Sunday, 6 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations
সব ক্যাটাগরি

বাংলা ক্লাব নিউইয়র্ক ইউএসএ’র পিঠা উৎসব : বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ঐতিহ্যবাহী পিঠার সমাহার! (ভিডিও সহ)

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 167 বার

প্রকাশিত: February 9, 2025 | 3:17 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে বাঙালীদের অন্যতম সামাজিক সংগঠন বাংলা ক্লাব নিউইয়র্ক, ইউএসএ ইনক’র পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ৭ ফেব্রুয়ারী। আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ঐতিহ্যবাহী পিঠার সমন্বয় ঘটিয়ে এদিন সন্ধ্যায় ব্রঙ্কসের বারী পার্টি সেন্টারে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে সংগঠনটি। বাংলাদেশের গ্রাম বাংলার সংষ্কৃতির এ পিঠা উৎসবটি পরিণত হয় বাঙালীদের মিলন মেলায়। উচ্চারিত হয় বাঙালী সংস্কৃতির জয় গান। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন’র।
পিঠা উৎসবে বিভিন্ন স্বাদের দেশীয় ঐতিহ্যবাহী মুখরোচক পিঠার প্রাচুর্য দেখা যায়। দেশীয় সাজে সজ্জিত হয়ে বাংলা ক্লাব পরিবার হাতে তৈরী বাংলার ঐতিহ্যবাহী নানান আকৃতি, নানান স্বাদ আর রঙের পিঠা নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন। উৎসবে বাসায় তৈরী পিঠা আনার প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠেন যেন আয়োজকরা।
আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ঐতিহ্যবাহী সব পিঠাই তাদের এ উৎসবে ছিল। ভাপা পিঠা, পাটিশাপটা পিঠা, চিতুই পিঠা, জিলাপী পিঠা, রসভরা পিঠা, পুলি পিঠা, নক্সি পিঠা, কলা পিঠা, ফুলঝুরি পিঠা, ভালবাসার পিঠা, বুলশা, বিবিখানা, তেলেপিঠা, চানার সন্দেষ, গজাগজা, পাকুনপিঠা, মাংশেরপিঠা, নারিকেল পুলি, নিমকি, চুপতি পিঠা, ঝালপিঠা, সাবুদানার, ডালপুরি, ডালপাকন সহ হরেক রকম মজার মজার পিঠার মৌ মৌ সুবাসে চারদিক ভরপুর করে রাখে। সারি সারি পিঠার এ উৎসব ক্ষনিকের জন্য হলেও বাংলাদেশের শীতকালীন দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয় প্রবাসীদের। নষ্টালজিক অনুভুতি কিছঝুটা হলেও নিউইয়র্কের বাঙালিরা অনুভব করেছে এদিন।


এসব পিঠা সকলের জন্যে ছিল ফ্রী। গভীর রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠান উপভোগ করেন আগতরা। উৎসবে যোগ দেয়া হলভর্তি অতিথিদের তৃপ্তি মিটিয়েও পিঠার বিপুল ভান্ডার থেকে যায় অনুষ্ঠান শেষে। অনেকে বাড়ি নিয়ে যান স্বাদের সেসব পিঠা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম। সংগঠনের সভাপতি আবুল কালাম পিনুর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সহ সভাপতি মো. মমিনুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সারাহ কেয়ারের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এ খালেক ও পরিচালক এডভোকেট রেদওয়ানা রাজ্জাক, বাংলাদেশ সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভুইয়া (রুমি)।
অন্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন. সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সোনার বলাই, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট মাঈন উদ্দিন নটু, লিপি আক্তারসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাংলা ক্লাব ইউএসএ’র সদস্যরা স্বপরিবারে অংশ নেন। মহিলা ও নতুন প্রজন্মের উপস্থিতিতে এটি পরিনত হয় ক্লাব সদস্যদের মিলন মেলায়।
উৎসবমুখর পরিবেশে প্রধান অতিথি আতাউর রহমান সেলিম অন্যান্য অতিথিসহ বাংলা ক্লাব নিউইয়র্ক, ইউএসএ’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী রৌশন আরা কাজল, রোজী সামাদ সহ অন্যান্যরা। দর্শকরা প্রাণভরে উপভোগ করেন মনোজ্ঞ এ আয়োজন।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি আবুল কালাম পিনু, সহ সভাপতি মো. মমিনুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এখানে জন্ম নেয়া ও বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালী সংস্কৃতিকে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। সকলের আন্তরিক সহযোগিতার এই আয়োজন সফল হয়েছে। তারা এ আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সংগঠনকে আরো এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
অথিতিরা মনোমুগ্ধকর এ আয়োজনের জন্য আয়োজকদের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে দেশের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করাতে বাংলা ক্লাব’র এ আয়োজন অসাধারণ।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ