নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ফান্ডের অর্থে ক্রয়কৃত বাড়ির মামলার অ্যাটর্নি জোসেফের সাথে মতনিমিয় সভা (ভিডিও সহ)
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : অ্যাটর্নি জোসেফ ম্যাটেন বলেছেন, জালালাবাদ এসোসিয়েশন ভবন নামের বাড়িটি এখনও ফরক্লোজারে। সাবেক সাধারন সম্পাদক মইনুল ইসলাম নিয়ম বর্হিভূতভাবে সংগঠনের তহবিল থেকে সাড়ে ৩ লাখ ডলার তুলে নিজ নামে তৈরি করা প্রতিষ্ঠানের নামে এস্টোরিয়ায় বাড়িটি ক্রয় করেন। পরে এই ভবনের বাড়ির নাম দেন ‘জালালাবাদ ভবন’। কিন্তু ম্ইনুল ইসলাম গত ১ বছর ধরে এই ভবনের মর্টগেজ পরিশোধ করছেন না। যার কারনে ওয়াশিংটন ইকুয়েটি ব্যাংক বাড়িটি ফরক্লোজারে দিয়েছে। বাড়িটি ক্রয়কালে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের অর্থ ব্যয় করেছেন মইনুল। আমার ক্লায়েন্টের (এসোসিয়েশন) অর্থ এই বাড়ির সাথে সংশ্লিষ্ঠ। জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নাম লিয়েন হিসেবে রয়েছে বাড়িটিতে। এমতাবস্থায় বাড়িটি ব্যাংক পুরোপুরিভাবে নিয়ে নিলে জালালাবাদ এসাসিয়েশন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
১৮ বৃহস্পতিবার জানুয়ারি জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি বদরুল হোসেন খান। পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক রোকন হাকিম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টি কায়সারুজ্জামান কয়েস ও বদরুন নাহার খান মিতা। এতে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যপারে জালালাবাদের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক রোকন হাকিম বলেন, সংগঠনের অর্থে কেনা বাড়ির ভাড়া তুলছেন মইনুল। তারই (মইনুল) হিসেব মতে মর্টগেজ দেবার পরও ৮ শত ডলার হাতে থাকে প্রতিমাসে। এমতাবস্থায় মইনুল গত ১ বছর ধরে বাড়িটির মর্টগেজ না দিয়ে সব অর্থ আত্মসাৎ করছেন।
মত বিনিময় সভায় প্রমানাদি উত্থাপন করে এটর্নি জোসেফ ম্যাটেন বলেন, বাড়িটি এখনও ফরক্লোজারে রয়েছে। মইনুল কমিটির অনুমোদন না নিয়ে ব্যংক থেকে ২ দফা অর্থ তুলেছে। প্রথম দফায় আব্দুল আজিজের একাউন্টে আড়াই লাখ ডলার ট্রান্সফর করে। পরে অবশ্য তা ফান্ডে ফেরত আসে। পরে নিজ সংগঠনের নামে বাড়ি কিনতে সাড়ে ৩ লাখ ডলার তুলে ফেলে। মজার বিষয় হচ্ছে, এই বাড়ি কিনতে ব্রোকারিজ ফি বাবদ দেখানো হয়েছে ৮৭ হাজার ডলার। অথচ এই ব্রোকারিজ কোম্পানীর মালিকও মইনুল। তার সকল অপকর্ম ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মাননীয় আদালত তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক রায় প্রদান করবে।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি