‘টাইটানিক’ ডুবেছিল ক্যাপ্টেনের ভুলেই

ইউএসএনিউজএনওয়াই ডেস্ক: প্রায় একশ’ বছর আগে, ১৯১২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে গিয়েছিল পৃথিবীর বৃহত্তম যাত্রীবাহী জাহাজ টাইটানিক। হিমশৈলের আঘাতে ওই জাহাজডুবিতে সহস্রাধিক মানুষের সলিলসমাধি ঘটেছিল। আর সেই বিয়োগান্ত দুর্ঘটনা নিয়ে লেখা ‘গুড অ্যাজ গোল্ড’ নামে নতুন বইতে বলা হয়েছে, সেদিন ক্যাপ্টেনের ভুলেই মর্মান্তিক খেসারত গুনতে হয়েছিল। খবর দ্য টেলিগ্রাফ ও রয়টার্স লাইফ অনলাইনের।
বইটির লেখক এবং টাইটানিকের সেকেন্ড অফিসার চার্লস লাইটোলারের নাতনি লুসি প্যাটেন বুধবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, একশ’ বছর আগের জাহাজডুবির প্রকৃত ঘটনা তার নানা জানলেও বিরূপ সমালোচনার আশঙ্কায় তা ব্যক্ত করেননি। শুধু তার স্ত্রীকেই বলে গেছেন। লুসি জানান, তার জন্মের আগেই নানা মারা যান এবং তিনি নানীর কাছ থেকে টাইটানিকডুবির আদ্যোপান্ত ঘটনা শুনেছেন। তার নানা পেছনের দিকে থাকায় হিমশৈলের সঙ্গে জাহাজের সংঘর্ষ প্রত্যক্ষ করেননি, তবে পরিত্যক্ত ঘোষণার আগে জাহাজের কর্মকর্তাদের চূড়ান্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। লাইটোলার বলে গেছেন, হিমশৈলের সঙ্গে সংঘর্ষ সহজেই এড়ানো যেত। কিন্তু সময়মতো জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করতে না পারায় সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে পড়ে। জাহাজ চালনার দায়িত্বে থাকা ক্যাপ্টেন আশঙ্কাগ্রস্ত হয়ে পড়লে তার ভুল নির্দেশের কারণেই সেটা ঘটেছিল। প্যাটেনের নানা আরও জানিয়ে গেছেন, মারাত্মক ভুল সেটাই ছিল না। সংঘর্ষের পর জাহাজ থামানো হয়নি। সংঘর্ষের পর জাহাজ স্থির দাঁড়িয়ে থাকলে উদ্ধার জাহাজ আসা পর্যন্ত, তা ভাসমান থাকত এবং অত প্রাণহানিও ঘটত না। লুসি প্যাটেনের নানা ছিলেন টাইটানিক জাহাজডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়া সবচেয়ে সিনিয়র কর্মকর্তা।
তিনি জাহাজের লাইফবোট বহরের দায়িত্বে ছিলেন এবং সংঘর্ষের সময় পোর্ট সাইড বা পেছনের দিকে অবস্থান করছিলেন। পরবর্তীকালেও তিনি তার নাবিক জীবন অব্যাহত রাখেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় একটি ছোট সমুদ্রগামী জাহাজের কাপ্তান হিসেবে ডানক্রিক সমুদ্রসৈকতে ব্রিটিশ সেনাদের উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। লুসি প্যাটেন বলেন, টাইটানিকডুবির প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতেই ‘গুড অ্যাজ গোল্ড’ উপন্যাসটি লিখেছেন।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি