১২ বছর আগে মীমাংসিত বিষয়ে প্রোপাগান্ডার পেছনে কারো উৎসাহ থাকতে পারে – সংবাদ সম্মেলনে ড. ইউনূস

ইউএসএ নিউজ ডেস্ক: ১২ বছর আগে মীমাংসিত বিষয়ে ব্যাপক নেতিবাচক প্রোপাগান্ডার পেছনে ষড়যন্ত্র নয় বরং কারো কারো উৎসাহ থাকতে পারে- সমপ্রতি নরওয়েজিয়ান টেলিভিশনে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রচারের প্রেক্ষাপটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথাই বললেন নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।ভিত্তিহীন ও অসত্য খবরে কষ্ট পেলেও আইনের দ্বারস্থ না হয়ে দেশের কল্যাণে সকলকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, ‘লড়াই নয়, অনাহূত বিতর্কে সময় নষ্ট না করে চলুন সবাই একসঙ্গে কাজ করি।’ ফ্রান্স সফর শেষে দেশে ফিরে গ্রামীণ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ড. ইউনূস ছাড়াও এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-পরিচালক নূরজাহান বেগম ও অর্থ ব্যবস্থাপক শাহজাহানসহ গ্রামীণ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নরওয়ের টেলিভিশন ও বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত দাতাদেশগুলোর দেয়া ৬০ কোটি ৮০ লাখ নরওয়েজিয়ান ক্রোনার গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামীণ কল্যাণ নামের প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের অভিযোগে সৃষ্ট বিতর্ক নিয়ে দেড়ঘণ্টার সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বক্তব্যে ড. ইউনূস বলেন, নরওয়ে সরকারের অনুসন্ধানে ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য নেয়া অর্থ গ্রামীণ কল্যাণে স্থানান্তরের অভিযোগ ১২ বছর আগেই মীমাংসা হয়েছে। এতে দুর্নীতি বা অর্থ আত্মসাতের কোন বিষয় ছিল না। নোরাডের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের মতদ্বৈধতা ছিল অনেস্ট ডিজএগ্রিমেন্ট। তবে স্বদেশের সংবাদ মাধ্যমের একটি উল্লেখযোগ্য অংশে যা প্রকাশিত হয়েছে তাতে অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছেন উল্লেখ করে তহবিল স্থানান্তর নিয়ে ইউনূস বলেন, ‘গরিব মানুষের জন্যই এটা করা হয়েছে। এটা ছিল নিষ্পাপ মতানৈক্য।’ পরে তার নিষ্পত্তি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিমত ও পরামর্শ অনুযায়ী সিডাসহ সব দাতা সংস্থার টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে।’এক প্রশ্নের জবাবে ইউনূস বলেন, ‘কর ফাঁকি দেয়ার কোন বিষয় এতে ছিল না। প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ানো এবং খরচ কমানোর জন্যই এটা করা হয়েছে। আর কর রেয়াতের অর্থ দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শেই দুর্যোগ মোকাবিলায় তহবিল গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সামপ্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব বিবেচনা। রাজনীতিবিদদের দেয়া পরস্পরবিরোধী বক্তব্য প্রসঙ্গে ড. ইউনূসের জবাব ছিল, বিষয়টিকে রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে দেখছি না। তবে এতে দেশের মানুষ কষ্ট পেয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংককে সৎ প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে যেন কোন দুর্নীতি না ঢুকে সেজন্য সব সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়। অপর এক প্রশ্নে তিনি বলেন, বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে কতদিন থাকবো বা থাকবো না। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, এর মালিক গ্রাহকরা। আর আমি গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামীণ সৃষ্ট অন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সুবিধা, বাড়ি, গাড়ি, ভাতা কিছুই পাই না। গ্রামীণ ব্যাংক বা গ্রামীণ পরিবারের কোন প্রতিষ্ঠানে আমার কোন মালিকানাও নেই। প্রামাণ্যচিত্র প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত কি ধরনের পদক্ষেপ নেয়া যায় এমন ভাবনার কথা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, দারিদ্র জয় আমাদের স্বপ্ন। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০৩০ সালের মধ্যে লক্ষ্য পূরণ সম্ভব বলেও তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।
ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়
২০০৭ সালে সামরিক বাহিনীর সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় একটি রাজনৈতিক দল গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস- একথা উল্লেখ করে আবার রাজনীতিতে নামার ইচ্ছা আছে কিনা- এমন প্রশ্নে নাগরিক শক্তি নামের রাজনৈতিক দলের উদ্যোক্তা ড. ইউনূস রাজনীতিতে যোগ দেয়ার কথা নাকচ করে বলেন, ‘ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়।’ মিডিয়া নিয়েও সামাজিক ব্যবসা হতে পারে। কারণ মিডিয়া কোন ব্যক্তির নয়, সকলের। এক প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিডিয়ানির্ভর সামাজিক ব্যবসা নিয়ে আলোচনা চলছে। তা হবে মানুষের কল্যাণে; মুনাফার জন্য নয়। মিডিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ত্রুটি ছিল স্বীকার করে ড. ইউনূস বলেন, সামনের দিনগুলোতে এ বিষয়ে সমস্যা হবে না। এক প্রশ্নে তিনি বলেন, নরওয়েজিয়ান সাংবাদিক আমাদের অফিসের সঙ্গে বিভিন্ন সময় ফোনে কথা বলেছেন। তবে নানা ব্যস্ততায় আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় নি।
নরওয়ের টেলিভিশন ও বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত দাতাদেশগুলোর দেয়া ৬০ কোটি ৮০ লাখ নরওয়েজিয়ান ক্রোনার গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামীণ কল্যাণ নামের প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের অভিযোগে সৃষ্ট বিতর্ক নিয়ে দেড়ঘণ্টার সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বক্তব্যে ড. ইউনূস বলেন, নরওয়ে সরকারের অনুসন্ধানে ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য নেয়া অর্থ গ্রামীণ কল্যাণে স্থানান্তরের অভিযোগ ১২ বছর আগেই মীমাংসা হয়েছে। এতে দুর্নীতি বা অর্থ আত্মসাতের কোন বিষয় ছিল না। নোরাডের সঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের মতদ্বৈধতা ছিল অনেস্ট ডিজএগ্রিমেন্ট। তবে স্বদেশের সংবাদ মাধ্যমের একটি উল্লেখযোগ্য অংশে যা প্রকাশিত হয়েছে তাতে অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছেন উল্লেখ করে তহবিল স্থানান্তর নিয়ে ইউনূস বলেন, ‘গরিব মানুষের জন্যই এটা করা হয়েছে। এটা ছিল নিষ্পাপ মতানৈক্য।’ পরে তার নিষ্পত্তি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিমত ও পরামর্শ অনুযায়ী সিডাসহ সব দাতা সংস্থার টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে।’এক প্রশ্নের জবাবে ইউনূস বলেন, ‘কর ফাঁকি দেয়ার কোন বিষয় এতে ছিল না। প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ানো এবং খরচ কমানোর জন্যই এটা করা হয়েছে। আর কর রেয়াতের অর্থ দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শেই দুর্যোগ মোকাবিলায় তহবিল গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সামপ্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব বিবেচনা। রাজনীতিবিদদের দেয়া পরস্পরবিরোধী বক্তব্য প্রসঙ্গে ড. ইউনূসের জবাব ছিল, বিষয়টিকে রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে দেখছি না। তবে এতে দেশের মানুষ কষ্ট পেয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংককে সৎ প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে যেন কোন দুর্নীতি না ঢুকে সেজন্য সব সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়। অপর এক প্রশ্নে তিনি বলেন, বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে কতদিন থাকবো বা থাকবো না। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, এর মালিক গ্রাহকরা। আর আমি গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামীণ সৃষ্ট অন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সুবিধা, বাড়ি, গাড়ি, ভাতা কিছুই পাই না। গ্রামীণ ব্যাংক বা গ্রামীণ পরিবারের কোন প্রতিষ্ঠানে আমার কোন মালিকানাও নেই। প্রামাণ্যচিত্র প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত কি ধরনের পদক্ষেপ নেয়া যায় এমন ভাবনার কথা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, দারিদ্র জয় আমাদের স্বপ্ন। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০৩০ সালের মধ্যে লক্ষ্য পূরণ সম্ভব বলেও তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।
ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়
২০০৭ সালে সামরিক বাহিনীর সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় একটি রাজনৈতিক দল গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস- একথা উল্লেখ করে আবার রাজনীতিতে নামার ইচ্ছা আছে কিনা- এমন প্রশ্নে নাগরিক শক্তি নামের রাজনৈতিক দলের উদ্যোক্তা ড. ইউনূস রাজনীতিতে যোগ দেয়ার কথা নাকচ করে বলেন, ‘ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়।’ মিডিয়া নিয়েও সামাজিক ব্যবসা হতে পারে। কারণ মিডিয়া কোন ব্যক্তির নয়, সকলের। এক প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিডিয়ানির্ভর সামাজিক ব্যবসা নিয়ে আলোচনা চলছে। তা হবে মানুষের কল্যাণে; মুনাফার জন্য নয়। মিডিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ত্রুটি ছিল স্বীকার করে ড. ইউনূস বলেন, সামনের দিনগুলোতে এ বিষয়ে সমস্যা হবে না। এক প্রশ্নে তিনি বলেন, নরওয়েজিয়ান সাংবাদিক আমাদের অফিসের সঙ্গে বিভিন্ন সময় ফোনে কথা বলেছেন। তবে নানা ব্যস্ততায় আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় নি।
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি