সুপ্রিম কোর্টে গোরসাচের নিয়োগ নিশ্চিত করলো মার্কিন সিনেট
মুজতাহিদ ফারুকী: যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসাবে নিয়োগের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনোনীত রক্ষণশীল বিচারপতি নিল গোরসাচের নিয়োগ নিশ্চিত করেছে দেশটির সিনেট। রিপাবলিকান সদস্যরা একতরফাভাবে সিনেটের নিয়ম পরিবর্তন করার পরও খুব কম ব্যবধানে তার নিয়োগ নিশ্চিত হয়। শুক্রবার ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের সভাপতিত্বে সিনেটে ৫৪-৪৫ ভোটে বিজয়ী হন গোরসাচ।
গোরসাচের নিয়োগ নিশ্চিত হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টে একজন বিচারপতির পদ ১৪ মাস ধরে শূন্য থাকার পর সেটি পূরণ হতে যাচ্ছে। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে বিচারপতি এন্টোনিন স্ক্যালিয়ার মৃত্যুর পর পদটি শূন্য হয়।
স্ক্যালিয়ার মৃত্যুর পর পরই তখনকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং সিনেটের রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কমিটির মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব শুরু হয়। রিপাবলিকার দলের নেতা মিট ম্যাককনেল বিচারপতির শূন্য পদে ওবামার মনোনীত প্রার্থী মেরিক গারল্যান্ডের নিয়োগের বিষয়ে শুনানী অনুষ্ঠানে এক বছর ধরে অস্বীকৃতি জানান।
গত বৃহস্পতিবার রিপাবলিকানরা সিনেট শুনানীতে ৬০ ভোট পেলে মনোনীত প্রার্থীর নিয়োগ পাবার বিধান পরিবর্তন করে কেবল সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নিয়োগের বিধান পাস করেন। এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্টদের মধ্যে আদর্শের ভিত্তিতে নিয়োগ দানের ক্ষেত্রে বৈরিতা উস্কে দেবে এবং এটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে দুই দলীয় ব্যবস্থার প্রচলিত রীতির প্রতি বড় ধরনের আঘাত বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।
গোরসাচের নিয়োগের ফলে ৯ সদস্যের মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে রিপাবলিকান মনোনীত বিচারপতির সংখ্যা ৫-৪-এর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলো। এই নিয়োগ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে যেসব মামলা হতে পারে তা উৎরে যেতে সহায়ক হবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গোরসাচ গে-রাইটস সীমিতকরণ, গর্ভপাতের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের মতো বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়ের পক্ষে থাকবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা, নিউইয়র্ক টাইমস, আমাদের সময়.কম
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল