সাংসদ এডভোকেট লুৎফুল হাই সাচ্চু’র মৃত্যুতে নিউইংল্যান্ড ও নিউজার্সি আ.লীগের শোক
বাংলাপ্রেস,বস্টন থেকে: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট লুৎফুল হাই সাচ্চু’র মৃতুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নিউইংল্যান্ড ও নিউজার্সি আ.লীগের নেতৃবৃন্দ। সাংসদ এডভোকেট লুৎফুল হাই সাচ্চু’র মৃতুতে শোক প্রকাশ করেন নিউইংল্যান্ড আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ চৌধুরী ও সা.সম্পাদক ইকবাল ইউসুফ এবং নিউজার্সি আ.লীগের সভাপতি সুজন আহমেদ সাজু ও সা.সম্পাদক শফিক আহমেদ। তারা পৃথক পৃথক শোকবার্তায় বাংলাপ্রেস’কে জানান,এডভোকেট লুৎফুল হাই সাচ্চু মহান মুক্তিযুদ্ধে অনবদ্য ভূমিকা রাখেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬ মার্চ তিনিই প্রথম কারফিউ ভঙ্গের নির্দেশ প্রচার করেন। আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন একাত্তরের স্বাধীনতাসংগ্রাম, এরশাদ বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনে এ মুক্তিযোদ্ধার ভূমিকা ছিল অতুলনীয়। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি নির্লোভ, ত্যাগী, আদর্শবান রাজনীতিবিদ হিসেবেই পরিচিত।তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য,গত ২২ নভেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হার্ট এ্যাটাক হলে এডভোকেট লুৎফুল হাই সাচ্চুকে রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হাসপাতালেই তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র ও ১ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য লুৎফুল হাই সাচ্চু ১৯৪০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আব্দুল হাই। মায়ের নাম রাশেদা খাতুন। ৫ ভাই ৫ বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। লুৎফুল হাই সাচ্চু ১৯৭০ সালে গণ পরিষদ সদস্য এবং ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া হাই সাচ্চু মহান মুক্তিযুদ্ধে ২ ও ৩ নং সেক্টরের গেরিলা উপদেষ্টা ছিলেন। ২২ বছর বয়সে তিনি ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্যপদ লাভ করেন। ১৯৫৭ সালে বাবার চাকরির সুবাদে তিনি মাগুড়ায় যান। সেখানে থাকাবস্থায় মাগুড়া কলেজের এজিএস পদে নির্বাচিত হন।১৯৫৮ সালে আইয়ুব বিরোধী মার্শাল’ল ভাঙ্গতে গিয়ে ঢাকা কলেজ থেকে বহিষ্কার হন। ১৯৬০-৬২সালে আইয়ুব বিরোধী শিক্ষা আন্দোলনের তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তিনি। আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে তার বিরুদ্ধে ৩টি মামলা হয়। ওই সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ইলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৬৮ সালে ঢাকা কোর্টে আইন পেশায় নিজেকে যুক্ত করেন। ১৯৭৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে তিনি পূর্বাঞ্চলীয় মুক্তিযুদ্ধের যানবাহনের কো-অর্ডিনেটর ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পর দেশ পুণর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৭২ সালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ৩১ বছর এ পদে আসীন ছিলেন। ২০০৩ সালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। আমৃত্যু তিনি এ পদে ছিলেন।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি