বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন আবদুল হামিদ
বঙ্গভবনের দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে শপথ পাঠ করান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শওকত আলী -ছবি: বাসস IIIIII
প্রবীণ রাজনীতিক মো. আবদুল হামিদ বুধবার দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বঙ্গভবনের দরবার হলে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে তিনি শপথ নেন। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার শওকত আলী। পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। শপথ নেওয়ার পর আবদুল হামিদ ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে করমর্দন করেন। নতুন রাষ্ট্রপতিকে দরবার হলে সমবেত অতিথিরা বিপুল করতালির মাধ্যমে স্বাগত জানান। তিনি উপস্থিত সবাইকে সালাম জানান। পরে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে মাত্র নয় মিনিটের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হয়। শপথের পর আবদুল হামিদ অতিথি সারির সামনের আসনে বসা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি আওয়ামী লীগের অন্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গেও করমর্দন করেন। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি পরে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের নিয়ে চা-চক্রে মিলিত হন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাঁর প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘সারা জীবন আমার একটা রাজনৈতিক আদর্শ ছিল। স্পিকার হিসেবে আমি নিরপেক্ষ ছিলাম। এখন আরও বড় নিরপেক্ষতার জায়গায় এসেছি। এখন আমি কোনো দলের নই, সারা দেশের।’ তিনি দায়িত্ব পালনে দেশবাসীসহ সব দল-মতের সহায়তা কামনা করেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মাত্র শপথ নিলাম। নির্বাচন বা নানা ইস্যুতে সমস্যা আছে। নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে। আমার সীমাবদ্ধতার মধ্যে যা কিছু করণীয়, তা করব। ন্যায়নীতির মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব।’ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির কাউকে দেখা যায়নি। তবে প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন, বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, বিদেশি কূটনীতিক এবং বিভিন্ন সংবাদপত্রের সম্পাদকেরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি