীত কাজটি, অর্থাৎ মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দলীয় পদে বহাল করেছিলেন নিজকে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী নিজস্ব অবস্থান কোথায় হওয়া উচিত, সেটি যেমন বুঝতেন; তেমনি কে কোথায় যোগ্যতর আসনে অধিষ্ঠিত হবেন, তাঁকে সেই স্থান দিতে বিলম্ব করতেন না মোটেই। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। এই লক্ষ্য সামনে নিয়েই তিনি ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে স্বৈরশাসকেরা সংবিধানকে শুধু তছনছই করেনি; দেশকে সীমাহীন অরাজক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। এ রকম অস্থিতিশীল নৈরাজ্যকর বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু চাননি। বঙ্গবন্ধুর এবারের জন্মদিনে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা অস্থির। কারণ, বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি দালাল আইন প্রণয়ন করে যুদ্ধাপরাধী, মানবতাবিরোধীদের যে বিচারকার্য শুরু করেছিলেন, সেটি সমাপ্ত করতে পারেননি। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার যখন সেই মহতী কর্ম সমাপ্ত করার শুভ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তখন কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়া ভণ্ডুল করতে শুরু করেছে গভীর ষড়যন্ত্র। অথচ ২০০৮ সালে নির্বাচনের প্রাক্কালে জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহারের মাধ্যমে জাতির উদ্দেশে অঙ্গীকার করে বলেছিলেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা। বাংলার জনসাধারণ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ তাতে উদ্বুদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই ষড়যন্ত্র অচিরেই নস্যাৎ হয়ে যাবে। কারণ, তরুণ প্রজন্ম আজ জেগেছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করে দেওয়ার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা হয়েছিল। জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছিল। কিন্তু আজ তরুণ প্রজন্ম জানতে শিখেছে, বুঝতে শিখেছে। আমাদের অগ্নিঝরা দিনগুলোর হূদয় উত্তাল করা সেই স্লোগানগুলো আজ তরুণ সমাজের মাধ্যমে গণমানুষের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে—‘জাগো জাগো বাঙালি জাগো’; ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানা’; ‘তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি’ ‘জয় বাংলা’। যে বাংলার তরুণ সমাজ স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধকে বুকে ধারণ করে জীবন উৎসর্গ করতে পিছপা হয় না; সেই বাংলাদেশ আবার জাতির জনকের স্বপ্নের আরাধ্য বাংলাদেশ তথা গণতান্ত্রিক-অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে রূপান্তরিত হবে, এ আমার সুদৃঢ় বিশ্বাস। তোফায়েল আহমেদ: আওয়ামী লীগের নেতা, সংসদ সদস্য, সভাপতি, শিল্প মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।প্রথম আলো I        tofailahmed69@!gmail.com
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV