বাংলাদেশের ৪৪টি মিশনের ছয় মাসের চিত্র :ওয়াশিংটন সহ প্রবাসী মিশনের ২৫টিই রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ
চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস অর্থাৎ জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে বিদেশে বাংলাদেশের ৪৪টি মিশনের মধ্যে ২৫টিই রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। আর সফল হয়েছে ১৯টি মিশন।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, আলোচ্য ছয় মাসে প্রবাসে বাংলাদেশি মিশনগুলো পণ্য রপ্তানিতে আয় করেছে এক হাজার ২৫৯ কোটি ৯৭ লাখ মার্কিন ডলার। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি। কিন্তু আলোচ্য সময়ের এক হাজার ৩০৪ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তা ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ কম।
ইপিবি জানিয়েছে, চলতি অর্থবছর প্রবাসী মিশনগুলো থেকে মোট দুই হাজার ৮০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই হিসাবে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে অর্থবছরের শেষ ছয় মাসে মিশনগুলোকে এক হাজার ৫৪১ কোটি ডলার রপ্তানি আয় করতে হবে।
আলোচ্য সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকারী ১৯টি মিশন মাধ্যমে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩০৯ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। এই আয় ২৮৮ কোটি ৮২ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেশি।
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকারী মিশনগুলো হচ্ছে: মাদ্রিদ, অটোয়া, হাগ, স্টকহোম, ক্যানবেরা, হংকং, দুবাই, মস্কো, কুয়ালালামপুর, কায়রো, জাকার্তা, তাসখন্দ, মানামা, মাসকট, ব্যাংকক, রিয়াদ, ম্যানিলা, দোহা ও কুয়েত। এর মধ্যে সবেচেয়ে বেশি মাদ্রিদ থেকে ৬২ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে। আর হেগ থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৩ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ ২৫টি মিশন হচ্ছে: ওয়াশিংটন, বার্লিন, লন্ডন, প্যারিস, রোম, ব্রাসেলস, টোকিও, আঙ্কারা, নয়াদিল্লি, বেইজিং, সিউল, সিঙ্গাপুর, তেহরান, ইসলামাবাদ, কলম্বো, হ্যানয়, কাঠমান্ডু, আম্মান, রাবাত, ইয়াঙ্গুন, থিম্পু, ত্রিপোলি, ব্রুনাই, নাইরোবি ও প্রিটোরিয়া। এই মিশনগুলো থেকে ৯১২ কোটি ১৩ লাখ ডলার আয় হয়, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ কম।
তবে ব্যর্থ ২৫টি মিশনের মধ্যে ১২টি মিশন গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে বেশি আয় করেছে। বাকি ১৩টি মিশনের রপ্তানি আয় এবারের লক্ষ্যমাত্রা ও গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে।
আলোচ্য সময়ে সামগ্রিকভাবে ওয়াশিংটন মিশন থেকে সর্বোচ্চ ২৬৭ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে। তবে এই আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ কম ও আগের অর্থবছরের চেয়ে মাত্র ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি।
আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯৫ কোটি ডলার আয় করেছে বার্লিন মিশন। আর রপ্তানি আয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে লন্ডন। মিশনটি থেকে আয় হয়েছে ১৩৯ কোটি ডলার।
অন্যদিকে দেশের ১৬টি বৈদেশিক মিশনের বাণিজ্যিক শাখার (উইং) মধ্যে ছয়টি আলোচ্য সময়ে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পেরেছে। তবে ১০টি বাণিজ্যিক শাখা ব্যর্থ হয়েছে।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল