Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

মুসলমান আখ্যা দিয়ে নিউ ইয়র্কে সহপাঠীকে নির্মম নির্যাতন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 128 বার

প্রকাশিত: October 14, 2010 | 11:55 PM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: নিউ ইয়র্কে একটি স্কুলে মুসলিম এক স্কুলছাত্রকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে অমানবিক নির্যাতন করেছে তারই চার সহপাঠী। তারা তার কুঁচকিতে ঘুষি মারতো। লাথি মেরে   মেঝেতে ফেলে দিতো। মুসলমান বলে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে গালি দিতো। ফাঁকে পেলেই তার মাথায় আঘাত করতো। ভয়ে সে মুখ বুজে সহ্য করতো সবই।
ভাবতো একদিন তার ওপর নির্যাতন থামবে। কিন্তু না। তারা তাকে শিক্ষকের সামনেও প্রহার করেছে। নির্যাতিত ওই ছাত্রের নাম ক্রিস্টিয়ান (১৬)। সে বলেছে, তারা তাকে প্রহার করতে করতে তার জীবনকে শেষ করে দিয়েছে। নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নিউ ইয়র্কের স্ট্যাটেন দ্বীপের একটি স্কুলে এ ঘটনা ঘটেছে। ক্রিস্টিয়ান তার পিতা ও পুলিশের কাছে বলেছে, তাকে সুযোগ পেলেই নির্যাতন করে ওই দুর্বৃত্তরা। সে বলেছে, তারা তাকে কুঁচকিতে ঘুষি মারতো। এতে সে মেঝেতে পড়ে গেলে তাকে লাথি মারতো। তারা বলতো- তুমি মুসলিম। তুমি সন্ত্রাসী। ক্রিস্টিয়ানের জন্ম আমেরিকায়। তার পিতামাতা ত্রিনিদাদের। তাদের একমাত্র সন্তান ক্রিস্টিয়ান। সে বলেছে, ২০০৯ সালের অক্টোবরে তার ওপর শুরু হয় নির্যাতন। ওই সময় সে এডউইন মারখাম ইন্টারমিডিয়েট স্কুলের ছাত্র। সেখান থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ না করা পর্যন্ত তার ওপর ওই নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। প্রথমে সে এ বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলে স্ট্যাটেন আইল্যান্ড এডভান্সে। অভিযুক্ত চার কিশোর মধ্যে আছে ১৪ বছরের তিন জন  ও ১৫ বছরের একজন ছাত্র। প্রথম তিন জন লাতিন আমেরিকার। বাকি জন আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিনি।  অবশেষে আঘাত করা ও হয়রানি করার অভিযোগে ওই চার কিশোরকে ১০ই অক্টোবর আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে পরে এক সময় আনুষ্ঠানিকভাবে আদালত চার্জ গঠনের কথা বলেছেন।
ওদিকে নিউ ইয়র্কে মুসলমানদের একটি ছোট কবরস্তান বন্ধ করে দেয়ার বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেবে না কর্তৃপক্ষ। বুধবার সেখানকার সিডনি টাউন বলে পরিচিত ছোট ওই শহরের এটর্নি জোসেফ এরমেতি স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ কথা বলা হয়েছে। সুফি সমপ্রদায়ের ৩০ সদস্যকে তাদের আইনজীবি টম শিমারলিং বলেছেন তিনি ওই চিঠি হাতে পেয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, সুফি সমপ্রদায়ের ৫০ একর খামার এলাকায় দুটি কবরস্তান আছে। এ ব্যাপারে রাজ্যের ও স্থানীয় পর্যায়ের আইন যাচাই করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে ওই কবরস্তান বৈধ। এর পরই সুফি মুসলিম সমপ্রদায়ের মুখপাত্র হ্যান্স হ্যাস কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV