Monday, 7 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations
সব ক্যাটাগরি

সন্তানের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার ৯টি উপায়

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 154 বার

প্রকাশিত: May 5, 2014 | 6:34 PM

আপনার সন্তান ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্নের কথা আপনার সঙ্গে বিনিময় করবে। এ সময় তাকে ক্যারিয়ার নিয়েও চিন্তা করা শেখানো উচিত। সন্তানকে কোনো নির্দিষ্ট পেশা পছন্দ করে সে জন্য শিক্ষা জীবন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সাহায্য-সহযোগিতা করার দায়িত্ব অভিভাবকের। সন্তানের স্বপ্ন সফল করার জন্য তাকে দিতে হবে উৎসাহ। এ ক্ষেত্রে ৯টি পদক্ষেপ সাহায্য করতে পারে।
১. আগে থেকেই পরিকল্পনা করুন
সন্তানের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য আগে থেকেই পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। ক্যারিয়ার পরিকল্পনা অনুসারে সন্তানের পছন্দ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোর্সে ভর্তি করা প্রয়োজন। হাই স্কুল থেকেই এসব কাজ শুরু করা উচিত। এতে কলেজে গিয়ে পছন্দনীয় সাবজেক্ট পছন্দ করতে ও পড়তে সুবিধা হবে। ফলে তা উচ্চশিক্ষায় কাজে লাগবে।
২. আপনার হোমওয়ার্ক করুন
আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ পেশার বিস্তারিত জেনে নিন আগেই। বিস্তারিত জানা থাকলে তা অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার জন্য তাকে প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। কিন্তু আপনি যদি কোন সাবজেক্টে পড়াশোনা করলে এ পেশা নেওয়া সম্ভব, তা জানতে না পারেন, তাহলে তা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। কিন্তু এ বিষয়ে যথাযথ হোমওয়ার্কের মাধ্যমে সবকিছু জানা থাকলে বিষয়টি অনেক সহজ হয়ে যাবে।
৩. সঠিক কলেজ পছন্দ করুন
সন্তানের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অর্জনের জন্য কলেজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার শিক্ষাগত সব চাহিদা কলেজটি পূরণ করতে পারছে কি না, তা লক্ষ রাখুন। এ ছাড়া কলেজের সাফল্যের হার হিসাব করুন। যেসব কলেজের সাফল্যের হার বেশি সেসব কলেজে সন্তানকে ভর্তি করতে পারলে তা সফল হতে সহায়ক। শিক্ষাগত বিষয়ে সতর্ক মনযোগ আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে।
৪. অভিজ্ঞতার চাহিদাগুলো দেখে নিন
বিভিন্ন পেশার জন্য বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা দরকার হয়। কোনো পেশায় প্রবেশ করতে চাইলে আগে থেকেই পেশাটির নির্দিষ্ট চাহিদাগুলো জেনে রাখা ভালো। আপনার সন্তান যদি কোনো নির্দিষ্ট পেশায় ঢুকতে চায় তাহলে সুযোগ থাকলে শিক্ষা জীবন থেকেই সে সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞতা অর্জন শুরু করা উচিত। এতে তারা আগে থেকেই সে পেশায় যুক্ত থাকার সুবিধা লাভ করবে এবং দ্রুত উন্নতি করার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
৫. ইন্টার্নশিপ সম্বন্ধে খবর নিন
সন্তানের নির্দিষ্ট পেশার জন্য ইন্টার্নশিপ আছে কি না, জেনে নিন। শিক্ষা জীবনেই ইন্টার্ন করার সুযোগ থাকলে সে সুযোগ নেওয়া উচিত। এতে সে পেশার বহু বিষয় জানা হয়ে যাবে সন্তানের। ফলে প্রয়োজনীয় ট্রেনিংও সময় থাকতে সম্পন্ন হবে।
৬. অ্যাডভান্সড ডিগ্রি প্রোগ্রাম
বহু পেশার জন্য অ্যাডভান্সড ডিগ্রি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। কোনো পেশায় প্রবেশের ইচ্ছা থাকলে সে পেশার অ্যাডভান্সড ডিগ্রি নিতে পারলে তা খুবই ভালো হয়। এজন্য দ্রুত শিক্ষাজীবন শেষ না করে ডিগ্রিগুলো নিয়ে নিতে তাকে উৎসাহিত করতে হবে। বহু নিয়োগকারীই নির্দিষ্ট পেশায় উচ্চশিক্ষা থাকলে তাকে গুরুত্ব দেন এবং উচ্চপদে নিয়ে নেন। ভবিষ্যতে উন্নতির জন্যও এটা প্রয়োজন হয়।
৭. চাকরির বাজার পরীক্ষা করুন
আপনার সন্তানকে শিক্ষা দিন, কীভাবে চাকরির বাজার পরীক্ষা করতে হবে। এতে আপনার সন্তানের বাস্তবজ্ঞান বাড়বে এবং সে অনুযায়ী পেশা পছন্দ করতে সহায়ক হবে।
৮. বেতনের হিসাব
কিছু পেশায় উচ্চ বেতনের চাকরির সুযোগ থাকে, কিছু পেশায় চাকরির সুযোগ থাকলেও বেতন বেশি থাকে না। এসব বিষয় বিবেচনা করে আপনার সন্তানকে একটি তালিকা তৈরি করতে বলুন। আপনার সন্তান যদি এসব বিষয় বিবেচনা করে তার পছন্দ অনুযায়ী পেশা পছন্দ করে তা ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।
৯. ইতিবাচক থাকুন
আপনার সন্তানকে ইতিবাচক থাকার শিক্ষা আপনাকেই দিতে হবে। কোনো একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন সহজ কাজ নয়। এ জন্য নানাভাবে পরামর্শ, সাহায্য-সহযোগিতা প্রয়োজন হয়। কোনো বিষয়ে বিফল হলে তাতে দ্বীগুণ উদ্যমে ঝাপিয়ে পড়তে হয়। এসব বিষয়ে সন্তানকে সব সময় সাহায্য করা প্রয়োজন।কালের কণ্ঠ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ