Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর আগের ঘটনা নিয়ে ‘হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো’ প্রকাশ করায় আদালতের নোটিস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 162 বার

প্রকাশিত: May 26, 2013 | 11:51 AM

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর আগের ঘটনা নিয়ে বই প্রকাশ করায় আদালতের নোটিসপ্রয়াত সাহিত্যক হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর আগের দিনগুলো নিয়ে প্রকাশিত বইয়ে অসত্য তথ্য রয়েছে-এই অভিযোগে দুই প্রকাশককে লিগ্যাল নোটিস দিয়েছেন মেহের আফরোজ শাওনের আইনজীবী । নোটিশে ১৫ দিনের মধ্যে বাজার থেকে ‘হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো’ শিরোনামে প্রকাশিত বইটি প্রত্যাহার, ধ্বংস এবং অসত্য বক্তব্য প্রকাশের কারণে শাওনের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় দুই প্রকাশকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ এবং আমেরিকায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে। শাওনের পক্ষে লিগ্যাল নোটিসটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ।
গত ২২ মে কুরিয়ার সার্ভিসের এবং ২৫ মে ই-মেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের প্রতি নোটিসটি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ এন্ড এসোসিয়েটস এর ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান।
লিগ্যাল নোটিসে বলা হয়, ‘বইটির ৭১ ও ৮৮ নাম্বার পৃষ্ঠাসহ বিভিন্ন জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১২ সালের ১২ জুন অপারেশনের পর প্লাস্টিকের চেয়ার থেকে পড়ে যান হুমায়ূন আহমেদ। এরপর তার শীরের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত হয়। এ ঘটনার পর তাকে যখন হাসপাতালে নেয়া হয়, তখন চিকিত্সকের কাছে এ পড়ে যাওয়ার কথা গোপন করা হয়েছে। তার অবস্থা দিন দিন খারাপ হওয়ার এক পর্যাায়ে ২১ জুন তিনি আর কথা বলতে পারেননি।’ ‘বইয়ে লেখা ওই বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণের জন্য হুমায়ূন আহমেদের প্লাস্টিকের চেয়ারে বসা একটি ছবি ছাপানো হয়েছে।’
নোটিসে বলা হয়, ‘বইয়ে প্রকাশিত এ বক্তব্য আদৌও সত্য নয়। এটা লেখার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে হুমায়ূন আহমেদের প্রতি শাওনের দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। শাওনকে হেয় করার জন্য এ ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। ২১ জুন হুমায়ূন আহমেদ কথা বলতে পারেননি অভিযোগ সত্য নয়। ২১ জুনের পর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.আব্দুল মোমেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মঞ্জুরুল ইসলাম হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কথা বলেছেন।’
‘এছাড়া হুমায়ূন আহমেদ চেয়ার থেকে পড়ে যাননি। প্লাস্টিকের চেয়ারে বসা ছবিটি ২০০৮ সালে ঢাকার ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় স্যুটিংয়ের (জোত্স্না ও জননীর গল্প নাটকের স্যুটিং) সময়ে চেয়ারে বসে থাকার ছবি।’
নোটিসে আরো বলা হয়, ‘বইয়ে বলা হয়েছে-গত বছরের ২১ জুন সকাল ৯টা ১২ মিনিটে জ্যামাইকার একটি হাসপাতালের (মেমোরিয়াল স্লোন-ক্যাটারিং ক্যান্সার সেন্টার-) হুমায়ূন আহমেদকে ভর্তি করা হয় । সেখানে বিকেল ৫টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত সময়ে হুমায়ূন আহমেদকে তিনবার চেকআপ করানো হয়েছে। কিন্তু সার্বক্ষণিকভাবে শাওন হুমায়ূন আহমেদের পাশে ছিলেন না। শাওনকে বার বার ফোন করে করে আনা হয়েছে। বইয়ে প্রকাশিত এ বক্তব্যও সঠিক নয়। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শাওন হুমায়ূন আহমেদের পাশে ছিলেন।’ নোটিসে বলা হয়, ‘বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে-জ্যামাইকা হাসপাতালে ভর্তির পর হুমায়ূন আহমেদের পরিস্থিতর অবনিতর পর শাওনের ধারণা হয়, হুমায়ূন আহমেদ আর ভালো হবেন না। এ ধারণার পর হাসপাতালে জমা দেওয়া টাকা থেকে ২০ হাজার ৪’শ ৫২ দশমিক ৬৯ মার্কিন ডলার তুলে নেয় শাওন। এ অভিযোগও সত্য নয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছে। হাসপাতালে ভর্তির সময় এক লাখ ১৬ হাজার ৪’শ ১৫ মার্কিন ডলার জমা দেওয়া হয়েছিলো। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিল বাবদ ৯৫ হাজার ৯’শ ৬২ দশমিক ৩১ ডলার রেখে বাকী ২০ হাজার ৪’শ ৫২ দশমিক ৬৯ মার্কিন ডলার ফেরত দেয়। এ টাকা ফেরত দিয়েছে চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলের দিকে।’
নোটিসে আরো বলা হয়, ‘হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর ২০ জুলাই জ্যামাইকার মুসলিম সেন্টারে জানাযা হয়। এ বিষয়ে বইয়ে বলা হয়, ওখানে হুমায়ূন আহমেদের ভাই জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী (ইয়াসমিন হক) উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু জানাযায় শাওন ও তার মা তহুরা আলী উপস্থিত থাকলেও বইয়ে তাদের কথা বলা হয়নি। এর মাধ্যমে বইয়ে হুমায়ূন আহমেদের প্রতি শাওনের অবহেলার চিত্র ফুটিয়ে তোলার অপচেষ্টা করা হয়েছে।’
‘বইটির ৯৫ , ৯৬ ও ২৫২ নাম্বার পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে, হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পরে শাওন এবং মাজহারুল ইসলাম বিমানের প্রথম শ্রেনীর টিকেট ছাড়া দেশে আসবেনা। এ কারণে হুমায়ূন আহমদের মরদেহ বাংলাদেশে আনতে দেরী হয়েছে। বইয়ে লেখা এ তথ্যও সত্য নয়।’
‘বইয়ে আরো বলা হয়েছে, হুমায়ূন আহমেদ যখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তখন শাওন রাতে তার পাশে থাকতো না। এ অভিযোগও সত্য নয়। বাস্তবতা হচ্ছে-যখন হুমায়ূন আহমেদ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ছিলেন, তখন তার কাছে যেতে হলে র্মাকস পরে যেতে হতো। এ পরিস্থিতিতে তার দুটি সন্তানকে কাছে নিয়ে থাকার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করেছিলেন। এ কারণে কিছু সময়ের জন্য হুমায়ূন আহমেদের কাছে থাকতে পারেননি শাওন।’
‘বইয়ের ২৬০ নাম্বার পৃষ্ঠায় বলা হয়, প্রথম অপারেশনের পরে হুমায়ূন আহমেদকে পানীয় ও ভারী খাবার খেতে দেওয়া হতো বলে যে কথা উল্লেখ করা হয়েছে তাও ভিত্তীহীন।’ আমেরিকার জ্যাকসন হাইটসের মুক্তধারার সত্ত্বাধিকারী বিশ্বজিত সাহা এবং ঢাকার বাংলা প্রকাশের সত্ত্বাধিকারী ইঞ্জিনিয়ার মো.মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে এই লিগ্যাল নোটিস দেয়া হয়েছে।ইত্তেফাক
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV