Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

উৎসবের রঙে রঙিন নিউ জারসির গ্যালাওয়ে টাউনশীপ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 23 বার

প্রকাশিত: June 19, 2023 | 12:49 PM

সুব্রত চৌধুরী- নিউ জারসি রাজ্যের গ্যালাওয়ে টাউনশীপ গত সতেরো জুন শনিবার উৎসবের রঙে রংগীন হয়ে উঠেছিল।ওইদিন গ্যালাওয়ে টাউনশীপের একটি ভেনুতে হিন্দু জৈন কালচারাল গ্রুপ অব সাউথ জারসির উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল দিনব্যাপী ঘুড়ি ওড়ানো ও রং খেলার উৎসবের।

উৎসবে অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন নিউ জারসি রাজ্যের এসেম্বলিম্যান ডন গার্ডিয়ান, আটলানটিক কাউন্টির শেরিফ এরিক শেফলার, গ্যালাওয়ের কাউন্সিলম্যান মোহাম্মদ ঊমর, আটলানটিক সিটির কাউন্সিলম্যান আনজুম জিয়া, আটলানটিক সিটি স্কুল বোর্ডের সদস্য সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জারসির সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবুল, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব গিয়াসউদদীন পাঠান প্রমুখ ।

ওইদিন সকাল এগারোটার পর বিভিন্ন বয়সী প্রবাসীরা রং বেরংয়ের ঘুড়ি উড়িয়ে আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। বিশেষ করে প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে উৎসবে অংশগ্রহনকারীরা মেতে ওঠে রং খেলায়। তারা গানের সুর মূর্ছণায় অবগাহন করে একে অপরকে হরেক রঙে রাঙিয়ে দেয়, উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে সবার মনপ্রাণ আবালবৃদ্ধবনিতা এই রং খেলার উৎসবে সামিল হয়। অন্যান্য দেশের অভিবাসীরাও উৎসবের রেণু গায়ে মাখতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মেতে ওঠে রংয়ের খেলায়, আর তা উৎসবে ভিন্ন এক মাত্রা এনে দেয়।

রংয়ের উৎসবে প্রবাস প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।তারা সর্বক্ষণ একে অপরের গায়ে রং মেখে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে । কেউ কেউ আবার রং গুলে বন্দুক- পিচকারি দিয়ে সোৎসাহে রং ছেটাতে থাকে। রং গুলা জল ফুরিয়ে যেতেই আবার বন্দুক- পিচকারি ভর্তি করে শিশু- কিশোরদের ছোটাছুটি দেখে অনেক বয়স্ক প্রবাসী নষ্টালজিক হয়ে পড়ে, স্মৃতির জাবর কাটতে থাকে ছোটবেলার হোলি উৎসবের দিনগুলোর।মনের অজান্তেই কেউ কেউ গুনগুন করে সুর ভাঁজে – ‘রাঙ্গিয়ে দিয়ে যাও যাও যাওগো এবার যাবার আগে তোমার আপন রাগে, তোমার গোপন রাগে/ তোমার তরুণ হাসির অরুণ রাগে/ অশ্রুজলের করুণ রাগে…….।’

উৎসবে অংশগ্রহনকারী শ্বেতাঙ্গিনী কলেজ ছাত্রী এঞ্জেলিনা সারা গালে রং মেখে তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি রঙের প্রলেপে ঢেকে যায় মনের মলিনতা, আর তাই মনের মলিনতা ঢাকতেই আমি রংয়ের খেলায় মেতে উঠেছি’।

দিবাকর পশ্চিমাকাশে হেলে পড়তেই সাঙ্গ হয় রং খেলা, এই রং খেলার আনন্দ রেণু গায়ে মেখে প্রবাসী হিন্দুরা গুনগুন করে কবিগুরুর গানের কলি ভাঁজতে ভাঁজতে ফিরে যায় আপনালয়ে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV