নিউইয়র্ক ডিস্ট্রিক্ট ২০ আর ২ এর সেকেন্ড ভাইস গভর্নর নির্বাচিত হওয়ায় শাহনেওয়াজকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংবর্ধনা (ভিডিও সহ)
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কের বিশিষ্ট বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক শাহ নেওয়াজ লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক ডিস্ট্রিক্ট ২০ আর ২ এর সেকেন্ড ভাইস গভর্নর নির্বাচিত হওয়ায় তাকে সংবর্ধনা দিয়েছে নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
১০ জুন উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ অসামান্য অর্জনের জন্য শাহ নেওয়াজকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান লায়ন্স ক্লাব সদস্য, ব্যবসায়ী, মূলধারার বিভিন্ন সংগঠন ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্ব স্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এ সময় শাহ নেওয়াজের সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিনী ও আজকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সঙ্গীতশিল্পী রানো নেওয়াজ।
লায়ন শাহ নেওয়াজ নিউইয়র্কের আজকাল পত্রিকার সম্পাদক, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টিবোর্ড চেয়ারম্যান, গোল্ডেন এজ হোম কেয়ার ও এনওয়াই ইন্সুরেন্সের প্রেসিডেন্ট। শাহ নেওয়াজ গ্রুপের অধীনে প্রায় এক ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে অসংখ্য বাংলাদেশির চাকুরি হয়েছে। কমিউনিটির কল্যাণে দীর্ঘদিন কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন মূলধারার রাজনীতির সঙ্গেও। স্বপ্ন দেখেন দেশের বাইরে বাঙালি কমিউনিটির আরও শক্ত ভিত গড়ার এবং প্রবাসী আয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করার। এই চলার পথে ছিল অনেক চ্যালেঞ্জ ও বাধা বিপত্তি। আর এই পুরো পথ অতিক্রম করেছেন কঠোর পরিশ্রম, সততা ও নিষ্ঠার সাথে। এ পথে তাকে সাপোর্ট করে গেছেন তার সহধর্মিনী রানো নেওয়াজ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কমিউনিটির গন্ডির বাইরে গিয়ে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ডিস্ট্রিক্ট পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় পদে আসীন হওয়া শুধু শাহ নেওয়াজের জন্যই নয় বরং তা পুরো কমিউনিটির জন্যই গৌরবের ও সম্মানের। একই সঙ্গে তা সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ও সেবামূলক কাজে বাংলাদেশি কমিউনিটির উত্তরণ, সমৃদ্ধি ও সুদৃঢ় অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ। এ পথ ধরে ভবিষ্যতেও মূলধারায় বিভিন্ন সংগঠনের বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রভাব বাড়বে, তারা সেসব স্থানে নেতৃস্থানীয় পদে আসীন হবে। বক্তারা কমিউনিটির প্রতি লায়ন শাহ নেওয়াজের অবদান স্বীকার করে ভবিষ্যতেও কমিউনিটির পাশে থাকার আশা ব্যক্ত করেন।

সংবর্ধিত অতিথি লায়ন শাহ নওয়াজ বলেন, এই সম্মান আমার একক অর্জন নয়, এটি আপনাদের সকলের ভালোবাসা ও সহযোগিতার ফল। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সমাজ ও মানবকল্যাণে আরও নিবেদিতভাবে কাজ করব। এই দীর্ঘ পথচলায় অনেক বাধা এসেছে, অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। তবে আমি কখনো হাল ছাড়িনি। এই যাত্রাপথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমার সহধর্মিণী রানো নেওয়াজ সব সময় আমার পাশে ছিলেন। তার সাহস, সহনশীলতা আর ভালোবাসা না থাকলে আমার এই পথচলা আরও কঠিন হতো। আমি সব সময় চেষ্টা করেছি প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের মানুষের জন্য কিছু করার-চাকরির সুযোগ, সহযোগিতা কিংবা কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করা।
শাহ নেওয়াজ বলেন, আজ আমি শুধু আমার নিজের জন্য না, আমার দুই সন্তান যেন সৎ, পরিশ্রমী ও মানুষের উপকারে আসে এই প্রার্থনাই করি। তারা যেন সত্যিকারের মানুষ হয়ে বাঙালি কমিউনিটির কল্যাণে অবদান রাখতে পারে এই দোয়া চাই আপনাদের সবার কাছে।
তিনি আরও বলেন, আমি স্বপ্ন দেখি, প্রবাসী বাংলাদেশিরা একদিন একটি সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও সম্মানজনক কমিউনিটি গড়ে তুলবে। যা দেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
অনিক রাজ ও বদরুদ্দোজা সাগর অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, ভাইস প্রেসিডেন্ট কামরুজ্জামান কামরুল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আজহারুল হক মিলন, কাজী আজম, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার ও আজিম উদ্দিন বোরহান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, এম্পায়ার হোম কেয়ার এর লায়ন নুরুল আজিম, নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের প্রেসিডেন্ট রকি আলিয়ান ও সেক্রেটারী লায়ন এএফএম রাসেল, সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাঈদ, লায়ন আহসান হাবীব, এ্যংকর ট্রাভেলসের সিইও এসএম উদ্দিন পিন্টু, সানম্যান এক্সপ্রেসের সিইও মাসুদ রানা তপন, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব জে মোল্লা সানি, রোকন হাকিম, আবু দারদা জোবায়েরসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল