Sunday, 7 June 2026 |
শিরোনাম
SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

মিশিগানে পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশি তরুণ রাজি নিহত, পুলিশ কর্মকর্তারা জানান আত্মরক্ষার্থে ১০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 135 বার

প্রকাশিত: April 18, 2024 | 8:48 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : মিশিগানে পুলিশের গুলিতে হোসেন আল রাজি (১৮) নামে এক বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ রাজিকে হত্যা করা হয়েছে। ১২ এপ্রিল শুক্রবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


ওয়ারেন সিটি পুলিশের এক কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, দুপুরে ৯১১ এ পরিবারের পক্ষ থেকে একটা ফোন আসে। সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা সেখানে পৌঁছান। পুলিশ কর্মকর্তারা ওই যুবকের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখতে পান এবং অস্ত্র ফেলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু ওই যুবক তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করে পুলিশ কর্মকর্তাদের দিকে অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসেন। পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা আত্মরক্ষার্থে ১০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। পরে আহত অবস্থায় যুবককে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্য ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা মোহাম্মদ আতিক হোসেনের ভাষ্যমতে, দুপুরের দিকে নিহত রাজির মা ও রাজির ভাই , হোসেন আল রাজি অসংলগ্ন আচরণ করছে বলে জানান। তখন ৯১১ এ কল দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের সাহায্য চাওয়া হয় যাতে ছেলেকে হাসপাতালে নেওয়া যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশ আসলে তারা নিরাপদ স্থানে আছি কি না জানতে চাইলে, তিনি জানান তারা গ্যারেজের গাড়ির ভেতর আছেন। বলার কিছু সময়ের মধ্যে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পান, এবং কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের ডেকে সবাইকে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে নিয়ে জবানবন্দি নেন। বিকেল ৪টার দিকে খবর আসে রাজি মারা গেছে। আতিক হোসেন বলেন, অ্যাম্বুলেন্সের সাহায্য চাইলাম ছেলেকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য আর পুলিশ আমার ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেললো। কি এমন অপরাধ করলো আমার ছেলে, যে কারণে ওকে গুলি করে মারতে হলো। তিনি মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশি-আমেরিকান সবার সাহায্য-সহযোগিতা চেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
Situs Streaming JAV