নিউইয়র্কে বাংলাদেশী-আমেরিকান এনওয়াইসিটি’র বর্ণিল ফ্যামিলি নাইট (ভিডিও সহ)
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : বাংলাদেশী-আমেরিকান এনওয়াইসিটি’র ব্যতিক্রমী ফ্যামিলি নাইটে উপস্থিত সকলের আনন্দ-উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠেছিলো কুইন্সের জয়া পার্টি হল। শুভেচ্ছা বিনিময়, আড্ডা, সংক্ষিপ্ত বক্তব্য, নাচ-গান, র্যাফল ড্র আর বিনোদন ছিলো অনুষ্ঠানের কর্মকান্ড। শিশু-কিশোর-কিশোরীদের আনন্দের জন্য ছিলো ভিন্ন আয়োজন। অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো যোগ দিয়েছিলেন নিউইয়র্ক সিটির এমটিএ’র শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা। সেই সাথে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহন আর সমর্থন সব মিলয়ে একটি সফল অনুষ্ঠান হলো কোন সংগঠন ছাড়াই সিটির এমটিএ-তে কর্মরত বাংলাদেশীদের ফ্যামিলি নাইট। 
নিউইয়র্কের উডহ্যাভেন বুলেভাডের জয়া পার্টি হলে গেলো শুক্রবার ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয় উল্লেখিত ফ্যামিলি নাইট। জানা যায়, সিটির এমটিএ-তে ৭ শতধিক বাংলাদেশী বিভিন্ন পদে কর্মরত। তাদের নেই কোন সংগঠন। তবে পারষ্পারিক সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি জোরদারের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের বিনোদনের জন্য প্রতি বছর আয়োজন করা হয় ফ্যামিলি নাইট। এজন্য অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটি গঠন করে চলে তার কার্যক্রম। এবার এই কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন ষ্টেশন এজেন্ট রোকশানা বেগম। তার নেতৃতে গঠিত কমিটি চমৎকার অনুষ্ঠান আয়োজন করে উপস্থিত সকলের মন কাড়ে। খবর ইউএনএ’র।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনওয়াইসটি’র প্রেসিডেন্ট রিচার্ড ডেভি, বিশেষ অতিথি ছিলেন এনওয়াইসটি’র চীফ অফিসার (স্টেশন ডিপার্টমেন্ট) সেলিনা হুটশন, পরিচালক (কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার) গারম্যানি জ্যাকসন, আরটিও জেনারেল সুপারেনটেন্ট (ট্রেন অপারেশন) ফারহাদুল ইসলাম, টিডব্লিউ লোকাল ১০০ ইউনিয়ন-এর প্রেসিডেন্ট রিচার্ড ডেভিস, সেক্রেটারী অব ট্রেজারার জন চ্যারিলো, ভাইস প্রেসিডেন্ট (স্টেশন ডিভিশন) রবার্ট কেলি, ডিভিশন রেকডিং সেক্রেটারী (স্টেশন) শামীম আহমেদ এবং সাবেক এমপি ও সাপ্তাহিক ঠিকানা’র সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি এমএম শাহীন।
সিটির এমটিএ-তে কর্মরতদের রেজিষ্টেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। আনুষ্ঠানিক পর্ব শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফামিলি নাইট আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ষ্টেশন এজেন্ট রোকশানা বেগম। এরপর আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। লক্ষনীয় বিষয় ছিলো যে, বক্তব্য পর্বে অতিথিরা ২/১ মিনিটের মধ্যেই তাদের বক্তব্য শেষ করলেও তাদের বক্তব্যে ছিলো অনুষ্ঠানের প্রশংসার পাশাপাশি সিটি প্রশাসনে বাংলাদেশীদের অর্জন আর গৌরবের কথা। তারা বলেন, সিটির বিভিন্ন সেক্টরে বিশেষ করে এমটিএ-তে কর্মরত বাংলাদেশীরা তাদের যোগ্যতাবলেই এগিয়ে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে পৃষ্ঠপোষক রিয়েল এস্টেট ইনভেষ্টর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তোফায়েল চৌধুরী, স্যানম্যান এক্সপ্রেস-এর সিইও মাসুদ রানা তপন প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানের মাঝে মাঝে এমটিএ-তে কর্মরত বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীল বাংলাদেশীরাও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশী-আমেরিকান সুপারেনটেন্ট তারেক আহমেদ অনুষ্ঠনে এমটিএ’র বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশীদের গ্রুপে গ্রুপে পরিচয় করিয়ে দেন। সমগ্র অনুষ্ঠান যৌথভাবে পরিচালনা করেন ষ্টেশন সুপারভাইজার আনাফ আলম ও ষ্টেশন এজেন্ট প্রমিতা সুমি।
বিনোদন পর্বে বাংলাদেশী-আমেরিকান এনওয়াইসিটি’র সদস্যরা কবিতা আবৃতি ও সঙ্গীত এবং তাদের পরিবারের সন্তানরা নত্যৃ পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে গ্রুপ নৃত্য পরিবেশন করে সুপ্তি, সানভি ও হেয়া, একক নৃত্য পরিবেশন করেন প্রিয়ন্তী পাল, কবিতা আবৃত্তি করেন ষ্টেশন সুপারভাইজার অশোক ভ্রম্মাচারী ও ষ্টেশন এজন্ট দীপক দাস। সঙ্গীত পরিবেশন করেন ষ্টেশন এজেন্ট গোপাল দাস ও তার স্ত্রী অপর্ণা রায়, একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন ষ্টেশন এজেন্ট কাঞ্চন দাস ও বাস অপারেটর মাসিতুল্লাহ। অনুষ্ঠানের প্রধান শিল্পী ছিলেন ত্রিনিয়া হাসান। উপস্থিত অনেকেই গানের তালে তালে সুর মিলিয়ে নেচে নেচে এই পর্ব উপভোগ করেন।
অনুষ্ঠানটি আয়োজন কমিটিতে আরো ছিলেন শামীম আহমেদ, আজাদ তালুকদার, এনামুল হক জনি, যোবায়ের আহমেদ, কৌশিক বিশ্বাস, সাইফ আজাদ, দীপক দাস, গোপাল দাস, মোহাম্মদ মাসুম, কাঞ্চন দাস, মমিন হোসাইন, সুজন সাহা, শফওয়ান চৌধুরী, সামাদ মিয়া ও রুশদী হক।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি