Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

১০০ বছর পর নাগরিকত্ব

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 111 বার

প্রকাশিত: October 13, 2010 | 11:30 PM

১০০ বছর পার হওয়ার পর অবশেষে তাঁর মুঠোয় ধরা দিয়েছে সেই কাঙ্ক্ষিত জিনিস; তা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব। যাঁকে নিয়ে এই নজিরবিহীন ঘটনাটি ঘটেছে, তিনি হলেন ইউলালিয়া গার্সিয়া মাতুরি।
১৯০৯ সালের ১২ অক্টোবর মেক্সিকো থেকে রিও গ্র্যান্ড পাড়ি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন মাতুরি। তখন তিনি মায়ের কোলে থাকা ছয় মাসের শিশু। গত মঙ্গলবার তাঁর ১০১তম জন্মদিনে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ব্রাউনসভিলের ফেডারেল আদালতে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্র্যান্ট সার্ভিসেসের তথ্য অনুযায়ী, এই নাগরিকত্ব লাভের ফলে মাতুরি সেই ১৫ জন অভিবাসীর বিশেষ তালিকায় স্থান পেলেন, যাঁদের বয়স ১০০ বছরের ওপরে।
শতবর্ষ পরও নাগরিকত্ব পেয়ে খুব খুশি মাতুরি। তিনি বলেন, ‘এই বয়সে নাগরিকত্ব পেয়ে আমি খুব খুশি।’ মাতুরি জানান, একজন মার্কিন নাগরিক হিসেবে তিনি প্রথম যে কাজটি করতে চান, তা হচ্ছে ২ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়া। তিনি বলেন, ‘নিশ্চিতভাবে আমি সবচেয়ে ভালো প্রার্থীকে ভোট দেব।’
মাতুরির জন্ম মেক্সিকোর মন্টেরি নগরে। এ পর্যন্ত দুই স্বামীর সঙ্গে সংসার করেছেন তিনি। তাঁর দুই ছেলে। মায়ের কোলে করে তিনি যখন টেক্সাসে আসেন, ওই সময় অভিবাসীদের জন্য নিয়মকানুন এখনকার মতো কঠোর ছিল না। ১৯৪০ সালে মার্কিন কংগ্রেসে বহিরাগত নাগরিকদের জন্য অ্যালিয়েন রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট বা স্মিথ অ্যাক্ট নামে আইন অনুমোদিত হয়। সেই আইন অনুসারে লাখ লাখ অভিবাসীর সঙ্গে নিবন্ধনের মাধ্যমে মাতুরি একটি সনদ লাভ করেন। এই সনদই এত দিন পর মাতুরিকে মার্কিন নাগরিক হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বিবিসি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV