ভালবাসা থাকুক প্রতিদিন : “Love means not heaving to say, You are sorry”
সৈয়দ সাইফুল করিম : পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী ও শক্তিশালী জিনিস হচ্ছে ভালোবাসা। আবার সবচেয়ে দুর্বল শব্দও ভালোবাসা। সবার কাছের ও দূরের এই শব্দ। মাঝে মাঝে আমরা এটাকে চিনতে পারি না ও বুঝতেও পারি না। তবুও আমরা ভালোবাসি। ভালোবাসার জন্য আমরা সব করি। মানুষের ভালোবাসা চিরন্তন। মায়ের জন্য ভালোবাসা, প্রিয়জনের জন্য ভালোবাসা, বন্ধুর জন্য ভালোবাসা, ভাইয়ের জন্য ভালোবাসা, বাবার জন্য ভালোবাসা। ভালোবাসার রূপ ভিন্ন ধরনের।
ভালোবাসার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আর কিছুই নেই মানুষের জীবনে। প্রত্যেকের জীবনেই ভালোবাসার উদ্দীপনা জাগায়, মন্ত্রশক্তি কাজ করে। ভালোবাসা না পেলে অনেক সফল জীবনও ব্যর্থ হয়ে যায়। যে দেশে ৮০% মানুষ দরিদ্রতার মধ্যে বাস করেন, যে দেশে সবার জন্য খাদ্য বাসস্থানের মত পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পূরণ হয় না, যে দেশে সামান্য স্বার্থের জন্য মানুষ পর্যন্ত খুন হয় সে দেশে ভালোবাসা দিবস পালন করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। ভালোবাসা দিবস, পহেলা নববর্ষ, নববর্ষসহ অন্য দিবসগুলোতে আমরা একে অন্যকে অভিনন্দন বা উইস করে থাকি।
সত্যিকার অর্থে ভালোবাসা একটি স্বর্গীয় বিষয়। যার আছে বিশালতা। ভালোবাসা সর্বজনীন একটা ব্যাপার। ধনী-গরীব, হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, বাঙালি, অবাঙালি সবাই এ দিনটিকে বিশেষভাবে পালন করতে চাইলে আমাদের বিন্দু পরিমাণ আপত্তি নেই।
পৃথিবীর যাবতীয় সৌন্দর্যের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে মহান ভালোবাসা। রোমান সম্রাট ক্লদ দুই ও ভ্যালেন্তা নিয়ে একটি প্রচলিত কাহিনী রয়েছে। তখন খ্রিস্ট ধর্মানুসারীদের জেলখানায় বন্দী করা হতো। সে সময় যা ভ্যালেন্তা দয়া পরবশ হয়ে জেলখানায় বন্দীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাকেও বন্দী করা হয়। এক সময় বিচারকের পুরো পরিবার খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে, বিচারকের সদ্য দৃষ্টিপাত কন্যার সঙ্গে ভ্যালেন্তার আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ ঘটনার পর ইতালীতে খ্রিস্টান ধর্মের জন্য ভ্যালেন্তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। ২৭০ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।
অন্যদিকে পাখি বিশারদরা বলছেন অন্য কথা। তাদের মতে, এ দিনে পাখিরা মাইগ্রেট করে। অর্থাত্ পাখিরা সঙ্গী বদল করে। প্রকৃতির নিয়মে যেমন ফুল ফোটে, তেমনি পাখিরা সঙ্গী বদল করে। এ ধারণা থেকে চালু হয় ভালোবাসা দিবস।
আমরা চাই নতুন প্রজন্ম ও প্রতিটি মানুষসহ সত্যিকার ভালোবাসা পতাকাটিকে স্পর্শ করুক। ভালোবাসার স্বর্গীয় আলোয় আলোকিত হোক মানব জীবনের চরাচর। ভালোবাসার কারণেই আল্লাহপাক এই জগত্ময় মানবকুল, সংসার ধর্ম সৃষ্টি করেছেন মহান কুদরত ভালোবাসা।
সুতরাং জীর্ণ এই পৃথিবীর সব কিছুই ক্ষণস্থায়ী। সুন্দরতম এই পৃথিবী ছেড়ে একে একে আমরা সবাই চলে যাব শুধু ভালোবাসা রয়ে যাবে। ইংরেজিতে একটি কথা আছে “Love means not heaving to say, You are sorry” অর্থাত্ ভালোবাসা মানে তুমি কখন দুঃখিত হবে না।
তাই আমাদের সবার কামনা সবার হূদয় হোক ভালোবাসার সোনালী আলোয় আলোকিত। মানুষে মানুষে, সমাজে সমাজে, রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে, মহাদেশে মহাদেশে তথা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ুক ভালোবাসা আর ভালোবাসা। শুধু একদিনের জন্য কেন, ভালোবাসা থাকুক প্রতিদিন ও প্রতিটি মুহূর্তে। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে এই হোক আমাদের সবার প্রতিজ্ঞা।ইত্তেফাক
লেখক :সাংবাদিক
ভালোবাসার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আর কিছুই নেই মানুষের জীবনে। প্রত্যেকের জীবনেই ভালোবাসার উদ্দীপনা জাগায়, মন্ত্রশক্তি কাজ করে। ভালোবাসা না পেলে অনেক সফল জীবনও ব্যর্থ হয়ে যায়। যে দেশে ৮০% মানুষ দরিদ্রতার মধ্যে বাস করেন, যে দেশে সবার জন্য খাদ্য বাসস্থানের মত পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পূরণ হয় না, যে দেশে সামান্য স্বার্থের জন্য মানুষ পর্যন্ত খুন হয় সে দেশে ভালোবাসা দিবস পালন করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। ভালোবাসা দিবস, পহেলা নববর্ষ, নববর্ষসহ অন্য দিবসগুলোতে আমরা একে অন্যকে অভিনন্দন বা উইস করে থাকি।
সত্যিকার অর্থে ভালোবাসা একটি স্বর্গীয় বিষয়। যার আছে বিশালতা। ভালোবাসা সর্বজনীন একটা ব্যাপার। ধনী-গরীব, হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, বাঙালি, অবাঙালি সবাই এ দিনটিকে বিশেষভাবে পালন করতে চাইলে আমাদের বিন্দু পরিমাণ আপত্তি নেই।
পৃথিবীর যাবতীয় সৌন্দর্যের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে মহান ভালোবাসা। রোমান সম্রাট ক্লদ দুই ও ভ্যালেন্তা নিয়ে একটি প্রচলিত কাহিনী রয়েছে। তখন খ্রিস্ট ধর্মানুসারীদের জেলখানায় বন্দী করা হতো। সে সময় যা ভ্যালেন্তা দয়া পরবশ হয়ে জেলখানায় বন্দীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাকেও বন্দী করা হয়। এক সময় বিচারকের পুরো পরিবার খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে, বিচারকের সদ্য দৃষ্টিপাত কন্যার সঙ্গে ভ্যালেন্তার আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ ঘটনার পর ইতালীতে খ্রিস্টান ধর্মের জন্য ভ্যালেন্তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। ২৭০ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।
অন্যদিকে পাখি বিশারদরা বলছেন অন্য কথা। তাদের মতে, এ দিনে পাখিরা মাইগ্রেট করে। অর্থাত্ পাখিরা সঙ্গী বদল করে। প্রকৃতির নিয়মে যেমন ফুল ফোটে, তেমনি পাখিরা সঙ্গী বদল করে। এ ধারণা থেকে চালু হয় ভালোবাসা দিবস।
আমরা চাই নতুন প্রজন্ম ও প্রতিটি মানুষসহ সত্যিকার ভালোবাসা পতাকাটিকে স্পর্শ করুক। ভালোবাসার স্বর্গীয় আলোয় আলোকিত হোক মানব জীবনের চরাচর। ভালোবাসার কারণেই আল্লাহপাক এই জগত্ময় মানবকুল, সংসার ধর্ম সৃষ্টি করেছেন মহান কুদরত ভালোবাসা।
সুতরাং জীর্ণ এই পৃথিবীর সব কিছুই ক্ষণস্থায়ী। সুন্দরতম এই পৃথিবী ছেড়ে একে একে আমরা সবাই চলে যাব শুধু ভালোবাসা রয়ে যাবে। ইংরেজিতে একটি কথা আছে “Love means not heaving to say, You are sorry” অর্থাত্ ভালোবাসা মানে তুমি কখন দুঃখিত হবে না।
তাই আমাদের সবার কামনা সবার হূদয় হোক ভালোবাসার সোনালী আলোয় আলোকিত। মানুষে মানুষে, সমাজে সমাজে, রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে, মহাদেশে মহাদেশে তথা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ুক ভালোবাসা আর ভালোবাসা। শুধু একদিনের জন্য কেন, ভালোবাসা থাকুক প্রতিদিন ও প্রতিটি মুহূর্তে। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে এই হোক আমাদের সবার প্রতিজ্ঞা।ইত্তেফাক
লেখক :সাংবাদিক
সর্বশেষ সংবাদ
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women
- Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
- নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক: এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান
- শিশু ও নারীর কল্যাণে বিনিয়োগ সুরক্ষায় ঋণসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান ড. তিতুমীরের
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ইউএসএ’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভা
- Trump Admin Rescinds Public Charge Rule