Friday, 24 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
সব ক্যাটাগরি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশীদের ভূয়সী প্রশংসা জাতিসংঘ কর্মকর্তার,শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর অধিকতর অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 184 বার

প্রকাশিত: June 5, 2011 | 10:21 AM

শারকে চামান খান: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে আলাপকালে শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশীদের ভূয়সী প্রশংসা করলেন জাতিসংঘ কর্মকর্তা। ৩ জুন অপরাহ্নে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন জাতিসংঘ পিসকিপিং অপারেশন বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এ্যালেন লে রয় (Alain Le Roy) এর সঙ্গে আলাপকালে  এ্যালেন তাকে শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশীদের সম্পর্কে অবহিত করেন। এ্যালেন পিসকিপিং থেকে পিসবিল্ডিং এ উত্তরণের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর অধিকতর অংশগ্রহণের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

 

শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর অধিকতর অংশগ্রহণের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  এ্যালেনকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এসময় হাইতিতে কর্মরত বাংলাদেশের একমাত্র মহিলা কন্টিজেন্ট (FPU) এর কার্যক্রম এর ব্যাপারেও  এ্যালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তার সন্তুষ্টি ব্যক্ত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন হাইতিতে বাংলাদেশের মহিলা পুলিশের কন্টিনজেন্ট এর কার্যক্রম, নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি ও আগ্রহের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, কেবল মন্ত্রিপরিষদের সদস্যই (সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্যায়) নয়, তৃণমূল পর্যায়ে অপারেশনাল লেভেলেও বাংলাদেশের মহিলারা পুরুষের পাশাপাশি কৃতিত্বের সঙ্গে কাজ করছে। এবছর মহিলা পুলিশের আরেকটি কন্টিনজেন্ট কঙ্গোতে কার্যক্রম শুরু করবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী  এ্যালেনকে অবহিত করেন। উলেখ্য, হাইতিতে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পুলিশের কন্টিনজেন্ট এর আগে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে মাত্র একটি মহিলা পুলিশ কনটিনজেন্ট কাজ করছিলো। অর্থাৎ হাইতিতে নিযুক্ত জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহিলা পুলিশ কনটিনজেন্টের গর্বিত প্রদায়ক বা অংশীদার হিসেবে বিশ্বসভায় বাংলাদেশের নামটি বারবার উচ্চারিত হচ্ছে।

বিশেষত হাইতিতে ভূমিকম্প পরবর্তী দুর্যোগ এবং সুনামির আশংকার প্রেক্ষাপটে এই কনটিনজেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সুনামের সঙ্গে তা প্রতিপালন বিশ্বসভার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানালেন হাইতির মিশন প্রধান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের সদস্যদের অবদানের উলেখ করে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ছাড়াও সদর দপ্তরের সংশিষ্ট বিভাগগুলোতে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের ওপর জোর দেন। এক্ষেত্রে তিনি ডিপিকেও এবং ডিএফএস এ বাংলাদেশ থেকে কর্মকর্তা নিয়োগের ব্যাপারে জোর সুপারিশ করেন। পুলিশ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণ নিয়েও তিনি আলাপ করেন। হাইতিতে বাংলাদেশের মহিলা কন্টিজেন্টের অবদানের কথা উঠলে, বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে আরো বেশি বিশেষ করে মহিলা পুলিশ নিয়োগে আগ্রহী বলে তিনি জানান। উলেখ্য, এমুহূর্তে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ পুলিশ সদস্য প্রদানকারী দেশ।

 সাক্ষাতকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব আব্দুস সোবহান শিকদার, আইজিপি (প্রিজন) মোঃ আশরাফুল ইসলাম খান, স্থায়ী প্রতিনিধি . . কে. আব্দুল মোমেন এবং প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জামাল এবং এ্যালেন লে রয় এর সঙ্গে এ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল এডমন্ড মুলে (Edmond Mulet), পুলিশ এ্যাডভাইজার কমিশনার এ্যান মারি ওরলার (Ann Marie Orler ) উপস্থিত ছিলেন। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থায়ী মিশনে এলে স্থায়ী প্রতিনিধি . . কে. আব্দুল মোমেন তাকে স্বাগত জানান। তিনি মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতিসংঘে বাংলাদেশের কার্যক্রম বিশেষত শান্তিরক্ষা মিশন সম্পর্কে আলোচনা করেন। এসময় তিনি স্থায়ী প্রতিনিধিকে উপহার হিসেবে একটি নৌকার প্রতীক হস্তান্তর করেন। 

 

 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV