অবশেষে ফ্রান্সে বোরকা নিষিদ্ধ হলো
বাংলাপ্রেস,নিউইয়র্ক- অবশেষে ফ্রান্সে বোরকা নিষিদ্ধ হলো। জনসমাগমস্থলে মুখ-ঢাকা বোরকা পরা নিষিদ্ধ করার আইনটি অনুমোদন করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আইনি কর্তৃপক্ষ সাংবিধানিক পরিষদ। গত ৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দেওয়া এ অনুমোদনের ফলে বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার সর্বশেষ বাধা পার হলো।
ফ্রান্সের পার্লামেন্টের উভয় কক্ষেই পাস হওয়া বিলটি সম্পর্কে এর আগে সাংবিধানিক পরিষদ সতর্ক করে বলেছিল, মুখ-ঢাকা বোরকা পরা নিষিদ্ধ করাটা অসাংবিধানিক হতে পারে।
চূড়ান্ত পর্যালোচনার পর পরিষদ এখন বিলটির পক্ষে রায় দিয়ে বলেছে, তবে প্রার্থনার স্থানে এ বিধান বাস্তবায়ন করা যাবে না। আগামী বছরের শুরুতে আইনটি কার্যকর হবে। ফরাসি কর্তৃপক্ষ বলেছে, নারীদের অধিকার রক্ষার জন্যই এ আইন করা হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, এর ফলে ফ্রান্স ও ইউরোপের মানবাধিকারবিষয়ক আইনের লঙ্ঘন ঘটেছে।পরিষদ বলেছে, জনসমাগমস্থলে মুখ-ঢাকা বোরকা নিষিদ্ধ করার ফলে ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে না। কোনো নারী ইচ্ছা করলে বোরকা পরে মসজিদে প্রার্থনা করতে পারবেন। সংবিধান অনুযায়ী বিলটি অনুমোদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিষদ। এ আইনের ফলে সরকারি অফিস, গাড়ি, রাস্তাঘাট, বিপণিবিতান, বেসরকারি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও বিনোদনকেন্দ্র প্রভৃতি স্থানে কোনো নারী তার মুখ ঢেকে রাখতে পারবে না। আইন অমান্য করলে ১৯৫ ডলার বা ১৫০ ইউরো জরিমানা করা হবে। কোনো পুরুষ কোনো নারীকে মুখ-ঢাকা বোরকা পরতে বাধ্য করলে তাকে ৩০ হাজার ইউরো জরিমানা বা সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।মুসলমান নারীদের জোরপূর্বক বোরকা বা নেকাব পরা থেকে এ আইন রক্ষা করবে বলে মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজি। প্রধানমন্ত্রী ফ্র্যাঙ্কোই ফিলোঁ এ রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘ধর্মীয় চেতনার স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও ইতালির কয়েকটি পৌরসভা এ ধরনের আইন পাসের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে ফ্রান্সের জন্য এ আইন খুবই স্পর্শকতার বিষয়। কারণ ইউরোপের মধ্যে ফ্রান্সে সবচেয়ে বেশি মুসলমান বাস করে।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি