যুক্তরাষ্ট্রে তুষার ঝড় ও শৈত্যপ্রবাহে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩
ইমা এলিস : গত দুই সপ্তাহ জুড়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা, তুষার ঝড় ও শৈত্যপ্রবাহে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ জনে। স্থানীয় সময় ২১ জানুয়ারী রোববার দেশটির একাধিক গণমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে শীত ও তুষারপাতে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তন্মধ্যে টেনেসি, ইলিনয়, পেনসিলভেনিয়া, মিসিসিপি, ওয়াশিংটন, কেনটাকি, নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি উল্লেখ্যযোগ্য। এর মধ্যে টেনেসিতে ১৯ জন এবং ওরেগনে ১৬ জন মারা যান।
এখন পর্যন্ত রিপোর্ট করা মৃত্যুর মধ্যে বেশিরভাগই আবহাওয়া-সংক্রান্ত পরিস্থিতি যেমন- বরফের রাস্তার কারণে গাড়ি দুর্ঘটনা এবং কাছাকাছি হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রায় হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়ে। প্রবল তুষারপাত এবং রাস্তায় বরফের স্তূপ জমার কারণে যানবাহন উল্টে যাওয়া এবং দুর্ঘটনাসহ মহাসড়কগুলোতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি রাজ্যে আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে এনডব্লিউএস। ৭০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ শীতকালীন আবহাওয়ার সতর্কতার আওতায় রয়েছে।
তুষারপাতের সবচেয়ে ভারী সময় এখনো আসেনি উল্লেখ করে এনডব্লিউএস জানিয়েছে, শুক্রবারের মধ্যে নিউ ইয়র্ক এবং কানেকটিকাটে ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষারপাত হতে পারে। বাফেলো, নিউইয়র্কে ইতিমধ্যে ৩০ ইঞ্চি তুষারপাত হয়েছে এবং পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেই পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা এবং দক্ষিণের কিছু অংশে গত সপ্তাহে তীব্র শীত জেঁকে বসেছে। এ সময় বাড়িঘর ও ব্যবসায়িক দফতরগুলো তীব্র ঠান্ডার কারণে উষ্ণ রাখতে গিয়ে বিদ্যুত উৎপাদনে রেকর্ড পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করতে হয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার রাতে মিসিসিপিতে শূন্য-ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। এছাড়া গ্রেট লেকস এবং এর উপরিভাগে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রোববার তুষারপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল