কানেকটিকাটে জমে উঠেছে বাক-এর নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা
সাবেদ সাথী(বাংলাপ্রেস)নিউইংল্যান্ড থেকে: বাংলাদেশি আমেরিকান এসোসিয়েশন অব কানেকটিকাট (বাক)-এর নির্বাচনী তফসিল ঘোষনার পর জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারনা। আগামী ৩০অক্টোবর আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দুটি প্যানেলের মধ্যে চলছে নির্বাচনী লড়াইয়ের ব্যাপক প্রস্তুতি।গত ১৫ ও ১৬ অক্টোবর শুক্রবার ও শনিবার মেরিডেনের রুটিবটি রেস্টুরেন্টে দু’প্যানেলের পৃথক পৃথক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শওকত-আজিম ও রিফাত-ময়নুল পরিষদের স্ব স্ব কর্মি ও সমর্থকরা উক্ত নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন।সভায় নির্বাচনী প্রচারনার নানা দিক নির্দেশনাসহ বিস্তারিত আলোচনা হয়।নির্দিষ্ট সময়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হলে বাক-এর নতুন সদস্যগণ ভোট প্রয়োগ করতে পারবে না।কারন তাদেরকে ভোটাধিকার পেতে ৯০দিন অপেক্ষা করতে হবে।এ বিষয়টি নিয়ে নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে ফলে অনেকেই ভোট গ্রহণের দিন পিছিয়ে যাবে বলে আশংকা করছেন। এদিকে দু’টি প্যানেলের তালিকাসহ নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত সাত বছর আগে কানেকটিকাটে বাংলাদেশি আমেরিকান এসোসিয়েশন(বাক)গঠন করা হয়।বাক- গঠনের পর এটাই প্রথম ব্যালট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।গত কয়েক বছর ধরে নির্বাচনের প্রাক্কালে সমঝোতা করে নামকা ওয়াস্তে কমিটি করা হয়েছিল। যা ছিল বিতর্কিত। এছাড়াও কমিটির কার্য্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ছিল নানা অন্তর্দন্দ্ব। ফলে ব্যক্তিগত কারন দেখিয়ে প্রথম কমিটি থেকে সা.সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে যারা মনোনীত হয়ে কমিটিতে এসেছিলেন তারা ছিলেন সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে একেবারেই অদক্ষ এবং অথর্ব।ফলে কানেকটিকাটের সাধারন মানুষ বাক- এর নাম শুনলেই বিরুপ মন্তব্য করত।শুধু তাই নয়,তাদের কিছু কার্য্যক্রমে সাধারন মানুষ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বাক-এর নির্বাচনের তারিখ ঘোষনার পর থেকে অনেকেরই মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। যারা এতদিন ঘোমটার আড়ালে থেকে এই সংগঠনটিকে ভাঙ্গার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন তারা এখন লাজ-লজ্জাকে বিসর্জন দিয়ে ঘোমটা খুলে নেচে বেড়াচ্ছেন।বিষয়টি বর্তমানে অনেকের কাছে হাস্যরসে পরিনিত হয়েছে।
শওকত–আজিম পরিষদে যারা মনোনয়ন পেলেন:
সভাপতি: ড.শওকত খাঁন, সহ–সভাপতি: আজিম ফাহমি,সা.সম্পাদক: ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল (প্রত্যাহার), সহ–সা.সম্পাদক: মোহাঃ রহমান তুহিন, কোষাধ্যক্ষা: রাহিমা চৌধুরী,সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা: তানজিন রহমান,সহ–সাংস্কৃতিক সম্পাদক: সাব্বির আহমেদ রনি, প্রচার সম্পাদক: সাঈদ চৌধুরী সুমন, যুব ও ছাত্র সম্পাদক: রিসালাত তাউস রাতুল, সাদস্যিক সম্পাদক: মোহাঃ শাহীন, ক্রীড়া সম্পাদক: মোল্লা বাহাউদ্দিন পিয়াল, নারী বিষয়ক সম্পাদিকা: রেখা রোজারিও,কার্যকরী সদস্যবৃন্দ: ড.শেখ মাহফুজুল হক ও হুমায়ুন জায়গিরদার প্রমুখ।
রিফাত–ময়নুল পরিষদে যারা মনোনয়ন পেলেন:
সভাপতি:ড.রিফাত উল্লাহ, সহ– সভাপতি:ড.তামিম আহমেদ, সা.সম্পাদক: ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল,সহ–সা.সম্পাদক: নুরুল আলম নুরু, কোষাধ্যক্ষ: আশফাক তরফদার,সাংস্কৃতিক সম্পাদক: মীর আজম, সহ–সাংস্কৃতিক সম্পাদক: ডেভিড রোজারিও,প্রচার সম্পাদক: মশিউর রহমান কামাল, যুব ও ছাত্র সম্পাদক: রনি হাওলাদার, সাদস্যিক সম্পাদক: নজরুল ইসলাম সাদেক, ক্রীড়া সম্পাদক:মমিনুল হক মানুন, নারী বিষয়ক সম্পাদিকা: কৌশলী ইমা, কার্যকরী সদস্যবৃন্দ: আলী আকবর ও হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
সাধারন সম্পাদক পদে মনোনয়ন জটিলতা: মনোনয়ন দাখিলের শেষ মুহুর্তে দু‘টি প্যানেলের উভয়েই সা.সম্পাদক হিসেবে ময়নুল হক চৌধুরী হেলালকে পছন্দ করে তাঁর নাম প্যানেল তালিকায় বসিয়েছিলেন।চুড়ান্ত পর্যায়ে তিনি শওকত–আজিম পরিষদ থেকে তার নাম প্রত্যাহার করেন। এ নিয়ে কানেকটিকাটে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে চলছে নানা গুঞ্জন।শওকত–আজিম পরিষদের অনেকেই বিষয়টিকে তাঁর বড় ধরনের প্রতারনার কথাও বলছেন।তাঁর এই প্রতারনার বিষয়টিকে ইস্যু করেই শওকত–আজিম পরিষদ নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছে।এব্যাপারে ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল এ প্রতিনিধিকে বলেন, দু‘টি প্যানেল একই পদে আমার নাম ব্যবহার করতেই পারে।
কিন্তু আমারও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ রয়েছে। তাই যে প্যানেলকে পছন্দ হয়েছে বা যোগ্য বলে মনে হয়েছে তাঁদেরকে সমর্থন দিয়ে সেই প্যানেলেই রয়েছি। এটাতে আমার কোন ভুল হয়েছে বলে আমি মনে করিনা।এছাড়াও তিনি উল্লেখ করে বলেন, শওকত- আজিম পরিষদের সদস্যরা মনোনয়নের জন্য আমাকে পছন্দের কথা বলে আমাকে না জানিয়েই ‘বাক’ বিরোধী নেতা-নেত্রীদের বাসায় কয়েক দফা গোপন বৈঠক করেন।যা আমার কাছে দৃষ্টি কটু বলেই মনে হয়েছে। তাই ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে আমার থাকা সম্ভব হয়নি।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি