বরিশাল-পটুয়াখালী সমদ্রবন্দর বাস্তবায়ন কমিটি-র সেমিনার ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
নিউইয়র্কঃ গত ১৮ সেপ্টেম্বর, ৩৭-০৭ ৭৪ স্ট্রিট জ্যাকসন হাইটসে বরিশাল পটুয়াখালী সমুদ্রবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির সমুদ্র বন্দর বিষয়ক সেমিনার ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।অনুষ্ঠানে কমিটির প্রেসিডেন্ট কামরুজ্জামান বাচ্চু আগত সাংবাদিক এবং অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ ও বরিশাল এর ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র সংক্ষেপে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন জনপদের মধ্যে বঙ্গ ছিল অন্যতম। যা পরবর্তীতে বাংলা এবং বাংলাদেশ হয়েছে। তাই বাংলাদেশের সাথে বরিশালের একটি আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। শেরে বাংলা একে ফজলুল হক জমিদার প্রথা উচ্ছেদ করে ভূমিহীন চাষী কৃষকদের ভূমি বন্দোবস্ত করেন। যার কারণে দরিদ্র কৃষককূল অর্থনৈতিক মুক্তি পেয়েছিল এবং বাঙ্গালী জাতীর উত্থান হয়েছিল। ১৯৫৪ সালে শেরে বাংলা যুক্তফ্রন্টের মাধ্যমে যে সুস্থ রাজনীতির ধারা প্রবর্তন করেছিল তারি ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে আওয়ামীলীগ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং অবশেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ পাই। বঙ্গঁবন্ধু সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। কিন্তু তা পারেননি। বঙ্গবন্ধুর যোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরিশালের পটুয়াখালী একটি সমুদ্র বন্দর স্থাপন করে তার সেই অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবেন, এই প্রত্যাশা রাখেন সভাপতি কামরুজ্জামান বাচ্চু। এরপর সেমিনারের মূল উপস্থাপক আকা বাবুল প্রাকৃতিকভাবে বরিশালের পটুয়াখালীতে সমুদ্র বন্দর স্থাপনের অনুকুল বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সাগরের গভীর থেকে একটি কেনিয়ান (গভীর গর্ত) ৩০০০ ফিটের মতো পটুয়াখালীর কাছে অবস্থিত।যেখানে সহজেই মাদার ভেসেল আসতে পারবে। যা পৃথিবীর কম দেশেই আছে। বাংলাদেশে কোন মাদার ভেসেল আসতে পারে না। একমাত্র বরিশালের পটুয়াখালীতে সমুদ্র বন্দর স্থাপন হলেই মাদার ভেসেল আসতে পারবে। এরকম পোর্ট করাচি, ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর, পর্তুগাল, নরওয়েতে রয়েছে। এই পোর্ট স্থাপন হলে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, ভারতের পশ্চিম বাংলা, ত্রিপুরা, আসাম সহ ৩০০ মিলিয়ন মানুষ ব্যবহার করতে পারবে। যা থেকে বাংলাদেশ প্রচুর অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ হবে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের তার গবেষনা লব্দ প্রবন্ধ এবং মানচিত্র বিতরন করেন এবং সাংবাদিক ও অতিথিদের প্রশ্নের উত্তর দেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, লুৎফর রহমান লাতু, মোঃ আলতাফ হোসেন, মোঃ এনায়েত উদ্দিন সরদার, মোঃ আব্দুল সালাম আকন্দ, আজিজুল হক মুন্না, কবি সালেম সুলেরী, ড: আব্দুল জব্বার, মো: রুহুল আমিন, সাকিনা ডেনী, ব্যান্ড শিল্পী ঠাকুর ও তার স্ত্রী সহ অনেকে।অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক ছিলেন, কামরুজ্জামান বাচ্চু, আকা বাবুল, রায়ান হাবিব, মাসুদ রহমান।

- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি