‘হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো’র নিউ ইয়র্কে প্রকাশনা উৎসব
ডেস্ক: জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু নিয়ে নানা কৌতূহল মানুষের মনে। তাদের সেসব অজানা প্রশ্নের, জিজ্ঞাসার অনেক উত্তর মিলবে বিশ্বজিৎ সাহা রচিত ‘হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো’ বইটিতে। তিনি প্রয়াত লেখকের চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন নিবিড় ভাবে। কাছ থেকে দেখেছেন লেখকের শেষ দিনগুলোর সঙ্কটকে। অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বইটি প্রকাশিত হলেও এর নিউ ইয়র্ক প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হলো ২৯শে মার্চ। নিউ ইয়র্কের জ্যুইশ সেন্টারে আয়োজিত প্রকাশনা উৎসবে গ্রন্থটির ওপর আলোচনা করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের কালচারাল মিনিস্টার অধ্যাপক মমতাজ উদদীন আহমদ, জাতিসংঘে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আবদুল মোমেন, ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার, সাংবাদিক মঞ্জুর আহমেদ, প্রাবন্ধিক হাসান ফেরদৌস, সাংবাদিক নাসিমুন নাহার নিনি। মোড়ক উন্মোচনের পর জাতিসংঘে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আবদুল মোমেন বলেন, হুমায়ূন আহমেদ যখন জীবনের চিকিৎসার জন্য নিউ ইয়র্ক আসেন তখন থেকেই বিশ্বজিৎ সাহা ও তার স্ত্রী ছিলেন হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের অত্যন্ত কাছের মানুষ। তার চিকিৎসায় বিশ্বজিৎ ছিলেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অধ্যাপক মমতাজ উদদীন আহমদ বলেন, এ গ্রন্থটিতে সততা ও অপকটে সাহসিকতার সঙ্গে সত্য ঘটনাকে অত্যন্ত সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। রোকেয়া হায়দার বলেন, হুমায়ূন আহমদের জীবনের শেষ দিনগুলো যেন তার গল্পের মতোই নানা অজানা ঘটনাবলীর মধ্যে হারিয়ে গেল। অনেক প্রশ্ন দেখা দিলো, যার সঠিক উত্তর মেলেনি। মঞ্জুর আহমেদ বলেন, ভবিষ্যতে রেফারেন্স বুক হিসেবে বইটি কাজে লাগবে। নাসিমুন নাহার নিনি বলেন, বিশ্বজিৎ সাহা কঠিন সত্যকে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করে হুমায়ূন-ভক্তদের প্রত্যাশা পূরণে প্রয়াসী হয়েছেন। নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি, ফিলাডেলফিয়া, ওয়াশিংটন থেকে আগত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কবি-সাংবাদিক-লেখক-সাহিত্যিক-শিল্পী এবং সাহিত্য অনুরাগীদের উপস্থিতিতে প্রকাশনা উৎসবটি হয়ে ওঠে স্মৃতিমেদুর। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন কানেকটিকাট থেকে আগত শিল্পী শান্তা নাগ। বক্তব্য রাখেন ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্য, ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, জয়ন্ত নাগ, মীনাক্ষী দত্ত, মতলুব আলী গ্রন্থটির ‘সাদা মানুষ’ অধ্যায় থেকে পাঠ করেন মুমু আনসারী। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন সেমন্তী ওয়াহেদ।
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি