সোনালী এক্সচেঞ্জের সিইও আতাউর রহমানের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
নিউইয়র্ক: গত ১০ জানুয়ারী সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন সম্প্রতি সোনালী এক্সচেঞ্জের চাকরি থেকে অব্যহতি প্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ বাকির।তিনি বলেন, সোনালী এক্সচেঞ্জের সিইও জনাব আতাউর রহমান প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে শাক্ দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন। চলমান অর্থনীতির মন্দার কথা বলে আজাদ বাকিরকে সোনালী এক্সচেঞ্জ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে বলে সোনালী এক্সচেঞ্জের সিও আতাউর রহমান যে সাক্ষাতকার প্রদান করেন, তাতে সত্যের লেসমাত্র নেই যা সাধারণ পত্রিকা পাঠককে বিভ্রান্ত করা ছাড়া আর কিছুই না। লস এঞ্জলস এর ম্যানেজার আবু সুফিয়ান এবং এস্টোরিয়া শাখার ম্যানেজার মঞ্জুর কাদের আরো ৪/৫ মাস আগেই সোনালী এক্সচেঞ্জ থেকে চাকরী শেষ করে চলে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তারা কিভাবে অতিরিক্ত ৫/৬ মাস অতিবাহিত করলেন?আজাদ বাকির বিবৃতিতে বলেন, ৫/৬ মাস আগে আপনি(সিইও আতাউর রহমান) বাংলাদেশ থেকে আরো একজন ম্যানেজার এনে এস্টোরিয়া ব্রাঞ্চে প্রায় ২/৩ মাস বসিয়ে রেখে বেতন প্রদান করেছিলেন। পরে আর কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে তাড়াহুড়া করে আপনার মন মত জ্যামাইকায় একটি অনুপযুক্ত পরিবেশে সোনালী এক্সচেঞ্জের নতুন একটি ব্রাঞ্চ খুলে তাকে সেখানে নিয়োগ প্রদান করেন। একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে আপনি নিজের মন মত করে পরিচালনা করতে পারেন কি? যখন যাকে ইচ্ছা চাকুরিতে নিয়োগ প্রদান করেন এবং যখন ইচ্ছা যে কাউকে অনৈতিকভাবে চাকুরী থেকে প্রত্যাহার করেন। আপনি নিজেও গত জুন মাসে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার কথা থাকলেও কোন ক্ষমতা বলে আপনি এখনও টিকে আছেন তা এখন সর্বস্তরের মানুষের জিজ্ঞাসা। আপনি যদি সত্যিকার অর্থে সোনালী এক্সচেঞ্জের খরচ বাঁচানো চিন্তা করতেন, তাহলে আপনার উচিত ছিল একজন উপযুক্ত ম্যানেজারকে দায়িত্ব বুঝিয়ে বাংলাদেশে চলে যাওয়া। এখানকার সিইও জিএম এর সমমর্যাদা। কিন্তু আপনি ডিজিএম পদে পদোন্নতি পাওয়ার পরও সিইও পদটি আকড়িয়ে ধরে আছেন কোন স্বার্থে? আপনার কারনে রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটির খরচ বাড়ছে না কমছে? সত্য বলার সৎ সাহস রাখুন; এবং সত্যকে সত্য ভাবে বলার চেষ্টা করুন। আমি যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না হই আপনার বক্তব্য অনুযায়ী তাহলে আপনি কেন আমাকে বারবার বিএনপি’র রাজনীতি না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং লিখিতভাবে অনেক কৈফিয়ত জানতে চেয়ে ছিলেন কেন, দয়া করে বলবেন কি?
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি