Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

১০০ বছর পর নাগরিকত্ব

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 146 বার

প্রকাশিত: October 13, 2010 | 11:30 PM

১০০ বছর পার হওয়ার পর অবশেষে তাঁর মুঠোয় ধরা দিয়েছে সেই কাঙ্ক্ষিত জিনিস; তা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব। যাঁকে নিয়ে এই নজিরবিহীন ঘটনাটি ঘটেছে, তিনি হলেন ইউলালিয়া গার্সিয়া মাতুরি।
১৯০৯ সালের ১২ অক্টোবর মেক্সিকো থেকে রিও গ্র্যান্ড পাড়ি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন মাতুরি। তখন তিনি মায়ের কোলে থাকা ছয় মাসের শিশু। গত মঙ্গলবার তাঁর ১০১তম জন্মদিনে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ব্রাউনসভিলের ফেডারেল আদালতে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্র্যান্ট সার্ভিসেসের তথ্য অনুযায়ী, এই নাগরিকত্ব লাভের ফলে মাতুরি সেই ১৫ জন অভিবাসীর বিশেষ তালিকায় স্থান পেলেন, যাঁদের বয়স ১০০ বছরের ওপরে।
শতবর্ষ পরও নাগরিকত্ব পেয়ে খুব খুশি মাতুরি। তিনি বলেন, ‘এই বয়সে নাগরিকত্ব পেয়ে আমি খুব খুশি।’ মাতুরি জানান, একজন মার্কিন নাগরিক হিসেবে তিনি প্রথম যে কাজটি করতে চান, তা হচ্ছে ২ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়া। তিনি বলেন, ‘নিশ্চিতভাবে আমি সবচেয়ে ভালো প্রার্থীকে ভোট দেব।’
মাতুরির জন্ম মেক্সিকোর মন্টেরি নগরে। এ পর্যন্ত দুই স্বামীর সঙ্গে সংসার করেছেন তিনি। তাঁর দুই ছেলে। মায়ের কোলে করে তিনি যখন টেক্সাসে আসেন, ওই সময় অভিবাসীদের জন্য নিয়মকানুন এখনকার মতো কঠোর ছিল না। ১৯৪০ সালে মার্কিন কংগ্রেসে বহিরাগত নাগরিকদের জন্য অ্যালিয়েন রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট বা স্মিথ অ্যাক্ট নামে আইন অনুমোদিত হয়। সেই আইন অনুসারে লাখ লাখ অভিবাসীর সঙ্গে নিবন্ধনের মাধ্যমে মাতুরি একটি সনদ লাভ করেন। এই সনদই এত দিন পর মাতুরিকে মার্কিন নাগরিক হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বিবিসি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ