Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

 যুক্তরাষ্ট্রে আজ মধ্যবর্তী নির্বাচন:রাজনৈতিক অগ্নিপরীক্ষায় প্রেসিডেন্ট ওবামা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 80 বার

প্রকাশিত: November 2, 2010 | 1:10 AM

ইব্রাহীম চৌধুরী, নিউইয়র্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ডে গত রোববার নির্বাচনী প্রচারণার সময় স্থানীয় এক �যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ডে গত রোববার নির্বাচনী প্রচারণার সময় স্থানীয় এক নাগরিকের সঙ্গে হাত মেলান প্রেসিডেন্ট ওবামা:এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার মধ্যবর্তী নির্বাচন। ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জন্য এটি রাজনৈতিক অগ্নিপরীক্ষা হবে বলে আভাস পাওয়া গেছে। সর্বশেষ জনমত জরিপ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল রিপাবলিকান দলের অনুকূলে যেতে পারে। কংগ্রেসে নিম্নকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে রিপাবলিকান দলের পক্ষ থেকে দৃঢ় প্রত্যয় ও আশাবাদের কথা শোনা যাচ্ছে। কমপক্ষে ৫০টি আসনে বিপুল ভোটে তারা জয়ী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ডেমোক্রেটিক দলের পক্ষ থেকে মার্কিন কংগ্রেসের ১০০ আসনের উচ্চকক্ষে (সিনেট) সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চেষ্টা চলছে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর সর্বশেষ নির্বাচনী ভাষণে দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘মঙ্গলবারের নির্বাচনে আবারও বলার সুযোগ আছে, আমরাও পারি।’ তবে বারাক ওবামা গত শনিবার শিকাগোর এক সমাবেশে বলেন, এই নির্বাচন যে খুব কঠিন হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। ইলিনয়ে খুব হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। দেশজুড়েই হবে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
নিউইয়র্ক টাইমস-এর সর্বশেষ প্রাক-নির্বাচনী জরিপে দেখা গেছে, ডেমোক্রেটিক দলের নিয়ন্ত্রণে থাকা ২৯টি আসনেই রিপাবলিকানরা এগিয়ে। আগের ৪২টি ডেমোক্রেটিক-নিয়ন্ত্রিত আসনে রিপাবলিকানরা প্রায় সমানে সমান। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোর মধ্যে অর্ধেকে রিপাবলিকানদের জয় হলে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ সহজেই তাদের হাতে চলে যাবে। ওয়াশিংটন পোস্ট-এর জরিপ অনুযায়ী, কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে ডেমোক্রেটিক পার্টির অবস্থান এখন হুমকির মুখে।
সিনেট আসনের মধ্যে কলারাডো, ইলিনয়, নেভাডা, পেনসিলভানিয়া ও ওয়াশিংটন আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ডেমোক্রেটিক পার্টির পক্ষ থেকে সিনেটে অন্তত একটি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা রক্ষার চেষ্টা চলছে।
রিপাবলিকানরাও বসে নেই। ওহাইও অঙ্গরাজ্যের কলম্বাস নগরে বিশাল সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রভাবশালী রিপাবলিকান নেতা জন বয়েনার বলেন, ওয়াশিংটনকে বদলে দেওয়ার চেনা প্রতিশ্রুতিতে আর বিভ্রান্ত হওয়ার অবকাশ নেই। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দল কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে জন বয়েনারই স্পিকার মনোনীত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নির্বাচনে ১৯৯৪ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ওই সময় ৫৪টি আসনে জয়ী হয়েছিল রিপাবলিকান পার্টি। এর মাধ্যমে মার্কিন কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের টানা চার দশকের আধিপত্যের অবসান ঘটে। তবে ২০১০ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। মাত্র দুই বছর আগে ক্ষমতায় এসেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা; নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী, সব নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যবিমা প্রণয়নের মতো যুগান্তকারী সংস্কারের পদক্ষেপ নিয়েছেন। সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের যুদ্ধনীতি থেকে ধীরে ধীরে সরে আসছেন তিনি। ক্ষমতা গ্রহণের শুরুতেই অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য তিনি কল্যাণকর নানা পদক্ষেপে নিয়েছেন।
এর পরও জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবের সমন্বয় ঘটেনি। যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার এখনো প্রায় ১০ শতাংশ। অর্থনৈতিক মন্দা আশানুরূপভাবে কাটছে না। আবাসন খাতসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায় চরম দৈন্য চলছে। ব্যাংক-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানে রুগ্ণ ভাব বিরাজ করছে। এসব কারণে বর্তমান সরকার নিয়ে হতাশ মার্কিন জনগণ। ডেমোক্র্যাটদের এই দুর্বলতাকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে রিপাবলিকান পার্টি। উচ্চাভিলাষী সংস্কার কর্মসূচি, ব্যয়বাহুল্য এবং সরকারের আধিপত্যের বিরুদ্ধে রিপাবলিকানদের এই প্রচারণা অনেকাংশে সফল হয়েছে। কংগ্রেসের সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য রিপাবলিকানদের ৩৯ আসনের প্রয়োজন হলেও এ সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়ে যাবে বলে মার্কিন বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ