বাংলাদেশ ছেড়ে ‘মহাসেন’ এখন ত্রিপুরায়
দুর্বল হয়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’ আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ ছেড়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টি এখন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ফলে মহাসেনের প্রভাবে বাংলাদেশে আর কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শাহ আলম।
উপকূল ছেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং কক্সবাজারে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এর আগে সকাল নয়টার দিকে পটুয়াখালীর খেপুপাড়া উপকূলে আঘাত হানে মহাসেন।
মহাসেন দুর্বল হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শাহ আলম বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের যেসব এলাকা অতিক্রম করেছে, ওই সব এলাকায় আজ সকাল থেকে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। ফলে ধীরে ধীরে এটি দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে জোয়ারের কারণে জলোচ্ছ্বাসের যে আশঙ্কা ছিল, তা কমে এসেছে। ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। জোয়ারের সময় যদি ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলের কাছে চলে আসত, তাহলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হতো। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টা সারা দেশে বৃষ্টিপাত হবে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টির গতিবেগ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল জেলা ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ৭ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করা হয়েছিল। আর মংলা সমুদ্রবন্দরে জারি করা হয়েছিল ৫ নম্বর সতর্কসংকেত।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এবং সমুদ্রগামী জাহাজকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি