ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজে প্রবাসীদের সহায়তা সাদরে গ্রহণ করা হচ্ছে : জয়
এনাঃ নিউইয়র্কে দিনব্যাপী ইউএস-বাংলাদেশ টেকনোলাজি সামিটের প্রধান বক্তা ডিজিটাল বাংলাদেশের উদ্যোক্তা, শেখ হাসিনার আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ভারতীয় নাগরিকেরা প্রবাসে অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণের পর তাদেরকে ভারতের পাসপোর্ট বহন করতে দেয়া হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে মাতৃভূমির কল্যাণে প্রবাসের অভিজ্ঞতাকে ব্যবহারের লক্ষ্যে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজে প্রবাসীদের যে কোন সহায়তাকে সাদরে গ্রহণ করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডার দেড় শতাধিক প্রবাসী উদ্যোক্তা ও আইটি স্পেশালিষ্টের অংশগ্রহণে বিল্ডিং ডিজিটাল বাংলাদেশ : পার্টনারিং উইথ নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশীজ- শীর্ষক সেমিনারে সজীব ওয়াজেদ জয় আরো বলেন, খুব শীঘ্র বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ইনফরমেশন সেন্টার চালু হতে যাচ্ছে। এভাবেই প্রত্যন্ত অঞ্চলকে নেটওয়ার্কে এনে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার সমপ্রসারণ ঘটানো হচ্ছে। বিশ্ববিখ্যাত টাইমস স্কোয়ারে ম্যারিয়ট মারক্যুইস হোটেলের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিয়ার রহমান, আটলান্টাস্থ আইটি কোম্পানী এমআই থ্রির প্রেসিডেন্ট ড. সাইফুল খন্দকার, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা আনির চৌধুরী এবং বেসিসের প্রেসিডেন্ট মাহবুব জামান প্যানেলিস্ট হিসেবে মঞ্চে উপবেশন এবং বক্তব্য রাখেন। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে কোম্পানীর শাখা স্থাপন করেছেন অথবা আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কাজ করিয়ে নিচ্ছেন এমন কয়েকজন বিদেশী ব্যবসায়ীও বক্তব্য রাখেন। তারা প্রত্যেকে ভারত, চীন, ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশে কম খরচে একই ধাঁচের কাজ করছেন বলে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের অতিথি পরায়নতার প্রসঙ্গও এ সময় তারা উল্লেখ করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এনআরবি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার। এনআরবি ব্যাংকের মালিক হবেন প্রবাসীরা এবং তাদের মূলধনেই তা পরিচালিত হবে প্রবাসীদের স্বার্থে। এভাবেই বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রবাসীদের সরাসরি সম্পৃক্ততার সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরা ইতিমধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা পেতে শুরু করেছেন। এম আই থ্রির প্রেসিডেন্ট ড. সাইফুল খন্দকার তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এনআরবি ব্যাংকের ১০% শেয়ার সংরক্ষণ করতে হবে প্রবাসীদের জন্য, এনআরবি উদ্যোক্তা তহবিল হবে প্রবাসীদের অর্থে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগকারীদের বিশেষ কার্ড দিতে হবে এয়ারপোর্টসহ সর্বস্তরে বিশেষ মর্যাদা নিশ্চিত করার স্বার্থে। এ সেমিনারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সিটিতে আইটি পেশায় বিশেষ দক্ষতা প্রদর্শনকারী বাংলাদেশী-আমেরিকানরা তাদের মতামত ব্যক্ত করেন এবং প্রত্যেকেই উল্লেখ করেন, প্রবাসীদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে সরকার উদার নীতি অবলম্বন করলে বাংলাদেশ মাঝারী ধরনের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে স্বল্প সময়ে। প্রায় সকলেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বিদ্যুৎ সংকটকে উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা আশা করছেন, জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সকলে হরতাল-ধর্মঘটের মত কঠোর কর্মসূচি পরিহার করবেন।
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
- নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়
- নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন
- নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি
- NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature