Tuesday, 21 July 2026 |
শিরোনাম
ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক: এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান শিশু ও নারীর কল্যাণে বিনিয়োগ সুরক্ষায় ঋণসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান ড. তিতুমীরের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ইউএসএ’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভা Trump Admin Rescinds Public Charge Rule BOROUGH PRESIDENT GIBSON ANNOUNCES SIGNIFICANT INVESTMENTS IN THE BRONX EU and G77 express support for Bangladesh’s smooth and sustainable LDC graduation নিউইয়র্কে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের সঙ্গে ইইউ ও জি-৭৭-এর প্রতিনিধিদলের বৈঠক: বাংলাদেশের মসৃণ ও টেকসই এলডিসি উত্তরণে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাজ্যে সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে তিন দলের সমঝোতা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 144 বার

প্রকাশিত: March 19, 2013 | 7:40 AM

ব্রিটেনে সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণে আইনগত ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে কয়েক দিন ধরে আলাপ-আলোচনার পর গত রোববার মধ্যরাতের পর সরকার ও বিরোধী দল একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে।
এর আগে গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন প্রধান তিন দলের শীর্ষনেতাদের আলোচনায় সমঝোতা সম্ভব নয় জানিয়ে আলাদা প্রস্তাব উত্থাপন করবেন বলে জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্র্যাট দলের নেতা উপপ্রধানমন্ত্রী নিক ক্লেগ সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নতুন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে বিরোধী দল লেবার পার্টির প্রধান এড মিলিব্যান্ডের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছান। এর পরই প্রধান তিন দলের প্রতিনিধিরা আবার আলোচনায় বসেন।
সংবাদপত্রের নৈতিকতার বিষয়ে বিচারপতি লর্ড লেভিসনের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আইন সংস্কার প্রশ্নে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। ব্রিটেনের বন্ধ হয়ে যাওয়া সর্বাধিক প্রচারিত পত্রিকা নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড-এর টেলিফোনে আড়ি পাতা এবং বেআইনিভাবে বিভিন্নজনের ব্যক্তিগত তথ্য বের করার কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার পর বিচারপতি লেভিসনের নেতৃত্বে ওই কমিশন গঠিত হয়।
প্রধান তিন দলের সমঝোতা অনুযায়ী, সংবাদপত্রগুলোর জন্য অবশ্যপালনীয় নীতিমালা বাস্তবায়নের বিষয়টি তদারকির জন্য রাজকীয় সনদের আওতায় একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গঠিত হবে। এর ফলে প্রেস কমপ্লেইন্টস কমিশন বা পিসিসির অবসান ঘটবে। অভিযোগ উঠেছিল, সংবাদপত্র মালিক এবং সম্পাদকদের নিয়োগদানকারী এই প্রতিষ্ঠান সংবাদপত্রের তদারকি বা নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে ব্যর্থ বা অকার্যকর। এ ছাড়া, রাজকীয় সনদ পরিবর্তনে পার্লামেন্টের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিধান যুক্ত করার বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়, যাতে করে নতুন নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানে রাজনীতিকদের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ না থাকে।  
রাজকীয় সনদের মাধ্যমে যে নতুন স্বাধীন নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হবে তার জন্য আলাদা করে আইন তৈরির প্রস্তাব করেছেন বিরোধী নেতা মিলিব্যান্ড এবং উপপ্রধানমন্ত্রী নিক ক্লেগ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন রাজকীয় সনদের সমর্থনে আর কোনো আইন করার বিরুদ্ধে।
এদিকে, কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা টেলিগ্রাফ, ডেইলি মেইল এবং সান ঘোষণা করেছে, তারা নিজস্ব নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে এবং রাজকীয় সনদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত নিয়ন্ত্রকের তদারকির আওতায় নিজেদের সমর্পণ করবে না।বিশেষ প্রতিনিধি, লন্ডন/প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV