Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যাংক একটি দেশজ উদ্ভাবন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 61 বার

প্রকাশিত: March 27, 2013 | 11:17 AM

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে নতুন যে সাতটি ব্যাংককে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো দুটি এআরবি (প্রবাসী বাংলাদেশি) ব্যাংক—এনআরবি ব্যাংক লিমিটেড ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড। আরেকটি এনআরবি ব্যাংক অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
মূলত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ ও তাঁদের আয়-আমানত দেশে বিনিয়োগে দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগানোর জন্যই এই বিশেষ ধরনের বাণিজ্যিক ব্যাংককে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তবে প্রবাসীদের ব্যাংকের ধারণাটি পুরোপুরি একটি বাংলাদেশি উদ্ভাবন। ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বায়েজীদ সরকার তাঁর উপস্থাপিত এক প্রবন্ধে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশেষ ধরনের ব্যাংকের ধারণা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। মূলত সেখান থেকেই এনআরবি ব্যাংকের ধারণাটি একটি তাত্ত্বিক ভিত্তি খুঁজে পায়।
‘বৈদেশিক অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের বিকল্প তহবিল: প্রবাসী-আয় ব্যবহার করার পথ’ শীর্ষক প্রবন্ধে বায়েজীদ সরকার বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে একটা বিশেষ ধরনের ব্যাংক গঠন করা যেতে পারে, যা কিনা দীর্ঘমেয়াদি ঋণের জন্য বিশ্বব্যাংকের মতো আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারে।
ওই সেমিনারে বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ, অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি মঈনুল ইসলাম প্রমুখ এই প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে অভিহিত করেন।
অবশ্য এর আগেই এ বিষয়টি নিয়ে একাধিক পত্র-পত্রিকায় বায়েজীদ সরকারের  লেখা প্রকাশিত হয়। প্রবাসী-আয়বিষয়ক সেমিনারেও তিনি এই প্রস্তাব দেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে আরেকটি সেমিনারে উপস্থাপিত প্রবন্ধে বায়েজীদ সরকার বিষয়টি ভিন্নমাত্রায় উপস্থাপন করেন, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়।
এরপর ২০০৯ সালে অর্থমন্ত্রীর কাছে এক আনুষ্ঠানিক পত্রে বায়েজীদ সরকার প্রবাসী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি পর্যালোচনার অনুরোধ জানান। অর্থ মন্ত্রণালয় তা পর্যালোচনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে প্রেরণ করে। ইতিমধ্যে বায়েজীদ সরকার তাঁর প্রবন্ধটি কপিরাইট অফিসে নিবন্ধন করান।
অন্যদিকে প্রবাসী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার বিষয়টি প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন মহল থেকেও উচ্চারিত হতে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা শেষে ২০১১ সালের ৭ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশ ব্যাংক এনআরবি ব্যাংকের জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করে।
উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগ থেকেই প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যাংক স্থাপনের বিষয়টি বিচ্ছিন্নভাবে আলোচনায় উঠে আসতে থাকে। তবে বায়েজীদ সরকার তথ্য-উপাত্ত ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ সহযোগে সুনির্দিষ্ট গবেষণার মাধ্যমে এনআরবি ব্যাংকের একটি তাত্ত্বিক কাঠামো তৈরি করেন।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV