Saturday, 5 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাজ্যে সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে তিন দলের সমঝোতা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 101 বার

প্রকাশিত: March 19, 2013 | 7:40 AM

ব্রিটেনে সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণে আইনগত ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে কয়েক দিন ধরে আলাপ-আলোচনার পর গত রোববার মধ্যরাতের পর সরকার ও বিরোধী দল একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে।
এর আগে গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন প্রধান তিন দলের শীর্ষনেতাদের আলোচনায় সমঝোতা সম্ভব নয় জানিয়ে আলাদা প্রস্তাব উত্থাপন করবেন বলে জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্র্যাট দলের নেতা উপপ্রধানমন্ত্রী নিক ক্লেগ সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে নতুন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে বিরোধী দল লেবার পার্টির প্রধান এড মিলিব্যান্ডের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছান। এর পরই প্রধান তিন দলের প্রতিনিধিরা আবার আলোচনায় বসেন।
সংবাদপত্রের নৈতিকতার বিষয়ে বিচারপতি লর্ড লেভিসনের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আইন সংস্কার প্রশ্নে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। ব্রিটেনের বন্ধ হয়ে যাওয়া সর্বাধিক প্রচারিত পত্রিকা নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড-এর টেলিফোনে আড়ি পাতা এবং বেআইনিভাবে বিভিন্নজনের ব্যক্তিগত তথ্য বের করার কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার পর বিচারপতি লেভিসনের নেতৃত্বে ওই কমিশন গঠিত হয়।
প্রধান তিন দলের সমঝোতা অনুযায়ী, সংবাদপত্রগুলোর জন্য অবশ্যপালনীয় নীতিমালা বাস্তবায়নের বিষয়টি তদারকির জন্য রাজকীয় সনদের আওতায় একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গঠিত হবে। এর ফলে প্রেস কমপ্লেইন্টস কমিশন বা পিসিসির অবসান ঘটবে। অভিযোগ উঠেছিল, সংবাদপত্র মালিক এবং সম্পাদকদের নিয়োগদানকারী এই প্রতিষ্ঠান সংবাদপত্রের তদারকি বা নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে ব্যর্থ বা অকার্যকর। এ ছাড়া, রাজকীয় সনদ পরিবর্তনে পার্লামেন্টের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিধান যুক্ত করার বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়, যাতে করে নতুন নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানে রাজনীতিকদের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ না থাকে।  
রাজকীয় সনদের মাধ্যমে যে নতুন স্বাধীন নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হবে তার জন্য আলাদা করে আইন তৈরির প্রস্তাব করেছেন বিরোধী নেতা মিলিব্যান্ড এবং উপপ্রধানমন্ত্রী নিক ক্লেগ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন রাজকীয় সনদের সমর্থনে আর কোনো আইন করার বিরুদ্ধে।
এদিকে, কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা টেলিগ্রাফ, ডেইলি মেইল এবং সান ঘোষণা করেছে, তারা নিজস্ব নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে এবং রাজকীয় সনদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত নিয়ন্ত্রকের তদারকির আওতায় নিজেদের সমর্পণ করবে না।বিশেষ প্রতিনিধি, লন্ডন/প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ