Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

নিউইর্য়ক পুলিশে ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশি-আমেরিকান আলম প্রিন্স

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 127 বার

প্রকাশিত: April 29, 2023 | 10:31 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : নিউইর্য়ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডিতে) ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পেয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান একেএম সফিউল আলম প্রিন্স। ২৮ এপ্রিল শুক্রবার আনুষ্টানিকভাবে পদোন্নতির সনদ গ্রহণ করেন পটুয়াখালী জেলার কৃতিসন্তান একেএম সফিউল আলম প্রিন্স। এ দফা এনওয়াইপিডির প্রায় দুই শতাধিক পদোন্নতি প্রাপ্তদের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পান প্রিন্স। শুক্রবার সকাল ১০ টায় নিউইয়র্কের কুইন্সে অবস্থিত পুলিশ একাডেমিতে জমকালো এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তার হাতে পদোন্নতির সনদ তুলে দেন পুলিশ কমিশনার ডারমট শিয়া।
পটুয়াখালী জেলার কৃতিসন্তান একেএম সফিউল আলম প্রিন্স বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের (বাপার) সাধারণ সম্পাদক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ক্যাপ্টেন সফিউল আলমের পদোন্নতিতে অভিনন্দন জানান সংগঠনটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী, সহপ্রতিষ্ঠাতা লেফট্যাটেন্ট কমান্ডিং ডিটেক্টিভ শামসুল হক সহ বাপার অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ক্যাপ্টেন সফিউল আলম পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের এডভোকেট আকম শাহ আলম ও জাহানারা আলমের কনিষ্ঠ পুত্র। ছাত্রজীবন থেকেই সফিউল আলম অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি কলাপাড়া উপজেলার খেপুপাড়া সরকারী হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং মোজাহের উদ্দীন বিশ্বাস কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পরে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে কৃতিত্বের সাথে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে ২০০০ সালে আমেরিকায় পাড়ি জমান।
এদিকে ২০০৬ সালে নিউইর্য়ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেয়ার পূর্বে তিনি কুইন্স বরো কমিউনিটি কলেজ থেকে ম্যানেজমেন্ট এবং নিউইর্য়ক সিটির জন জে কলেজ থেকে ক্রিমিনাল জাস্টিসের উপর দ্বিতীয় স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০১২ সালে পুলিশের সার্জেন্ট হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে ম্যানহাটনের পি এস এ ফাইভে কর্মরত ছিলেন। এরপর ২০১৭ সালে লেফট্যাটেন্ট পদে পদোন্নতি পেয়ে ৭১ প্রিসিস্কটের ইন্টিগ্রিটি কন্ট্রোল অফিসার (আইসিও) হিসেবে যোগদান করেন । ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পাওয়ার পূর্বে তিনি পুলিশের ট্রান্সপোরটেশন ব্যুরোতে আই.সি.ও হিসেবে কর্মরত ছিলেন । দুই ছেলে জোয়েব, জেইন ও সহধর্মিনী তানজিনা ইসলাম শর্মিকে নিয়ে লং আইল্যান্ডে বসবাস করেন আলম প্রিন্স।
তাঁর এই সাফল্যের পিছনে বাবা-মা, সহধর্মিনী ও ভাই-বোনদের অবদানের পাশাপাশি বন্ধুবান্ধদের অনুপ্রেরণার কথা জানান। এদিকে এনওয়াইপিডিতে তার এই অনন্য কৃতিত্বের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশী আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন (বাপা), এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ ইনক সহ কম্যুনিটির সর্বস্তরের লোকজন।
বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন (বাপার) এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সার্জেন্ট এরশাদ সিদ্দিকী সংবাদমাধ্যমকে জানান, ক্যাপ্টেনের মত পুলিশ বিভাগের শীর্ষপদগুলোর নেতৃত্বে বাংলাদেশিরা আসতে পারলে প্রবাসী বাংলাদেশি কম্যুনিটির মানুষেরা লাভবান হবেন। ক্যাপ্টেনের পরের পদগুলো নির্ধারিত হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। এনওয়াইপিডির বিভিন্ন ইউনিটে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশিরা পুলিশ বিভাগের উচ্চপদগুলোর নেতৃত্বের আসনে আসীন হবে বলে তিনি এ আশা ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে এনওয়াইপিডির সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩৬ হাজার। নিয়মিত বাহিনীতে প্রায় চার শতাধিক বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ডেপুটি ইন্সপেক্টর, ৫ জন ক্যাপ্টেন, ১৩ জন লেফট্যানেন্ট, ৩৭ জন সার্জেন্ট এবং ১২ জন ডিটেকটিভ রয়েছেন। এছাড়া নিউইর্য়ক সিটিতে পুলিশ বিভাগের অধীনে প্রায় সাত শতাধিক ট্রাফিক পুলিশ, স্কুল সেফটি এজেন্ট, পুলিশ কমিউনিকেশন টেকনেশিয়ান, স্কুল ক্রসিং গার্ডসহ বিভাগের অন্যান্য ইউনিটে মোট হাজারের বেশি বাংলাদেশি অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV