ক্যালিফোর্নিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মেধাবী ছাত্র আরিফ মোহাম্মদের মর্মান্তিক মৃত্যু, নিউইয়র্কে শুক্রবার জানাজা
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : মেধাবী ছাত্র আরিফ মোহাম্মদ নাদিম গত ১৯ নভেম্বর রাত প্রায় সাড়ে ১১টা দিকে ক্যালিফোর্নিয়ায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহে… রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১৮ বছর। মৃত্যুকালে সে বাবা-মা, ভাইসহ আত্মীয়স্বজন রেখে গেছে। পরিবারের সঙ্গে তার বসবাস ছিল নিউইয়র্কে। বর্তমানে তার পরিবার থাকে নিউইয়র্কের লংআইল্যান্ড সিটিতে। এক সময় থাকতেন ম্যানহাটনে। আরিফ মোহাম্মদ নাদিমের দেশের বাড়ি নোয়াখালির সোনাইমুড়িতে।
বাবা মাইনুদ্দীন মোহাম্মদ খোকা জানান, আমার ছেলে আরিফ মোহাম্মদ নাদিম ছিল অত্যন্ত মেধাবী। ছোটবেলা থেকেই সে জিনিয়াস। পড়েছিলেন ব্রঙ্কস সায়েন্সে। স্কুলে পড়ার সময়ই বাবাকে বলেছিলেন, বাবা আমি কম্পিউটার সায়েন্সে আমেরিকার বিখ্যাত কলেজে পড়বো। চার ছেলের মধ্যে আরিফ মোহাম্মদ নাদিম সবার বড়। ছেলে ইচ্ছার কথা শুনে বাবা বলেছিলেন কোনো অসুবিধা নেই বাবা, তুমি যেখানে পড়তে চাও আমি সেখানে পড়াবো। অর্থ নিয়ে কোনো চিন্তা করো না। আরিফ মোহাম্মদ নাদিম মেধাবী হওয়ার কারণে সে ফুল স্কলারশিপ পেয়েছিল। আরিফ মোহাম্মদ নাদিমের সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। সে চান্স পেয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ড কাউন্ট্রি কলেজে। এক বছর পর তার বোস্টনে আসার কথা। কিন্তু আরিফ মোহাম্মদ নাদিমের আর বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া হলো না।
আরিফ মোহাম্মদ নাদিমের বাবা মাইনুদ্দীন মোহাম্মদ খোকা জানান, আমি বিষয়টি প্রথমে জানতাম না। আমাকে আমার এক বন্ধু বিষয়টি জানায়। আমি দেখে তো কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে যাই। আমার সোনার ছেলের এই অবস্থা। তিনি বলেন, ঘটনার দিন আরিফ মোহাম্মদ নাদিম তার এক বন্ধুকে এয়ারপোর্টে নামাতে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে তার আরো এক বন্ধু ছিল। আরিফ মোহাম্মদ নাদিম গাড়িটি ক্যাম্পন থেকে নিয়েছিলেন। রাস্তায় কোনো কারণে গাড়িতে সমস্যা দেখা দিলে আরিফ মোহাম্মদ নাদিম গাড়ি থেকে নামেন। ওই সময় তাকে আরেকটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। মারাত্মক আহত অবস্থায় আরিফ মোহাম্মদ নাদিমকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোনোভাবেই আরিফ মোহাম্মদ নাদিমের পরিবার এটা মেনে নিতে পারছেন না। আরিফ মোহাম্মদ নাদিমের বাড়িতে এখন শোকের মাতম। লংআইল্যান্ড সিটি এলাকায় এখন শোকের মাতম। আরিফ মোহাম্মদ নাদিমের বাবা ২১ নভেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হন। সেখান থেকে ছেলের লাশ নিউইয়র্ক নিয়ে আসবেন। এখানে আনার পর শুক্রবার বাদ জুমা নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে আসসাফা মসজিদে। দাফন করা হবে নিউইয়র্কেই।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল