ঢাকায় আমেরিকা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র ‘বিজনেস নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড ডিনার’
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, ঢাকা : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আমেরিকা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এবিসিসিআই) সামাজিক সম্মিলন (সোশ্যাল গেটটুগেদার) অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। ২৩ ডিসেম্বর সোমবার রাতে রাজধানী ঢাকার হোটেল ওয়েস্টিনে এ আয়োজনে শতাধিক ব্যবসায়ী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিজনেস নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড ডিনার’।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ১ কোটি ৩০ লাখ বিদেশে আছে। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স অর্থনীতির চালিকাশক্তি। দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত আন্দ্রে কার্সটেন্স, এবিসিসিআইর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার জরুরি। এটি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ হিন্দু সংখ্যালগু নির্যাতন নিয়ে একটি ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বক্তারা বলেন, এই সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সহায়ক হবে। অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা জরুরি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় ব্যবসায়িক গন্তব্য। গত এক দশকে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে ৬% অতিক্রম করেছে। যেটি ব্যতিক্রম এবং সম্ভাবনাময়। দেশের যুবসমাজ, যারা তরুণ, উদ্যমী এবং দ্রুতগতিতে বাড়ছে, এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনার মূল চালক। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৬০% এর বেশি ৩০ বছরের নিচে। এই জনমিতিক বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবিধা, ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং তাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে। এর সঙ্গে মিলিয়ে, বাজার বৃদ্ধির এবং বিনিয়োগের বিশাল সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য মিশন। এই মিশনটি মূলধারার আমেরিকান ব্যবসায়ী, প্রবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) ব্যবসায়ী এবং পেশাদারদের একটি দল নিয়ে গঠিত হবে। যারা বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতকে প্রতিনিধিত্ব করবে এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং ব্যবসাকে করবে আরও সহজতর। এই মিশনের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা। বাংলাদেশ-আমেরিকা চেম্বার অব কমার্স এবং বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিনের সহযোগিতায় এই মিশন বিদেশি বাণিজ্য এবং বিনিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকারি কর্মকর্তাদের, শিল্প নেতারা এবং ব্যবসায়িক সংস্থাগুলোর সাথে যুক্ত থেকে, এই মিশন বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করবে। এর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য হলো- বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনাগুলি সম্পর্কে মাঠপর্যায়ের তথ্য জানা এবং মিশনের ব্যবসায়িক সম্ভাবনাগুলি অন্বেষণ করা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডেন্ট আসেফ বারী, সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ আর সোলায়মান, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসাইন, বিজনেস আমেরিকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক এনাম, ব্যবসায়ী নেতা হাসানুজ্জামান, বারী গ্রুপের চেয়ারম্যান মুম্মুন হাসিনা বারী, বেলাল চৌধুরী, গোলাম ফারুক ভুইয়া প্রমুখ।
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women