Monday, 7 September 2026 |
শিরোনাম
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর: নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজক কন্স্যুলেট! নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion
সব ক্যাটাগরি

চোরের মহানুভবতা!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 30 বার

প্রকাশিত: August 17, 2013 | 8:24 PM

 

এবার একটি দাতব্য সংস্থা থেকে চুরি করা কম্পিউটার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ফিরিয়ে দিয়ে অন্যরকম এক নজির সৃষ্টি করেছে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের স্যান বার্নাডিনো কাউন্টির একদল চোর। নানা ধরনের যৌন নির্যাতন রোধে কাজ করা সেক্সুয়াল অ্যাসল্ট সার্ভিসেস নামের এই দাতব্য সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের স্যান বার্নাডিনো সেন্টার থেকে বেশ কয়েকটি কম্পিউটার ও ল্যাপটপসহ মূল্যবান কিছু সামগ্রী খোয়া যাওয়ার পরদিনই সেগুলো অফিসটির মূল দরজার কাছে রেখে যায় চোরেরা। এ সময় বিষয়টিতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে অনুশোচনা প্রকাশ করে একটি চিঠি এবং সংস্থাটিকে তাদের কাজে উত্তরোত্তর সাফল্য লাভে শুভকামনাও জানায় অজ্ঞাতনামা ঐ চোরের দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে যেয়ে সেন্টারটির পরিচালক ক্যান্ডি স্টলিংস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অপরাধপ্রবণ এলাকা বিবেচনায় আমাদের সেন্টারটিতে নিরাপত্তার আধুনিক সবরকম ব্যবস্থাই ছিল। আমরা বাজারের সেরা ডোরলক সিস্টেম লাগিয়েছিলাম। সেই সাথে সতর্ক সংকেত দেওয়ার জন্য মোশন ডিটেক্টরও ছিল। কিন্তু তারপরও চতুর চোরের দল লক ভেঙ্গে এবং মোশন ডিটেক্টর এড়াতে হামাগুড়ি দিয়ে অফিস কক্ষে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। আর এভাবেই অফিস তছনছ করে তারা সম্ভ্যাব্য সকল মূল্যবান সামগ্রীই হাতিয়ে নিতে সক্ষম হয়। বিষয়টিতে ভীষণভাবে হতাশ হয়ে আমরা তাত্ক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানাই। তবে পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের আগেই পরের দিন অফিসের সামনে সবগুলো সামগ্রী একটি বাক্সে করে রেখে যায় চোরেরা। তারা অফিস থেকে নেওয়া কোনো সামগ্রীই ফেরত দিতে বাদ রাখেনি। আর তাদের ফেরত দেওয়া এই সামগ্রীগুলোর মাঝে একটি ল্যপটপ খুলতেই সেখানে ভুল বানানে লেখা একটা চিঠি আবিষ্কার করি আমরা যেখানে ক্ষমা প্রার্থণা করে সবকিছু ফিরিয়ে দেবার কথাই লেখা ছিল।’ এদিকে চিঠিতে যা লেখা ছিল তাহলো, ‘আমরা কী নিয়ে যাচ্ছি সে সম্পর্কে কোনো ধারণাই আমাদের ছিল না। তাই এখানে আপনাদের সবকিছুই আমরা ফিরিয়ে দিলাম। আমরা আশা করি, আপনারা মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনার যে মহান ব্রত নিয়ে কাজ করছেন সেটি চালিয়ে যাবেন। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন।’ এদিকে চোরেদের এই কাণ্ডে হতবাক হওয়া স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট পল উইলিয়ামসও তার এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন যে, তার দীর্ঘ চাকরি জীবনে এ ধরনের ঘটনা তিনি এবারই প্রথম দেখলেন।ইত্তেফাক
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ