Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

হঠাত্ রেগে যাওয়া একটি মানসিক রোগ : এ রোগের চিকিত্সা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 125 বার

প্রকাশিত: October 31, 2011 | 2:27 PM

ডা: মো. জিল্লুর কামাল  : মারামারি ভাংচুর  বা রাগ দেখানো অনেক মানসিক রোগের সাধারণ উপসর্গ। এ সব মানসিক রোগের মধ্যে আছে বাইপোলার এ্যাফেকটিভ ডিস অর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া বিষণ্নতা,ব্যক্তিত্বের সমস্যা ইত্যাদি। কিছু কিছু মানুষ পাওয়া যায় যারা এসব রোগে ভুগছেন না কিন্তু হঠাত্ হঠাত্ খুব সাধারণ কারণে এমন রেগে যান যে আশপাশের সবাই হতভম্ব হয়ে যায়। ব্যক্তি নিজেও বুঝতে পারেন যে তার রেগে যাওয়াটা ঠিক স্বাভাবিক না কিন্তু তিনি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারেন না। এ মানসিক রোগকে হঠাত্ রেগে যাওয়া বা ইন্টারসিটেন্ট এক্সপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার বলে।

এরোগের বৈশিষ্ট্য হল:

০০ব্যক্তি অধিকাংশ সময় তার রাগ নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে অন্যকে আঘাত করে বা সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি করে।

০০যে ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যক্তি রাগ প্রকাশ করছে সে ঘটনার বিচারে ব্যক্তির রাগের পরিমাণ অত্যন্ত বেশী।  ্ক ব্যক্তি অন্য কোন মানসিক রোগে বা ব্যক্তিত্বের সমস্যায় ভুগছে না কি কোন মাদকের প্রভাবেও এ ধরণের আচরণ করছে না।

কারণ ও প্রাকোপ: হঠাত্ রেগে যাওয়া রোগের কারণ এখনো সঠিক ভাবে জানা যায়নি। এ রোগের প্রকোপ সম্পর্কে এখনো তেমন জানা যায়নি তবে এ রোগের প্রকোপ খুব বেশি নয় বলেই ধারণা করা হয়। সাধারণত: পুরুষের মধ্যে এ রোগের প্রকোপ বেশী দেখা যায়। অল্প পরিমাণে হলেও মহিলাদের মধ্যেও এ রোগ দেখা যায়। বিশেষত:মানসিকের ঠিক আগে আগে অনেক মহিলাকে এই রোগে ভুগতে দেখা যায়।

চিকিত্সা: এ রোগের চিকিত্সার জন্য মনোচিকিত্সা ও ওষুধ এদু’য়ের প্রয়োগের দরকার হয়। মনোচিকিত্সার মাধ্যমে রোগীকে রাগ নিয়ন্ত্রণের নানা কৌশল শেখানো হয়। এ রোগের চিকিত্সায় ব্যবহূত ওষুধগুলোর মধ্যে আছে: বিভিন্ন ধরণেল বিষণ্নতা বিরোধী ওষুধ ও কার্বামাজোপিন, লিথিযাম, ডাইভেলপ্রো এক্স ইত্যাদি।

বাধ্যতা ধর্মী অসুস্থতা:

বাধ্যতা ধর্মী অসু্সথতা কি? এটা একধরণের মানসিক রোগ। এ রোগে কিছু নির্দিষ্ট অস্বস্তিকর চিন্তা ব্যক্তির মনে ঘুরে ঘুরে বার বার আসে। এসব চিন্তা ব্যক্তির নিজের মনেই তৈরী হয়। ব্যক্তি এসব চিন্তা মন থেকে দূরে সরাতে চায় কিন্তু পারে না।

কি ধরণের চিন্তা মনে আসে?  বিভিন্ন ধরণের চিন্তা আসে। চিন্তাগুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করে বর্ণনা করা যায়। এগুলো হচ্ছে জীবানু দ্বারা সংক্রমণের চিন্তা, কোন একটা কাজ ঠিকমত করেও তা করা হয়নি এ ধরণের দ্বিধা, সব কিছু একটা নির্দিষ্ট ভঙ্গীতে সাজানোর ইচ্ছা, কারো ক্ষতি করার ইচ্ছা,অস্বাভাবিক যৌন চিন্তা।

শুধু কি ব্যক্তি চিন্তাই করে? অনেকের মধ্যে চিন্তাটাই থাকে। অধিকাংশ ব্যক্তি এসব চিন্তার হাত থেকে মনকে অন্যদিকে ঘোরাবার জন্য যতগুলো কাজ করে যেমন বার বার হাত ধোয়া,গনণা করা, বার বার পরীক্ষা করা, বার বার তওবা করা, একই কাজ বার বার করা ইত্যাদি। এসবকে বলে কম্পালশান। এগুলোতো আমরা যাকে সূঁচীবাই বলে সে রকম শোনাচ্ছে।  হ্যাঁ সূঁচীবাই এ রোগের একটা উপসর্গ। সূঁচীবাইগ্রস্ত রোগী বারবার হাতধোয়া বা পরিস্কার পরিছন্নতার বিষয়ে মাত্রাতিরিক্ত সজাগ থাকে।

এ রোগের কারণ কি? আগে মনে করা হত ছোট  বেলায় কঠিন শৃংখলা শিক্ষা দেয়ার ফল হিসেবে আরোগের উত্পত্তি হয়। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এ তত্ত্ব প্রমাণিত হয়নি। গবেষণায় দেখা গেছে মস্তিষ্কের  স্ট্রায়েটাম নামের অংশের গোলমানের ফলে এ রোগের উত্পত্তি হয়।

এ রোগের চিকিত্সা আছে?

হ্যাঁ এ রোগের চিকিত্সা আছে। সাধারণত:ওষুধ ও বিহ্যাভিয়ার থেরাপীর সমন্বয়ে এ রোগরে চিকিত্সা করা হয়। ব্যবহূত ওষুধগুলোর মধ্যে আছে: ফ্লুক্সেটিন, সারট্রালিন,ক্লোমিপ্রামিন,ফ্লুভক্সামিন ইত্যাদি। বিহাভিয়ার থেরাপীর ক্ষেত্রে এক্সপোজার এড রেসপন্স প্রিভেনশন পদ্ধতি ব্যবহার করে ভাল ফল পাওয়া যায়।

ডা: মো. জিল্লুর কামাল মনো রোগ বিশেষজ্ঞ সুখীমন : ১৭ পরিবাগ সোনারগাঁও রোড, হাতিরপুল,ঢাকা।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ