নিউইয়র্কে সাজুফতা সাহিত্য ক্লাব এর মাসিক আড্ডা : ‘কথা-কবিতা-গান’ (ভিডিও সহ)
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে সাজুফতা সাহিত্য ক্লাব এর মাসিক জম্পেশ চা চক্র আড্ডা ছিলো গত ২০ মে মঙ্গলবার। তিতাস মাল্টি সার্ভিসেস এর প্রেসিডেন্ট বি মেহের চৌধুরীর কার্যালয়ে কবিতা কথা গল্প গান দিয়ে সাজানো ছিলো এ সাহিত্য আড্ডা। দিনটি ছিলো রৌদ্রোজ্জল ঝলমল। কবিকুলের মনেও ছিলো আনন্দের ঘনঘটা। দিবসের কর্মশেষে একটু যেনো দম ছাড়া।বিশ্রাম কাজেরই অংশ; যেমন চোখ এবং তাঁর পাতা। চোখ বন্ধ না হলে আবরণে ঢাকা না পড়লে যেমন চোখের আরাম নেই তেমনি কাজের শেষে বিশ্রাম না হলে শরীর মন দুটোই অশান্ত। সেই বিশ্রাম টুকু যদি হয় দিবসের কর্মক্লান্তির পর তা যেনো স্বরগীয় সূধা।
রাত যতো বাড়তে থাকে কবিদের আগমন ততই ঘটতে থাকে। আমাদের ছোট আঙিনায় ঠাঁই দিতে পারছিলাম না। শুরু হলো প্রথমেই কবিতা। কবিতা স্বরচিত করলেন সূধাংশু মন্ডল,,ননী মল্লিক, জালাল ঊদ্দীন রুমি, আবু তাহের চৌধুরী, কামরুন নাহার খানম, মেহের চৌধুরী, ডঃ দলিলুর রহমান, জুলি রহমান।
বাচিকতায় কবিতা পাঠ করলেন কুইন্স থেকে আগত এম এ সাদেক। তিনি মনের মাধুরী মিশিয়ে আবৃত্তি করলেন মেহের চৌধুরীর বিরহীনি বধূ কতবিতাটি। বাচিক শিল্পী মনিকা মন্ডল আবৃত্তি করলেন জুলি রহমান এর মুক্তি যুদ্ধের উপর লেখা গেদু মাঝি কবিতাটি। তিনি খুব ভালোভাবেই কবিতাটি করলেন। এরপর বাচিক শিল্পী এবং সাহিত্য সমালোচক মোঃ ইলয়াস হোসেন জুলি রহমান এর স্নৃতিতে কলমাই কবিতাটি পড়লেন এবং আলোচনাও করলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ নাসির পাঠ করেন পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের কবর কবিতা। তিনি শুধু বাচিকতায় থাকেন নি তিনি কবিতাটির নাট্যরুপ দিয়েছেন। নাট্যজন বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী বাংলার নবাব সিরাজ ঊদ দৌলার মহামূল্যবান ঐতিহাসিক দীর্ঘ রাজনৈতিক বক্তব্য বা ভাসন পুরোটাই মুখস্ত নাটকীয় কায়দায় উপস্থাপন করে উপস্থিত কবিকুল তথা দর্শকদের হৃদয় জয় করেন।
সর্বশেষ স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন সাজুফতা সাহিত্য ক্লাব এর প্রেসিডেন্ট সব্যসাচী লেখক কবি জুলি রহমান। তাঁর ইংরেজী কবিতার বই দ্যা ফিউগেটিভ সান কবিতার বই থেকে দ্যা ফিউগেটিভ সান কবিতাটিই পড়েন। তিনি ইমরান আলীর নতুন বই-যে আলো শুধু অন্ধকারে জ্বলে বই থেকে দানবের পৃথিবী কবিতাটি পড়েন এবং আলোচনা করেন। ইমরান আলী টিপুর অবর্তমানেই করেন। যা কিছু ভালোবাার স্নেহের আদরের সন্মানের তাঁর উপস্থিতির প্রয়োজন পড়ে না।
কথা বলেন সংগঠক কাজী রবীউজ্জামান। উপস্থিত ছিলেন আফজাল হোসেন, নবী মোহাম্নদ। গান করেন শিল্পী শাকিলা রুনা ও ইকবাল আহমদ বাবলা ও কামরুন নাহার খানম। সমগ্র অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন রেজা আব্দুল্লাহ।
সন্ধার চা চক্র গড়াতে গড়াতে রাত্রিই চলে এলো। ছিলো কাঁচা আমের ভর্তা। ছোলা বুট, মুড়ি, চা। কোহিনূরের সুস্বাদু পানের খিলি। গরুর নিহারী ও গার্লিক নান। পরবর্তী অনুষ্ঠান জুনের ২০ তারিখ।
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women