মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির বিষয়টি নাগালের মধ্যে: হিলারি
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, শান্তি আলোচনার ব্যাপারে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের নেতারা ‘প্রতিশ্রুতিশীল ও আন্তরিক’ অবস্থানে রয়েছেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টি ‘নাগালের মধ্যে’ রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার আম্মানে জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংক বলেছে, ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনে সক্ষম। তবে ওই ভূখণ্ড যদি সেখানে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে না পারে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি না বাড়াতে পারে, তাহলে স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়ার পরও তাকে বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হবে।
জর্ডানে সংবাদ সম্মেলনে হিলারি ক্লিনটন বলেন, শান্তি উদ্যোগের বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস উভয়েই আন্তরিক এবং প্রতিশ্রুতিশীল রয়েছেন। তাঁরা দুজনই খুব ‘জটিল তবে প্রয়োজনীয়’ কতগুলো প্রশ্নে একমত হওয়ার চেষ্টা করছেন। তাঁরা দুটি ভিন্ন শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের জুদেহ উপস্থিত ছিলেন।
হিলারি বলেন, নেতানিয়াহু ও আব্বাস সংকট নিরসনের স্বার্থে কিছু কঠিন ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তিনি আশা করেন, এক বছরের মধ্যেই ওই দুই নেতা একটি সমাধানের প্রক্রিয়ায় পৌঁছাতে সমর্থ হবেন। তিনি আরও বলেন, দুটি আলাদা রাষ্ট্র ও তাদের জনগণ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করতে পারে—এমন পরিস্থিতি তাঁরা প্রত্যাশা করেন এবং ওই দুই নেতা সেই প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবেন বলেই তিনি মনে করেন। পশ্চিম তীরে মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে বৈঠক করার পর হিলারি জর্ডান সফর করেন।
আগামী সপ্তাহে নেতানিয়াহু ও আব্বাসের আবার বৈঠক করার কথা রয়েছে।
মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট আব্বাস বলেছেন, উভয় পক্ষের শর্তগুলো কঠিন। তবে আলোচনা ছাড়া তাঁদের সামনে কোনো বিকল্প পথ খোলা নেই। রয়টার্স ও ডন নিউজ অনলাইন।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি