হোয়াইট হাউসের কিংবদন্তি মহিলা সাংবাদিক হেলেন আর নেই

হোয়াইট হাউসের সাবেক প্রতিনিধি, বিশ্ব কাঁপানো মহিলা সাংবাদিক হেলেন টমাস আর নেই। দীর্ঘ রোগভোগের পর শনিবার ৯২ বছর বয়সে তিনি পরলোকগমন করেন। তিনি জন এফ কেনেডি থেকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পর্যন্ত প্রত্যেক আমেরিকান প্রেসিডেন্টের ওপর রিপোর্ট করেছেন। রোববার আল জাজিরার খবরে একথা বলা হয়। হেলেন টমাস হোয়াইট হাউসে ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনালের (ইউপিআই) প্রতিনিধি হিসেবে ৪৯ বছর কাজ করেছেন। ফার্স্ট লেডি জ্যাকুলিন কেনেডি এবং গ্লামারাস তরুণ প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির প্রতি গভীর অনুরাগ থাকায় ১৯৬১ সালে ইউপিআই অগ্রণী সাংবাদিক হেলেন টমাসকে হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়। হোয়াইট হাউসের প্রতিটি সংবাদ সম্মেলনের শেষপ্রান্তে তার বিনয়ী কণ্ঠ শোনা যেত : ‘থ্যাঙ্ক ইউ, মি. প্রেসিডেন্ট।’ এ চারটি শব্দ উচ্চারণে কত প্রতিযোগিতা হতো! কিন্তু হেলেনই জিততেন। বুশ প্রশাসনের আমলে তিনি কোণঠাসা ছিলেন। ইরাক যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। তাকে তিনি ইতিহাসের নিকৃষ্ট প্রেসিডেন্ট হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আপনি কখন আফগানিস্তান থেকে বের হয়ে আসছেন? আপনি সেখানে কেন হত্যা করছেন এবং নিজে মারা যাচ্ছেন?’ হেলেন টমাস হোয়াইট হাউসে মিডিয়া কোরের ডিন নির্বাচিত হন। হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে সামনের সারিতে একটি চেয়ার ছিল তার জন্য নির্ধারিত। চেয়ারে তার নাম আঁঁটা থাকত। এমন দুর্লভ সম্মান তিনি ছাড়া আর কোনো সাংবাদিক ভোগ করেননি। তিনি ছিলেন লেবাননী অভিবাসী পরিবারের সন্তান। ডেট্রয়েটে তিনি বেড়ে ওঠেন। পিতামাতা লেবাননী হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কে তার ছিল প্রবল আগ্রহ। তিনি ফিলিস্তিনিদের সমর্থন করতেন। ২০১০ সালে ইসরাইল সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, ‘এ অভিশপ্তকে ফিলিস্তিন থেকে বের করে দাও। মনে রেখো, ফিলিস্তিনি ও তাদের ভূখণ্ড অধিকৃত।সিএনএন/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল