বন্দিদের ওপর সিফিলিসের পরীক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমা প্রার্থনা
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: বিগত শতকের ৪০-এর দশকে গুয়াতেমালার বন্দিদের গিনিপিগ বানিয়ে সংক্রামক যৌনব্যাধি সিফিলিসের পরীক্ষা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই পরীক্ষার মূল লক্ষ্য ছিল তখনকার নতুন উদ্ভাবন পেনিসিলিনের কার্যকারিতা পরখ করা। বন্দিদের ওপর গোপনে এ ধরনের একটি পরীক্ষা চালানোর প্রায় ৬৪ বছর পর গত শুক্রবার ক্ষমা চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
গতকাল আরব নিউজ জানায়, শুক্রবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্যাথলিন সেবেলিয়াস আনুষ্ঠানিকভাবে এ দুঃখ প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘এ ধরনের একটি পরীক্ষা চালানো অনৈতিক।’ ১৯৪৬-৪৮ পর্যন্ত এ পরীক্ষা চালানো হয়। সিফিলিসে আক্রান্ত পতিতাদের মাধ্যমে গুয়াতেমালায় বন্দি পুরুষদের এ রোগে আক্রান্ত করা হতো। সেখানে আটক নারী, পুরুষ ও মানসিক রোগীদের সংক্রমিত করে এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হতো। বিবৃতিতে মন্ত্রীদ্বয় বলেন, প্রায় ৬৪ বছর আগে যা ঘটে গেছে, আমরা তার জন্য গভীরভাবে অনুতপ্ত। যাদের এ জঘন্য পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিল আমরা তাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। ম্যাসাচুসেটসের ওয়েলেসলি কলেজের উইমেন স্টাডিজের অধ্যাপক সুসান রিভারবি এক গবেষণাপর্বে গুয়াতেমালার এ ঘটনা জানতে পারেন। মিডিয়ায় তা প্রকাশের পূর্বে তিনি সরকারকে অবহিত করলে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ক্ষমা প্রার্থনা করে। রিভারবি বলেন, ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ৬৯৬ জন নারী-পুরুষের ওই পরীক্ষা চালানো হয়। পরে পেনিসিলিন দেয়া হলেও তাদের সবাইকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, জনস্বাস্থ্য সার্ভিসের চিকিৎসক ডা. জন সি কাটলার সিফিলিসের সংক্রমণ ও টিকাদানের ওই পরীক্ষা চালিয়েছিলেন। ডা. কাটলারই পরে ১৯৬০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত আলাবামায় একই পরীক্ষা চালান।
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি